ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাঙামাটিতে ৩ হাজার ইয়াবাসহ গণ অধিকার পরিষদের জেলা সহসভাপতি গ্রেপ্তার
মাদক সিন্ডিকেটের হোতাকে ছাড়াতে থানায় যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা
মো-সা-দ এজেন্ট’ বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল সুপ্রিম কোর্টে
ডাকাতি মামলায় বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে
৩ লাখের মুলা ঝুলিয়ে অসহায় পরিবারের হাতে ৭০০ টাকা দিয়ে নাসির-সারজিসের ফুটেজ খাওয়া, নিন্দা সাধারণের
পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্রলীগ নেতার ওপর ছাত্রদল-শিবিরের মবের পর পুলিশে সোপর্দ, পুলিশের প্রতি ধিক্কার শিক্ষার্থীদের
তুরাগে আওয়ামী লীগের ৩ কর্মীর লাশ উদ্ধার: পরিবারের দাবি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, সরকারের ‘না’
নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সোহেল তাজ
সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ সম্প্রতি তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে একটি অস্বাভাবিক ও আতঙ্কজনক ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তাকে মোটরসাইকেল আরোহী একজন ব্যক্তি ফলো করে এবং কিছু রহস্যজনক আচরণ করে। এই ঘটনা নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং যথাযথ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।
সোহেল তাজ জানান, তিনি কাজ থেকে ফেরার সময় সংসদ ভবন এলাকা থেকে ক্যান্টনমেন্টের ভিতরে ঢোকার পর একজন মোটরসাইকেল আরোহী তাকে ফলো করতে শুরু করে। রাত প্রায় ১০:৫০ থেকে ১১:০০ এর মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। মোটরসাইকেল আরোহীটি প্রথমে তার বুকে লাল-নীল বাতি জ্বালিয়ে সোহেল তাজকে থামতে নির্দেশ দেন। সোহেল তাজ থামার পর তার পরিচয় জানতে চাইলে,
মোটরসাইকেল আরোহী তাকে অপেক্ষা করতে বলেন এবং জানিয়ে দেন যে তার লোক আসছে। তবে কিছুক্ষণের মধ্যে তাকে চলে যেতে বলা হয়। সোহেল তাজ এই ব্যক্তিকে কোনো গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য বলে সন্দেহ করেন এবং এই ধরণের আচরণকে হয়রানি বলে মনে করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ক্যান্টনমেন্টের জাহাঙ্গীর গেটের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করলেই ওই মোটরসাইকেল আরোহীর পরিচয় জানা সম্ভব। সোহেল তাজ এই ঘটনা সম্পর্কে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই ঘটনার পেছনে কে বা কারা জড়িত, তা উদ্ঘাটন করা উচিত। উপসংহার: সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজের এই অভিজ্ঞতা সমাজে নিরাপত্তা বিষয়ে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। ঘটনাটি সঠিকভাবে
তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রক্ষার জন্য এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা প্রয়োজন।
মোটরসাইকেল আরোহী তাকে অপেক্ষা করতে বলেন এবং জানিয়ে দেন যে তার লোক আসছে। তবে কিছুক্ষণের মধ্যে তাকে চলে যেতে বলা হয়। সোহেল তাজ এই ব্যক্তিকে কোনো গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য বলে সন্দেহ করেন এবং এই ধরণের আচরণকে হয়রানি বলে মনে করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ক্যান্টনমেন্টের জাহাঙ্গীর গেটের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করলেই ওই মোটরসাইকেল আরোহীর পরিচয় জানা সম্ভব। সোহেল তাজ এই ঘটনা সম্পর্কে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই ঘটনার পেছনে কে বা কারা জড়িত, তা উদ্ঘাটন করা উচিত। উপসংহার: সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজের এই অভিজ্ঞতা সমাজে নিরাপত্তা বিষয়ে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। ঘটনাটি সঠিকভাবে
তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রক্ষার জন্য এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা প্রয়োজন।



