ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গ্রাম থেকে শহর আজ সংখ্যালঘুদের ভোট দিতে বলা হচ্ছে না, ভয় দেখিয়ে হাজির করানো হচ্ছে
দখলদার ইউনুস অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই বাংলাদেশ কার্যত এক শূন্য নিরাপত্তার রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।
সার্বভৌমত্বের সংকটে যখন র্যাবকে পালিয়ে আসতে হয় : যেখানে রাষ্ট্রের চেয়ে মাফিয়া বেশি ক্ষমতাবান, সেখানে সংস্কারের গল্প শোনান ইউনুস
মরে গেলে সবাই আফসোস করে, কিন্তু বেঁচে থাকতে কেউ দেখে না”: চার মাস ধরে জেলবন্দি স্বামীর চিন্তায় ও অনাহারে এক স্ত্রীর হাহাকার
আবেদন করা হয়নি’ বলে অপপ্রচার
আওয়ামী লীগ মাঠে নেই, তাই নির্বাচন ‘প্রতিদ্বন্দ্বীতাহীন’: মেজর হাফিজ
কারাগারে নেতা, কবরে স্ত্রী–সন্তান ভোটের জন্য আদর্শ বিসর্জন
বাংলাদেশের ঋণমান কমিয়ে বি-২’তে নামাল মুডিস
বাংলাদেশের ঋণমান কমিয়ে বি-২’তে নামাল মার্কিন রেটিং এজেন্সি মুডিস। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির পূর্বাভাসের অবনতি ঘটেছে। সোমবার (১৮ নভেম্বর) মুডিস তাদের নতুন রেটিং প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশের রেটিং কমানো নিয়ে মুডিস বলছে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার পর সরকার পরিবর্তনের ফলে উচ্চ রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়ছে। এ ছাড়া নিম্ন প্রবৃদ্ধি সরকারের তারল্যের ঝুঁকি, বৈশ্বিক ভঙ্গুরতা এবং ব্যাংকিং খাতের ঝুঁকিও বাড়িয়েছে।
সংস্থাটি বলছে, চলমান রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং দুর্বল প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশকে ঘাটতি পূরণের জন্য স্বল্পমেয়াদি অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর ক্রমেই নির্ভরশীল করছে। এর ফলে তারল্য ঝুঁকি বাড়ছে।
মুডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে রেমিট্যান্সপ্রবাহ এবং উন্নয়ন অংশীদারদের কাছ থেকে পাওয়া ঋণের পরিমাণ বাড়ছে। তারপরও গত কয়েক বছরে রিজার্ভের স্থিতিশীলতা কমায়
বাহ্যিক কিছু আশঙ্কার ঝুঁকি রয়ে গেছে। উচ্চ সামাজিক ঝুঁকির পাশাপাশি সুস্পষ্ট নির্বাচনী রোডম্যাপ না থাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং সাম্প্রদায়িকতার উত্থানও রাজনৈতিক ঝুঁকি আরও বাড়িয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বিক্ষোভ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবস্থা খারাপ হওয়ার ফলে দেশটির ভেতরে চাহিদা-সরবরাহ চেইন বিঘ্নিত হচ্ছে। এর ফলে এই ঝুঁকিগুলো তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে রপ্তানি খাতে। এর কারণে তৈরি পোশাক খাতে সম্ভাবনা কমে গেছে। মুডিস আরও বলছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বিশদ সংস্কারের এজেন্ডা নিয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যদিও তারা তা কার্যকর করতে পারবে কি না, তা অনিশ্চিত। অন্তর্বর্তী সরকার যদি মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও উচ্চ বেকারত্ব মোকাবিলাসহ দ্রুত কিছু কাজ না করতে পারে, তবে সংস্কারকাজে
চ্যালেঞ্জ আরও বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বাহ্যিক কিছু আশঙ্কার ঝুঁকি রয়ে গেছে। উচ্চ সামাজিক ঝুঁকির পাশাপাশি সুস্পষ্ট নির্বাচনী রোডম্যাপ না থাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং সাম্প্রদায়িকতার উত্থানও রাজনৈতিক ঝুঁকি আরও বাড়িয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বিক্ষোভ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবস্থা খারাপ হওয়ার ফলে দেশটির ভেতরে চাহিদা-সরবরাহ চেইন বিঘ্নিত হচ্ছে। এর ফলে এই ঝুঁকিগুলো তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে রপ্তানি খাতে। এর কারণে তৈরি পোশাক খাতে সম্ভাবনা কমে গেছে। মুডিস আরও বলছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বিশদ সংস্কারের এজেন্ডা নিয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যদিও তারা তা কার্যকর করতে পারবে কি না, তা অনিশ্চিত। অন্তর্বর্তী সরকার যদি মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও উচ্চ বেকারত্ব মোকাবিলাসহ দ্রুত কিছু কাজ না করতে পারে, তবে সংস্কারকাজে
চ্যালেঞ্জ আরও বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।



