ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ছয় দেশের ৭০ জন চিহ্নিত, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আতিউরসহ ১০ কর্মকর্তা
২১১২ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও ৩ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার
বেনজীরকে দেশে আনতে সামনে যেসব বাধা
আলিবাবার বিনিয়োগ বন্ধ, ব্যবসা গোটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে দারাজ বাংলাদেশ
প্রবাসীদের বিক্ষোভের অতীত স্মৃতি স্মরণ করে লন্ডন সফর বাতিল করেন শফিকুল
বেনজীরের ‘ক্যাশিয়ার’ থেকে বিএনপির এমপি — জসিম উদ্দিনের বিস্ময়কর রাজনৈতিক পুনর্জন্ম
বাবা মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হওয়ার ১০ বছর পর জন্ম জামায়াত এমপির! সংসদে চাঞ্চল্যকর দাবি
বাংলাদেশি জাহাজ ফের ডুবল পশ্চিমবঙ্গের হুগলি নদীতে
এক মাসের মধ্যে আবারও পশ্চিমবঙ্গের নদীতে ডুবে গেল বাংলাদেশি জাহাজ। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার হুগলি নদীর ঘোড়ামারা দ্বীপ সংলগ্ন এলাকায় শুক্রবার ভোরে ডুবে গেছে একটি ছাইবোঝাই বাংলাদেশি জাহাজ। জাহাটির নাম এমভি সি ওয়ার্ন্ড যা কিং ওশান শিপিং লাইন নামে একটি বাংলাদেশি শিপিং কোম্পানির মালিকানাধীন।
জাহাজটি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাট থার্মাল পাওয়ার স্টেশন থেকে ছাইবোঝাই করে বাংলাদেশে ফিরছিল। পথেই আচমকা জাহাজের তলায় বড় শব্দ হয়। এরপরই জাহাজে পানি ঢুকতে শুরু করে। এরপর ধীরে ধীরে নদীতে তলিয়ে যেতে শুরু করে জাহাজটি। বর্তমানে জাহাজটি নদীতে সম্পূর্ণ ডুবে গেছে। তবে উদ্ধার করা হয়েছে জাহাজটির ১৬ ক্রু সদস্যের সবাইকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা
গেছে, ভোরে ঘোড়ামারা দ্বীপ সংলগ্ন এলাকায় নদী থেকে আচমকাই ব্যাপক চিৎকার শুনতে পান স্থানীয়রা। জাহাজের কর্মীদের চিৎকার শুনতে পেয়ে কাছাকাছি থাকা জেলেদের নৌকা জাহাজটির কাছে যায়। দ্রুতই ডুবে থাকা জাহাজটির ১৬ ক্রুকে উদ্ধার করে তারা। ফোন করে ঘটনাটি জানানো হয় স্থানীয় গঙ্গাসাগর থানায়।কিছুক্ষণের মধ্যেই স্পিড বোট নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয় গঙ্গাসাগর থানার পুলিশ বাহিনী। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, ক্রু সদস্যদের প্রত্যেকেই থানায় পুলিশের আশ্রয়ে আছেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাদের নেওয়া হয়েছে স্থানীয় রুদ্রনগর গ্রামীণ হাসপাতালে। সকলেই সুস্থ আছেন। ঘটনাটি জাহাজটির মালিক কোম্পানিকে জানিয়েছে জাহাজটির কর্মীরা। তাদের সিদ্ধান্ত জানার পর জাহাজ উদ্ধারের কাজ শুরু হবে। এর আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি
হুগলি জেলার বাঁশবাড়িয়া সংলগ্ন এলাকার গঙ্গায় ডুবে যায় এডি বছিরউদ্দিন কাজি নামে আরেকটি বাংলাদেশি জাহাজ। ত্রিবেণীর ব্যান্ডেল থার্মাল পাওয়ার স্টেশন (বিটিপিএস) থেকে ছাই নিয়ে ফিরছিল কার্গো জাহাজটি। এই ঘটনার একমাস না কাটতেই ফের জাহাজডুবির ঘটনা ঘটল।
গেছে, ভোরে ঘোড়ামারা দ্বীপ সংলগ্ন এলাকায় নদী থেকে আচমকাই ব্যাপক চিৎকার শুনতে পান স্থানীয়রা। জাহাজের কর্মীদের চিৎকার শুনতে পেয়ে কাছাকাছি থাকা জেলেদের নৌকা জাহাজটির কাছে যায়। দ্রুতই ডুবে থাকা জাহাজটির ১৬ ক্রুকে উদ্ধার করে তারা। ফোন করে ঘটনাটি জানানো হয় স্থানীয় গঙ্গাসাগর থানায়।কিছুক্ষণের মধ্যেই স্পিড বোট নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয় গঙ্গাসাগর থানার পুলিশ বাহিনী। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, ক্রু সদস্যদের প্রত্যেকেই থানায় পুলিশের আশ্রয়ে আছেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাদের নেওয়া হয়েছে স্থানীয় রুদ্রনগর গ্রামীণ হাসপাতালে। সকলেই সুস্থ আছেন। ঘটনাটি জাহাজটির মালিক কোম্পানিকে জানিয়েছে জাহাজটির কর্মীরা। তাদের সিদ্ধান্ত জানার পর জাহাজ উদ্ধারের কাজ শুরু হবে। এর আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি
হুগলি জেলার বাঁশবাড়িয়া সংলগ্ন এলাকার গঙ্গায় ডুবে যায় এডি বছিরউদ্দিন কাজি নামে আরেকটি বাংলাদেশি জাহাজ। ত্রিবেণীর ব্যান্ডেল থার্মাল পাওয়ার স্টেশন (বিটিপিএস) থেকে ছাই নিয়ে ফিরছিল কার্গো জাহাজটি। এই ঘটনার একমাস না কাটতেই ফের জাহাজডুবির ঘটনা ঘটল।



