বিশ্বজিৎ দাস হত্যা: মৃত্যুর আগে বিচার দেখে যেতে চান বাবা-মা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৯ নভেম্বর, ২০২৪
     ৮:৪৬ পূর্বাহ্ণ

বিশ্বজিৎ দাস হত্যা: মৃত্যুর আগে বিচার দেখে যেতে চান বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৯ নভেম্বর, ২০২৪ | ৮:৪৬ 143 ভিউ
ঘরের ভেতর টানানো রয়েছে বিশ্বজিৎ দাসের অনেক ছবি। ছবির মতোই মানুষটাও এখন শুধুই স্মৃতি। ছেলে আর বাড়ি ফিরবে না। তবু ছেলের জন্য দীর্ঘ এক যুগ ধরে চোখের জল ফেলে চলেছেন মা কল্পনা দাস। সেদিন প্রকাশ্যে বিশ্বজিত্কে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে নিষদ্ধি ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ঘটনার এক যুগ পার হলেও বিচার হয়নি এখনো। বাবা-মার আকুতি, অন্তত মৃতু্যর আগে ছেলের হত্যাকারীদের বিচার যেন দেখে যেতে পারেন। শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার মশুরা এলাকার অনন্ত দাস ও কল্পনা দাসের ছোট ছেলে বিশ্বজিৎ। সরেজমিন বিশ্বজিৎ দাসের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ঘরে থাকা ছেলের ছবির দিকে অপলকভাবে তাকিয়ে আছেন মা কল্পনা। কিছুক্ষণ পর ছেলের একটি ছবি নামিয়ে পরম যত্নে

আঁচল দিয়ে পরিষ্কার করছেন। ছেলের কথা মনে পড়তেই ফুপিয়ে কেঁদে উঠছেন। কাঁদছেন বিশ্বজিতের বাবা অনন্তও। কল্পনা বলেন, আমার বিশ্ব (বিশ্বজিৎ) তো কখনো রাজনীতি করেনি। আমার ছেলে কাজ করে সংসার চালাত। ছেলেকে জগন্নাথের ছাত্রলীগের পোলাপাইন মেরে ফেলল। আজ ১২ বছর হয়ে গেল অপরাধীদের বিচার হলো না। তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর আমরা বিচার চাইতে চাইতে ক্লান্ত। আমার বিশ্ব হত্যার বিচার চাই। অনন্ত বলেন, এই সরকারের আমলে আমার ছেলে হত্যার বিচার যেন দেখে যেতে পারি। তাহলে মরে গেলেও অন্তত আত্মা শানি্ত পাবে। মানবাধিকার কমিশন শরীয়তপুরের সভাপতি অ্যাডভোকেট মাসুদুর রহমান বলেন, প্রকাশ্যে তাকে কারা হত্যা করে তা আমরা জানি। তারা স্বৈরাচার সরকারের দোসর ছিল। তাই

তারা অতি দ্রুত আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বের হয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমরা চাই অতি দ্রুত সব অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাসি্ত কার্যকর করা হোক। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ছোটবেলা থেকে ঢাকার শাঁখারী বাজারে ভাইয়ের দোকানে দর্জির কাজ শিখেছিলেন বিশ্বজিৎ। এরপর ভাইয়ের পাশাপাশি নিজেও ধরেছিলেন সংসারের হাল। ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে শিবির সন্দেহে ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্ক এলাকায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয় বিশ্বজিত্ দাসকে। এ ঘটনায় নাম উঠে আসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তখনকার শিক্ষার্থী রফিকুল ইসলাম, মাহফুজুর রহমান নাহিদ, মীর নূরে আলম লিমন, শাকিলসহ বেশ কয়েকজনের। যারা সবাই নিষদ্ধি ঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন।

বিশ্বজিৎ হত্যায় ঢাকার দ্রুত বিচার টাইবু্যনালের রায়ে আটজনের মৃতু্যদণ্ড এবং ১৩ জনের যাবজ্জীবন সাজা হয়েছিল। যদিও পরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আট আসামির মধ্যে ছয়জনেরই সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন দেওয়া হয়। আর দুজনের ফাঁসির আদেশ হলেও কার্যকর হয়নি দীর্ঘ ১২ বছরে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
মুক্তিযুদ্ধ আর বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করাই যদি অপরাধ হয়,তাহলে এই অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকার আসলে সত্যকেই সবচেয়ে বেশি ভয় পায়। “সয়াবিন সকাল বেলা ১৫০ টাকা, বিকালে ২০০ টাকা; পেয়াজের কেজি সকালে ৪০ বিকালে ৭০; বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারতেছে না” –জনতার দুর্ভোগ যে দেশে সংখ্যালঘুদের সংসদে আসা নিষিদ্ধ, সেই দেশ কার? ড. ইউনুসের অবৈধ শাসন অর্জন ধ্বংসের রাজনীতি – ১৭ মাসে বাংলাদেশকে অনিশ্চয়তার খাদে ঠেলে দেওয়া হয়েছে এই দেশটি যদি অনিরাপদ হয়ে যায় তাহলে বিদেশি নাগরিকদের কিছু হবে না, সমস্ত ক্ষতি আমাদেরই হবে” –জনতার কন্ঠ বিলিয়ন ডলারের ঢাক ভেঙে কমিশনের ভিক্ষা: বিনিয়োগ আনতে প্রণোদনায় নামল ইউনুস সরকার বিদেশি টাকা, জঙ্গি সমর্থন আর সংখ্যালঘু নিপীড়ন : ইউনুসের ক্ষমতার ত্রিমুখী ভিত্তি জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব কর্মকর্তাকে হত্যা,জঙ্গী-সন্ত্রাসী দমনে অবৈধ ইউনূস গংয়ের অনীহা স্পষ্ট! জেল গেটের এপার-ওপার : নির্যাতনের অন্ধকারে নিমজ্জিত ইউনুসের বাংলাদেশ ২.০ ষোল বছরে যা হয়নি, ষোল মাসেই তা করে দেখালেন ইউনুস! জামিন মিললেও মুক্তি নেই, নতুন গায়েবী মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়: জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণেও পায়ে শিকল, হাসপাতালে ডান্ডাবেড়ি ও হাতকড়া পরা যুবলীগ নেতা মাসুম উপকৃত ১ কোটি পরিবার তারেক রহমানের ভাবনার ৩ বছর আগেই শেখ হাসিনার ‘স্মার্ট কার্ড’ বিপ্লব দিনে গড়ে ৪১ জনের আত্মহত্যা আর লুকোচুরি নয়, গুঞ্জন পেরিয়ে প্রেমের স্বীকৃতি ডিসকম্বোবিউলেটর: মাদুরোকে অপহরণে কি গোপন অস্ত্র ব্যবহার হয়েছিল সর্বমিত্রের কাণ্ডে সর্বত্র প্রতিক্রিয়া ৫ কোটি ৬৩ লাখে বিক্রি ব্র্যাডম্যানের ব্যাগি গ্রিন টানা জয়ে আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে মেয়েদের উন্নতি বিশ্বে প্রথম স্বর্ণের সড়ক নির্মাণ করছে দুবাই উত্তর গাজার বসতি, কৃষিজমি মুছে ফেলছে ইসরায়েল