ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যেসব ভুলের কারণে ইরান যুদ্ধে হারতে বসেছে যুক্তরাষ্ট্র
যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাব দিল ইরান
ইরান কখনোই শত্রুর সামনে মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান
নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও লেবাননে হামলা বন্ধের দাবিতে উত্তাল ইসরাইল
ট্রাম্পের হাতে কি এলিয়েনদের গোপন তথ্য? বিশ্বজুড়ে তোলপাড় করা দাবি বিজ্ঞানীর
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসে নেতৃত্বে ব্যাপক রদবদল
সড়কে স্ত্রীকে মারধর করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার যুবক, ভিডিও ভাইরাল
পাকিস্তানে যাত্রীবাহী গাড়িতে গুলি, নিহত ৪২
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে যাত্রীবাহী গাড়িবহরে বন্দুকধারীরা হামলা করেছে। এতে অন্তত ৪২ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২০ জন।
বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) কুর্রাম জেলার ওচত এলাকায় যাত্রীবাহী যানবাহনে হামলাকারীরা গুলি চালায়। এতে তিন নারী ও শিশুসহ অন্তত ৪২ জন নিহত হয়েছেন। খবর জিও নিউজের।
পুলিশ বলেছে, পারাচিনার থেকে পেশোয়ার যাওয়ার পথে গাড়িবহরে হামলা হয়। নিহত ছাড়াও একাধিক লোক আহত হয়েছেন। তাদের অ্যাম্বুলেন্সে করে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এলাকাটি দুর্গম হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য আহতদের জেলা শহরে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সৈয়দা বানু নামে এক যাত্রী জানান, হঠাৎ গুলি শুরু হলে তিনি বুদ্ধি
করে তার সন্তানদের নিয়ে গাড়ির আসনের নিচে লুকিয়ে থাকেন। তাৎক্ষণিক এ সিদ্ধান্ত তাদের প্রাণে বাঁচায়। গুলির শব্দ থেমে যাওয়ার পর তিনি বের হয়ে থ হয়ে যান। রাস্তায় ও গাড়ির ভেতর আহত ও নিহত মানুষ ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিলেন। খাইবার পাখতুনখোয়ার প্রধান সচিব নাদিম আসলাম চৌধুরী বলেন, হামলাটি একটি বড় ট্র্যাজেডি। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ, অনেকে আশঙ্কাজনক। প্রদেশটির আইনমন্ত্রী আফতাব আলম জিওনিউজকে বলেন, এ ঘটনার পেছনের কুশীলবদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। প্রাথমিক তদন্তের পর ঘটনার বিবরণ দিয়ে তিনি বলেন, সশস্ত্র ব্যক্তিরা পাহাড় থেকে গাড়ি বহর লক্ষ্য করে গুলি চালায়। মন্ত্রী জানান, আমি কুর্রাম পরিদর্শন করতে চেয়েছিলাম কিন্তু দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপের মধ্যে বিরোধের কারণে
জেলার দিকে যাওয়ার রাস্তাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ওই দুটি গ্রুপ একে অপরকে ঘটনার জন্য দায়ী করছে। তারা উভয়ই সন্ত্রাসী দল। আমরা তদন্ত করছি। প্রকৃত দোষীদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির মুখোমুখি করা হবে।
করে তার সন্তানদের নিয়ে গাড়ির আসনের নিচে লুকিয়ে থাকেন। তাৎক্ষণিক এ সিদ্ধান্ত তাদের প্রাণে বাঁচায়। গুলির শব্দ থেমে যাওয়ার পর তিনি বের হয়ে থ হয়ে যান। রাস্তায় ও গাড়ির ভেতর আহত ও নিহত মানুষ ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিলেন। খাইবার পাখতুনখোয়ার প্রধান সচিব নাদিম আসলাম চৌধুরী বলেন, হামলাটি একটি বড় ট্র্যাজেডি। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ, অনেকে আশঙ্কাজনক। প্রদেশটির আইনমন্ত্রী আফতাব আলম জিওনিউজকে বলেন, এ ঘটনার পেছনের কুশীলবদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। প্রাথমিক তদন্তের পর ঘটনার বিবরণ দিয়ে তিনি বলেন, সশস্ত্র ব্যক্তিরা পাহাড় থেকে গাড়ি বহর লক্ষ্য করে গুলি চালায়। মন্ত্রী জানান, আমি কুর্রাম পরিদর্শন করতে চেয়েছিলাম কিন্তু দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপের মধ্যে বিরোধের কারণে
জেলার দিকে যাওয়ার রাস্তাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ওই দুটি গ্রুপ একে অপরকে ঘটনার জন্য দায়ী করছে। তারা উভয়ই সন্ত্রাসী দল। আমরা তদন্ত করছি। প্রকৃত দোষীদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির মুখোমুখি করা হবে।



