ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হংকংকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে কোয়ালিফাই করল বাংলাদেশের নারীরা
মোদি-মমতার বিরোধ আসলে লোকদেখানো, দাবি রাহুলের
আততায়ীর হাতে প্রাণ হারিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের যে ৪ প্রেসিডেন্ট
মেট অপেরাকে ২০ কোটি ডলার দেবে না সৌদি
ইসলামাবাদে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার: ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সফর
গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
যুদ্ধবিরতি বাড়লেও থামেনি হিজবুল্লাহ-ইসরায়েলের পাল্টাপাল্টি হামলা
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার মারা গেছেন
শান্তিতে নোবেলজয়ী যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার মারা গেছেন।স্থানীয় সময় রোববার (২৯ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে জিমি কার্টার সেন্টার।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১০০ বছর।জিমি কার্টার ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘজীবী প্রেসিডেন্ট। গত অক্টোবর মাসে ১০০তম জন্মদিন উদযাপন করেন তিনি।
ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির পর জর্জিয়ার স্থানীয় এবং একজন ডেমোক্র্যাট হিসেবে রিপাবলিকান জেরাল্ড ফোর্ডকে পরাজিত করে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৯তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন তিনি।ডেমোক্র্যাট দল থেকে নির্বাচিত জিমি কার্টার ১৯৭৭ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন।তিনি এক মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জর্জিয়ার প্লেইন্সে তার বাড়িতে ‘হসপিস কেয়ার’-এ ছিলেন। সেখানে তিনি তার স্ত্রী রোজালিন কার্টারের সঙ্গে থাকতেন।২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর মারা
যান তার স্ত্রী। জিমি কার্টার চার সন্তান ও ১১ নাতি-নাতনি রেখে গেছেন। এনবিসি নিউজ তাদের প্রতিবেদনে জানায়- জিমি কার্টারই প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট, যিনি তার ১০০তম জন্মদিনে পৌঁছেছিলেন। জিমি কার্টার বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার বিষয়ক কাজের জন্য ২০০২ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। জিমি কার্টারের ছেলে চিপ কার্টার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমার বাবা একজন নায়ক ছিলেন। শুধু আমার কাছেই নন; যারা শান্তি, মানবাধিকার এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসায় বিশ্বাস করেন- এমন সবার কাছেই।’
যান তার স্ত্রী। জিমি কার্টার চার সন্তান ও ১১ নাতি-নাতনি রেখে গেছেন। এনবিসি নিউজ তাদের প্রতিবেদনে জানায়- জিমি কার্টারই প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট, যিনি তার ১০০তম জন্মদিনে পৌঁছেছিলেন। জিমি কার্টার বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার বিষয়ক কাজের জন্য ২০০২ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। জিমি কার্টারের ছেলে চিপ কার্টার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমার বাবা একজন নায়ক ছিলেন। শুধু আমার কাছেই নন; যারা শান্তি, মানবাধিকার এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসায় বিশ্বাস করেন- এমন সবার কাছেই।’



