ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদ কেন ফুটবল দলের কোচের মতো
যুক্তরাজ্যে তাপপ্রবাহের ‘লাল সতর্কতা’, ৩৯ ডিগ্রিতে পৌঁছাতে পারে তাপমাত্রা
পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার
পদত্যাগ করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার
তৃণমূলের বিদায়ের পর প্রথম বাজেট বিজেপির
সৌদি আরব, আমিরাতে আটক ৯০% ভিক্ষুক, পকেটমার, চোরই পাকিস্তানি নাগরিক
বাংলাদেশে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানো হোক: মমতা
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ইস্যু ঘিরে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, রাষ্ট্রসংঘের নিয়ম মেনে যদি বাংলাদেশে শান্তিরক্ষী পাঠানো যায়, তাহলে সেই ব্যবস্থা নেয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি তিনি অনুরোধ জানাচ্ছি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ভারত সরকার রাষ্ট্রসংঘের সঙ্গে কথা বলুক যাতে সেখানে তারা শান্তি বাহিনী পাঠাতে পারে। আমাদের এই বিষয়ে অনুরোধ রইল। যদিও তিনি আগে জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের বিষয়ে ভারত সরকারের অবস্থানে আস্থা আছে।
মমতা আরও বলেন, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, তা নিয়ে আমি নাক গলাতে চাই না। এটা আমার এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। এটা কেন্দ্রীয় সরকারের বিষয়। বাংলাদেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা যেন জাতিসংঘে উত্থাপন করে কেন্দ্রীয় সরকার। পড়শি দেশে জাতিসংঘের বিশেষ
শান্তিরক্ষা বাহিনী পাঠানোর প্রস্তাব পেশ করার আর্জিও জানান তিনি। বিবিসি জানাচ্ছে, সোমবার দুপুরে বিধানসভার অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী বলেন, ‘বর্ডার সিকিউরিটি কেন্দ্রের আওতায়। আমাদের এখতিয়ার বা দায়িত্বে নেই। আমরা হাউজের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানাচ্ছি প্রধানমন্ত্রী যেন সংসদে বাংলাদেশের বিষয়ে কথা বলেন। যদি প্রধানমন্ত্রীর অসুবিধা থাকে কোনও ব্যাপারে তাহলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী যেন সংসদে বিবৃতি দিয়ে জানান যে কেন্দ্র এই বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ দুই দেশের মধ্যে বর্তমান টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে যে উদ্বেগের আবহাওয়া রয়েছে, সেই আবহে সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়ে রাজ্য কী করতে পারে সে বিষয়ে কেন্দ্রের কাছ থেকে পরামর্শও চেয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের
গ্রেফতার ও সেদেশে সংখ্যালঘুদের ওপরে হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে তীব্র টানাপোড়েন চলছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলকাতা এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলসহ রাজ্যের একাধিক অংশে বিক্ষোভ প্রদর্শনও হয়েছে।
শান্তিরক্ষা বাহিনী পাঠানোর প্রস্তাব পেশ করার আর্জিও জানান তিনি। বিবিসি জানাচ্ছে, সোমবার দুপুরে বিধানসভার অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী বলেন, ‘বর্ডার সিকিউরিটি কেন্দ্রের আওতায়। আমাদের এখতিয়ার বা দায়িত্বে নেই। আমরা হাউজের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানাচ্ছি প্রধানমন্ত্রী যেন সংসদে বাংলাদেশের বিষয়ে কথা বলেন। যদি প্রধানমন্ত্রীর অসুবিধা থাকে কোনও ব্যাপারে তাহলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী যেন সংসদে বিবৃতি দিয়ে জানান যে কেন্দ্র এই বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ দুই দেশের মধ্যে বর্তমান টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে যে উদ্বেগের আবহাওয়া রয়েছে, সেই আবহে সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়ে রাজ্য কী করতে পারে সে বিষয়ে কেন্দ্রের কাছ থেকে পরামর্শও চেয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের
গ্রেফতার ও সেদেশে সংখ্যালঘুদের ওপরে হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে তীব্র টানাপোড়েন চলছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলকাতা এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলসহ রাজ্যের একাধিক অংশে বিক্ষোভ প্রদর্শনও হয়েছে।



