ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম, আজ থেকেই কার্যকর
লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ দাঁড়াল ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকায়
শেখ হাসিনা সরকারের স্থাপিত ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায় প্রথম বছরেই মুনাফা ২৩৩ কোটি টাকা
সরকারের দাবি ‘ছাড় দেওয়া হয়েছে’, কিন্তু বাজারে কমেনি নিত্যপণ্যের দাম: ওষ্ঠাগত সাধারণ মানুষের প্রাণ
লক্ষ্যমাত্রা থেকে ৭ বিলিয়ন ডলার পিছিয়ে শেষ হলো রপ্তানির বছর
গ্যাসের অভাবে বন্ধ ৫৫০ কারখানা, ঝুলে আছে নতুন ১৮০০ আবেদন
গ্যাস সংকটে বিপর্যস্ত জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চল: ২০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ ঝুঁকিতে
শর্ত সাপেক্ষে সংস্কারে ঋণ সহায়তা করবে
শর্ত সাপেক্ষে আর্থিক খাত সংস্কারে ঋণ সহায়তা করবে বিশ্বব্যাংক এবং ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি)।
রোববার দুটি সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, ঋণ সহায়তা মিললে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), জ্বালানি ও ব্যাংক খাতের সংস্কারে ব্যয় করা হবে।
এর আগে সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশ্বব্যাংক এবং ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশনের প্রতিনিধিগন বৈঠক করেছেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ডিরেক্টর ইমদাত ফাকহুরী, চিফ রিকস অফিসার বিবেক পাঠাক, বাংলাদেশের কান্ট্রি অফিসার কাজী ফারহান জহির প্রমুখ।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বব্যাংক কী কাজে সহায়তা দেবে- এর আগেও আলোচনা করেছি। আমাদের আর্থিক খাত ও জাতীয় রাজস্ব
বোর্ড সংস্কারের বিষয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আইএফসির বিনিয়োগ নিয়ে তিনি বলেন, তারা কীভাবে সরকারি ও বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ করবে এসব বিষয় নিয়ে আলাপ করেছি। সংস্থাটি কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা দিবে। আগামী অক্টোবরে আমি যখন যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ব ব্যাংকের বৈঠক অংশ নিব ওই সময় এসব নিয়ে আলোচনা হবে। তবে দাতা সংস্থা দুটি সব বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন। তবে আমাদের কিছু কাজ করতে হবে, কিছু শর্ত আছে সেগুলো পালন করতে হবে। ঋণ সহায়তার পরিমাণ নিয়ে আলোচনার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে উপদেষ্টা বলেন, অ্যামাউন্টের বিষয়ে এখন আমি বলব না। প্রত্যেকটা ডোনার এবং অন্য ডোনার কী দেবে সেটা জেনে পরে আপনাদের জানানো হবে।
বোর্ড সংস্কারের বিষয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আইএফসির বিনিয়োগ নিয়ে তিনি বলেন, তারা কীভাবে সরকারি ও বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ করবে এসব বিষয় নিয়ে আলাপ করেছি। সংস্থাটি কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা দিবে। আগামী অক্টোবরে আমি যখন যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ব ব্যাংকের বৈঠক অংশ নিব ওই সময় এসব নিয়ে আলোচনা হবে। তবে দাতা সংস্থা দুটি সব বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন। তবে আমাদের কিছু কাজ করতে হবে, কিছু শর্ত আছে সেগুলো পালন করতে হবে। ঋণ সহায়তার পরিমাণ নিয়ে আলোচনার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে উপদেষ্টা বলেন, অ্যামাউন্টের বিষয়ে এখন আমি বলব না। প্রত্যেকটা ডোনার এবং অন্য ডোনার কী দেবে সেটা জেনে পরে আপনাদের জানানো হবে।



