উত্তর সিরিয়ার আলেপ্পোতে সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ১০০ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৮ নভেম্বর, ২০২৪
     ৫:১৫ অপরাহ্ণ

উত্তর সিরিয়ার আলেপ্পোতে সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ১০০

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৮ নভেম্বর, ২০২৪ | ৫:১৫ 131 ভিউ
উত্তর সিরিয়ার আলেপ্পোতে সশস্ত্র গোষ্ঠী হায়েত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস) এবং তাদের মিত্রদের আক্রমণে সিরিয়ার সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা অন্তত দশটি এলাকা দখল হয়েছে।সংঘর্ষে সিরিয়ার সরকারি বাহিনী এবং বিদ্রোহী যোদ্ধাসহ প্রায় ১০০ জন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। হায়েত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস) বুধবার(২৭ নভেম্বর)এই হামলা চালায়।ব্রিটেনভিত্তিক সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস (এসওএইচআর) জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে রুশ এবং সিরিয়ান বিমান বাহিনীর বেসামরিক এলাকায় চালানো বাড়তি বিমান হামলার প্রতিশোধ এবং সিরিয়ার সামরিক বাহিনীর সম্ভাব্য আক্রমণ প্রতিহত করার লক্ষ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে। এসওএইচআর জানিয়েছে এই হামলায় এইচটিএস এবং তাদের মিত্র বাহিনীর ৪৪ জন সদস্য নিহত হয়েছে।পাশাপাশি সিরিয়ার সামরিক বাহিনীর অন্তত ৩৭ জন সদস্য,যার

মধ্যে চারজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।এছাড়াও পাঁচজন সৈন্য আটক হয়েছে।বিদ্রোহীরা সিরিয়ান সামরিক বাহিনীর অস্ত্রাগার, সাঁজোয়া যান এবং ভারী অস্ত্র দখল করেছে। সংঘর্ষ চলাকালে সিরিয়ার সামরিক বাহিনী শত শত গোলা ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে,যার ফলে বেসামরিক মানুষ, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, শত শত পরিবার তাদের বাড়িঘর ছেড়ে তুরস্ক সীমান্তের নিরাপদ এলাকায় চলে গেছে। এইচটিএস যোদ্ধারা আলেপ্পো শহরের উপকণ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার (৬ মাইল) অগ্রসর হয়েছে এবং নুবল ও জাহরা অঞ্চলের কাছে পৌঁছেছে।এ দুটি অঞ্চল মূলত শিয়া অধ্যুষিত এবং সেখানে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ বাহিনীর শক্ত ঘাঁটি রয়েছে।এছাড়া, এইচটিএস বাহিনী আলেপ্পোর পূর্বের আল-নায়রাব বিমানবন্দরেও আক্রমণ চালিয়েছে, যেখানে প্রো-ইরানি

যোদ্ধাদের অবস্থান রয়েছে। সিরিয়ার রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যম এই সংঘর্ষের বিষয়ে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি, তবে সরকার-সমর্থিত ওয়েবসাইটগুলো জানিয়েছে যে,সেনাবাহিনী বিদ্রোহী ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালিয়ে কয়েক ডজন বিদ্রোহীকে হত্যা করেছে। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ ২০১১ সাল থেকে শুরু হওয়া এক দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত।এইচটিএস, যাকে যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে, সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে শক্তিশালী বিদ্রোহী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত।রাশিয়া ২০১৫ সালে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পক্ষে যুদ্ধে যোগ দেওয়ার পর থেকে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সরকারি বাহিনী ক্রমাগত অভিযান চালিয়ে আসছে। তথ্যসূত্র : আল-জাজিরা

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি দূতাবাসে হামলার হুমকি ইরানের এ মুহূর্তে মার্কিন নাগরিকদের ইরাক ছাড়ার নির্দেশনা সস্তা ড্রোন বনাম ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্র: ক্ষয়যুদ্ধের মুখে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা: ছাত্রদল থেকে বহিষ্কার হামিম শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশে জ্বালানি সংকট তীব্রতর: শপিংমলে আলোকসজ্জা বন্ধের পরিকল্পনা তৈরি পোশাক খাতের অস্থিরতা চরমে: কমেছে রপ্তানি, ঈদে বেতন–বোনাস নিয়ে শঙ্কা ইউনুসের করা বাণিজ্য চুক্তির ঘেরাটোপ থেকে মুক্তি মিলছে না সহজেইঃ বাণিজ্য মন্ত্রীর সাথে পল কাপুরের বৈঠক আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলি হামলা বিচ্ছিন্ন রাষ্ট্রপতি, উদ্ধত শাসনব্যবস্থা এবং মব সন্ত্রাস ইউক্রেন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি আশঙ্কা: ইরান সংঘাতে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট অসহনীয় হয়ে উঠতে পারে মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীদের করণীয় বিষয়ে বাংলাদেশ বিমানের জরুরি ঘোষণা বিএনপির হস্তক্ষেপে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে ইউনূসপন্থীদের জোরপূর্বক পদত্যাগ: ক্ষেপছে মার্কিনপন্থী নাগরিক সমাজ মধ্যপ্রাচ্যে বাতিল হওয়া ফ্লাইটে ফ্রি টিকেট দিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স রিয়াদে বন্ধ হলো অ্যামেরিকান দূতাবাস নিউ ইয়র্কের ৪টি এলাকায় চালু হচ্ছে বিনামূল্যে ডে-কেয়ার সেবা পরাজয় অথবা আরও আক্রমণের দোটানায় পড়েছেন ট্রাম্প শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হবে: চিফ প্রসিকিউটর চারদিনে যুক্তরাষ্ট্রের কত ক্ষতি হলো, কাতারে কেন বেশি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষককে ছুরিকাঘাতে হত্যা তুরস্কমুখী ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র থামাল ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা