ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ছাপানো টাকার সংকট, বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোটও ছাড়তে হচ্ছে
কালো টাকা সাদা করার সুযোগ ফিরল, উৎস নিয়ে প্রশ্নও তোলা যাবে না
দেশে বিনিয়োগ কমলেও জিডিপি বেড়েছে
বাজেটে কমছে ও বাড়ছে যেসব পণ্যের দাম
ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর শেয়ারে বড় পতন
জনগণের ওপর বাড়তি ঋণ ও করভার চাপিয়ে বড় হচ্ছে বাজেটের আকার
১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি: চাপে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার, মিলছে না আয়-ব্যয়ের খেরোখাতা
বাংলাদেশ থেকে ফেরা সেই রুশ জাহাজ ডুবে গেল সাগরে
বাংলাদেশ থেকে ফেরত পাঠানো রুশ জাহাজ উরসা মেজর ভূমধ্যসাগরে ডুবে গেছে। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এটি জানায় রয়টার্স। রুশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাহাজটি ইঞ্জিন রুমে বিস্ফোরণের কারণে ডুবে গেছে, তবে বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। এর আগে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে জাহাজটি বাংলাদেশ থেকে ফেরত পাঠানো হয়।
রাশিয়ার পতাকাবাহী উরসা মেজর জাহাজটি ২০২২ সালের ডিসেম্বরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পণ্য নিয়ে মোংলা বন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাহাজটি মূল মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা “স্পার্টা-৩ এ” নামক জাহাজ, যেটি রং ও নাম বদলিয়ে নতুন নামে চলাচল করছে।
এর পরই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর বাংলাদেশ জাহাজটি ফেরত পাঠায়। সেই সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি জানার পর জাহাজটিকে বাংলাদেশের বন্দরে ভিড়তে দেওয়া হবে না। রাশিয়া এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক চিঠি মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল। এরপর জাহাজটি ভারতে চলে যায়, যেখানে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে পণ্য খালাসের জন্য অপেক্ষা করেছিল, কিন্তু দিল্লি থেকে অনুমতি না পাওয়ায় ২০২৩ সালের ১৬ জানুয়ারি জাহাজটি ভারতের জলসীমা ছেড়ে যায়। উল্লেখ্য, উরসা মেজর নামের এই কার্গো জাহাজটি রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় বন্দর ভ্লাদিভোস্তোক যাচ্ছিল। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, স্পেন ও আলজেরিয়ার মধ্যবর্তী সামুদ্রিক এলাকায় জাহাজটি ডুবে যায়। এ ঘটনায় জাহাজের ১৬ ক্রুর মধ্যে ১৪
জনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের স্পেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে এখনও দুজন ক্রু নিখোঁজ রয়েছেন।
এর পরই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর বাংলাদেশ জাহাজটি ফেরত পাঠায়। সেই সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি জানার পর জাহাজটিকে বাংলাদেশের বন্দরে ভিড়তে দেওয়া হবে না। রাশিয়া এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক চিঠি মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল। এরপর জাহাজটি ভারতে চলে যায়, যেখানে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে পণ্য খালাসের জন্য অপেক্ষা করেছিল, কিন্তু দিল্লি থেকে অনুমতি না পাওয়ায় ২০২৩ সালের ১৬ জানুয়ারি জাহাজটি ভারতের জলসীমা ছেড়ে যায়। উল্লেখ্য, উরসা মেজর নামের এই কার্গো জাহাজটি রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় বন্দর ভ্লাদিভোস্তোক যাচ্ছিল। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, স্পেন ও আলজেরিয়ার মধ্যবর্তী সামুদ্রিক এলাকায় জাহাজটি ডুবে যায়। এ ঘটনায় জাহাজের ১৬ ক্রুর মধ্যে ১৪
জনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের স্পেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে এখনও দুজন ক্রু নিখোঁজ রয়েছেন।



