নির্বাচনের আগেই পতিত স্বৈরাচারের বিচার নিশ্চিত করতে হবে: ছাত্রশিবির সেক্রেটারি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

নির্বাচনের আগেই পতিত স্বৈরাচারের বিচার নিশ্চিত করতে হবে: ছাত্রশিবির সেক্রেটারি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ |
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, “নির্বাচনের আগেই পতিত স্বৈরাচারের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি অভিযোগ করেন, কিছু রাজনৈতিক দল এই দাবিতে সরব না থেকে চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও দখলদারিতে লিপ্ত হয়েছে। আজ শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের গুম, খুন, দুর্নীতিসহ রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং জুলাই গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবিতে’ ছাত্রশিবির আয়োজিত গণমিছিল শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে জুমার নামাজের পর গণমিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি পল্টন মোড়, জাতীয় প্রেস ক্লাব, মৎস্য ভবন হয়ে শাহবাগে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম। তিনি বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের পর ছয়

মাস পেরিয়ে গেলেও যারা বাংলাদেশকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিয়েছিল, বাকশাল কায়েম করেছিল, সাধারণ ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে হত্যা করেছিল, সেই ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারীদের বিচার এখনো হয়নি। বিচার নিয়ে দীর্ঘসূত্রিতা চলছে। আমরা স্পষ্ট বলতে চাই, বাংলার মাটিতে তাদের বিচার করেই নির্বাচনের দিকে যেতে হবে।” ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সিবগাতুল্লাহ বলেন, আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত না করার আগ পর্যন্ত ছাত্রসমাজকে নিয়ে ইসলামী ছাত্রশিবির মাঠে থাকবে। তিনি বলেন, আমরা ভেবেছিলাম অচিরেই আওয়ামী লীগের হত্যাকাণ্ডের বিচার বাংলাদেশে হবে। কিন্তু দেখছি তাদের এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি। ছাত্রলীগ, যুবলীগের সন্ত্রাসীরা এখনো আমাদের ভাইদের হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করছে। আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। গণমিছিলে অন্যদের

মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ, প্রকাশনা সম্পাদক সাদিক কায়েম ও মানবাধিকার সম্পাদক সিফাত আলম। আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর, বিশ্ববিদ্যালয় শাখাসহ অন্যান্য শাখার সভাপতি, সেক্রেটারি ও অন্য নেতারা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এ পর্যন্ত শাহজালালে বাতিল ৯৭২ ফ্লাইট বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি কৃষক আহত, পাল্টা ধরে আনা হলো ভারতীয় কৃষককে, সীমান্তে উত্তেজনা দেশের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ্যে, তালিকায় আছে যারা ত্বকের সতেজতা ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে ম্যাগনেসিয়াম যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ বছরের দম্ভ চুরমার করে দিল ইরান সুদ হার কমানো ও ঋণসীমা বাড়ানোর দাবি এফবিসিসিআইয়ের ১৬ লাখ টাকার স্পিন বোলিং মেশিন কী কাজে লাগাবে বিসিবি অধ্যাদেশ নিয়ে যে ‘খেলা’ সেটা রাজনীতি ও আমলাতন্ত্রের: টিআইবি ইরান যুদ্ধ: ‘অহমিকা’ ও ‘অবিশ্বাস’-এর মাঝেও কূটনীতি চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান আর্টেমিস চন্দ্রাভিযানে যেসব খাবার নিয়ে গেছেন নভোচারীরা বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা মালয়েশিয়ায় মানবপাচার চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার, আটক ২৭ বাংলাদেশি মার্চে কমল মূল্যস্ফীতি সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ করে সংসদে বিল পাশ স্ত্রীকে ‘পাগল’ সাজাতে জালিয়াতি, আ.লীগ নেতা হাবিবকে গ্রেফতারে পরোয়ানা ২ ডিআইজিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি কেন ইরান যুদ্ধের চরম মূল্য দিচ্ছে ইউরোপ ও এশিয়ার মার্কিন মিত্ররা? তৃতীয় দফায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী রিমান্ডে খাদ্য ও ওষুধ সংকটে পড়তে পারে কোটি মানুষ হরমুজ প্রণালি সচল করতে ইরান-ওমান বৈঠক শুরু