দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্টকে গ্রেফতার করতে পুলিশের চেষ্টা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩ জানুয়ারি, ২০২৫

দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্টকে গ্রেফতার করতে পুলিশের চেষ্টা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩ জানুয়ারি, ২০২৫ |
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে ইউন সুক ইওলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করতে আজ শুক্রবার কর্মকর্তারা উদ্যোগ নিয়েছেন। তার বাসভবনের বাইরে হাজির হয়েছে পুলিশ। তাদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের উপস্থিতিতে উত্তেজনা তৈরি হয়। যেখানে হাজির ইউনের সমর্থকরা যে কোনো গ্রেফতারের চেষ্টা প্রতিরোধের শপথ নেয়। ইউন সুক ইওল বিদ্রোহের অপরাধে তদন্তাধীন রয়েছেন। ৩ ডিসেম্বর তার সংক্ষিপ্ত সামরিক শাসনের চেষ্টার কারণে তাকে অভিযুক্ত করা হয়। কোনো দক্ষিণ কোরিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে এমন গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করার ইতিহাস নেই আর একটিও। উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের দুর্নীতি তদন্ত অফিস (সিআইও), পুলিশ ও প্রসিকিউটরদের সমন্বয়ে গঠিত একটি তদন্ত দল ইউনের বাসভবনের ফটকে সকাল ৭টার কিছু পরে পৌঁছায়। ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, তিন

হাজার পুলিশ সদস্য প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা বিভাগ তদন্তকারীদের ইউনের অফিস ও বাসভবনে প্রবেশে বাধা দেওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে সিআইও-র যানবাহন বাসভবনে প্রবেশ করেনি বলে জানানো হয়েছে। ইউনের বাসভবনের কাছে ভোর থেকে শত শত বিক্ষোভকারী জড়ো হয়। তারা গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকরের প্রতিবাদ করে। একজন বিক্ষোভকারী বলেন, ‘আমাদের জীবন দিয়ে তাদের আটকাতে হবে।’ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তাকে পথ আটকানোর চেষ্টা করেন। অনেকে ‘জনগণ প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে রক্ষা করবে’ বলে স্লোগান দেন। ৭৪ বছর বয়সী পিয়ং ইন-সু বলেন, ইউনের বাসভবনের কাছে অবস্থান নেওয়া দেশপ্রেমিক নাগরিকদের প্রেসিডেন্ট প্রতিরক্ষায় অংশ নেওয়া জরুরি। তিনি দক্ষিণ কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা নিয়ে বলেন, ‘আমি আশা করি ডোনাল্ড ট্রাম্প

দক্ষিণ কোরিয়ার সঠিক পথে ফিরে আসতে সহায়তা করবেন।’ গত ৩ ডিসেম্বর ইউন সুক ইওল গভীর রাতে সামরিক শাসন জারির ঘোষণা দেন। কিন্তু মাত্র ছয় ঘণ্টার মধ্যেই তিনি তা প্রত্যাহার করেন। ইউনের এই পদক্ষেপ দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। ইউন বর্তমানে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন এবং তার অভিশংসন মামলা সংবিধান আদালতে বিচারাধীন। তার স্থায়ী অপসারণ বা পুনর্বহালের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সূত্র: জিও টিভি

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৮ শিশুর মৃত্যু জ্বালানি নিরাপত্তা জাতীয় নিরাপত্তার অংশ, ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিহিংসামূলক নীতি তা নষ্ট করছে: আজিজ খান রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ থেকে এখন বিশ্বের তীব্র খাদ্য সংকটের শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ টিটিপির নিশানায় বাংলাদেশ: সারাদেশে ‘রেড অ্যালার্ট বহুমুখী সংকটে শিল্পখাত, টিকে থাকার লড়াইয়ে ধুঁকছে সিমেন্টসহ উৎপাদন খাত হংকংকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে কোয়ালিফাই করল বাংলাদেশের নারীরা মুক্তিযুদ্ধের বিভীষিকার ছবি তুলে বিশ্ব বিবেক নাড়িয়ে দেওয়া আলোকচিত্রী রঘু রাই আর নেই বিশ্বকাপ মিসের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নতুন শুরুর লক্ষ্য লিটনের রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর দুর্নীতির আখড়া ডিএনসিসি: বাজারদরের ৬ গুণ বেশি দামে পণ্য ক্রয়, নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ দিতে বারবার দরপত্র বাতিল, শর্ত বদল ডিএনসিসির ইজারা প্রক্রিয়ায় অনিয়ম: বাজেয়াপ্ত পে-অর্ডারের সাড়ে ৭ কোটি টাকা উত্তোলন, জানে না কর্তৃপক্ষ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২৬ সফল করতে নিউইয়র্কে মতবিনিময় সভা — সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও প্রগতির দৃঢ় অঙ্গীকার শিক্ষক লাঞ্ছনার কালো অধ্যায় ও একটি রাষ্ট্রীয় অপরাধের দলিল তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি? বিদ্যুৎ নেই, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ – বিএনপি সরকার ঘুমে ছয় শিক্ষকের মৃত্যু, একটি ঘটনারও বিচার হয়নি মহান মুক্তিযুদ্ধের চিত্র ধারণ করা আলোকচিত্রী রঘু রাইয়ের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শোক ফারুকীর নাশতায় প্রতিদিন খরচ ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা” গণঅভ্যুত্থান নয়, ৫ আগস্ট ছিল সুপরিকল্পিত ‘রেজিম চেঞ্জ’: পুরো সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর তথ্য