ভয়ঙ্কর বন্দি নির্যাতনের কেন্দ্র এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩ জানুয়ারি, ২০২৫

ভয়ঙ্কর বন্দি নির্যাতনের কেন্দ্র এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩ জানুয়ারি, ২০২৫ |
সিরিয়ার দেইর ইজ-জোর সেন্ট্রাল কারাগার। যেখানে বহু পুরুষ, নারী এবং শিশুসহ বর্বর নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন হাজারো মানুষ। সেটি এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। কারাগারের গোপন বাস্তবতা বাইরে থেকে পরিত্যক্ত দেখালেও এই কারাগারটিই দীর্ঘদিন ধরে ছিল ভয়ঙ্কর নির্যাতনের কেন্দ্র। সম্প্রতি বাথ শাসনের পতনের পর কারাগারটির ভেতরের অমানবিক চিত্র উন্মোচিত হয়েছে। আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে জানা গেছে, এই কারাগারের ওয়ার্ড এবং সেলগুলোতে বছরের পর বছর ধরে অমানবিক অবস্থায় রাখা হতো বন্দিদের। সাবেক বন্দির বর্ণনা দেইর ইজ-জোর কারাগারে দীর্ঘ ৮৮ দিন আটক থাকা বাসিল কুয়েইহি নামের এক ব্যক্তি আনাদোলুকে বলেন, ‘প্রতিদিন আমাদের পেটানো হতো এবং টিয়ার গ্যাস দিয়ে নির্যাতন চালানো হতো। বৃদ্ধ বন্দিদের মেঝেতে টেনে হেঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হতো’। নির্যাতনের লোমহর্ষক

বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাঁটু গেড়ে বসিয়ে রাখা হতো এবং টয়লেটে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হতো না। একদিন আমরা বিদ্রোহ করি, সেদিন আমদেরই এক তরুণকে এই প্রাঙ্গণে স্নাইপারের গুলিতে হত্যা করা হয়’। ন্যায়বিচারের দাবি কুয়েইহি বলেন, ‘শুধু শীর্ষ নেতাদের নয়, যারা নির্যাতনে অংশ নিয়েছে, তাদের সবাইকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। এই (বাশার আল-আসাদ) শাসন ছিল ভয়ানক নিষ্ঠুর’। কারাগারের বর্তমান অবস্থা এদিকে কারাগারের দেয়ালে এখনো লেখা রয়েছে, ‘ধ্বংস, অন্ধকার, মৃত্যু’। যা এর ভয়াবহ অতীতকে তুলে ধরে। বাথ শাসনের প্রতীকগুলোও কারাগারের বিভিন্ন কোণে দেখা যায়। ধ্বংসস্তূপে পরিণত এই কারাগারে পোড়া বাঙ্ক, ধোঁয়ায় কালো হয়ে যাওয়া দেয়াল এবং ভাঙাচোরা পুলিশি যানবাহন রয়েছে। বাশার আল-আসাদের পতনের পর সিরিয়ায়

গত ৮ ডিসেম্বর বাশার আল-আসাদ তথা বাথ শাসনের পতনের পর দেইর ইজ-জোর কারাগারের বন্দিরা মুক্তির স্বাদ নিতে পারেন। বর্তমানে কারাগারটি বাথ শাসনের নিষ্ঠুরতার একটি ভয়ানক স্মারক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। সেই সঙ্গে সাবেক বন্দিদের মধ্য থেকে ন্যায়বিচারের আহ্বান এখনও প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৮ শিশুর মৃত্যু জ্বালানি নিরাপত্তা জাতীয় নিরাপত্তার অংশ, ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিহিংসামূলক নীতি তা নষ্ট করছে: আজিজ খান রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ থেকে এখন বিশ্বের তীব্র খাদ্য সংকটের শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ টিটিপির নিশানায় বাংলাদেশ: সারাদেশে ‘রেড অ্যালার্ট বহুমুখী সংকটে শিল্পখাত, টিকে থাকার লড়াইয়ে ধুঁকছে সিমেন্টসহ উৎপাদন খাত হংকংকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে কোয়ালিফাই করল বাংলাদেশের নারীরা মুক্তিযুদ্ধের বিভীষিকার ছবি তুলে বিশ্ব বিবেক নাড়িয়ে দেওয়া আলোকচিত্রী রঘু রাই আর নেই বিশ্বকাপ মিসের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নতুন শুরুর লক্ষ্য লিটনের রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর দুর্নীতির আখড়া ডিএনসিসি: বাজারদরের ৬ গুণ বেশি দামে পণ্য ক্রয়, নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ দিতে বারবার দরপত্র বাতিল, শর্ত বদল ডিএনসিসির ইজারা প্রক্রিয়ায় অনিয়ম: বাজেয়াপ্ত পে-অর্ডারের সাড়ে ৭ কোটি টাকা উত্তোলন, জানে না কর্তৃপক্ষ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২৬ সফল করতে নিউইয়র্কে মতবিনিময় সভা — সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও প্রগতির দৃঢ় অঙ্গীকার শিক্ষক লাঞ্ছনার কালো অধ্যায় ও একটি রাষ্ট্রীয় অপরাধের দলিল তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি? বিদ্যুৎ নেই, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ – বিএনপি সরকার ঘুমে ছয় শিক্ষকের মৃত্যু, একটি ঘটনারও বিচার হয়নি মহান মুক্তিযুদ্ধের চিত্র ধারণ করা আলোকচিত্রী রঘু রাইয়ের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শোক ফারুকীর নাশতায় প্রতিদিন খরচ ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা” গণঅভ্যুত্থান নয়, ৫ আগস্ট ছিল সুপরিকল্পিত ‘রেজিম চেঞ্জ’: পুরো সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর তথ্য