ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রুহুল কুদ্দুস কাজলকে অ্যাটর্নি জেনারেল করে প্রজ্ঞাপন
ভারতের কাছে আবারও জ্বালানি সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ
জার্মানিতে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ রক্ষার দৃঢ় অঙ্গীকারে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালন
খাদ্য মূল্যস্ফীতির ‘লাল’ তালিকায় বাংলাদেশ, তীব্র ঝুঁকির দিকে যাচ্ছে দেশ
পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর থেকে ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করছে ভারত
জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ইমামসহ নিহত ২
নিজের দেশে ভোট কাভার করতে পারে না, আর বাংলাদেশে এসে অবৈধ নির্বাচন বৈধ করার নাটক
পাকিস্তানি সাংবাদিক আমদানির আড়ালে ইউনুসের পুরোনো পাকিস্তান প্রীতির নতুন ষড়যন্ত্র!
নিজের দেশে ভোট কাভার করতে পারে না, আর বাংলাদেশে এসে অবৈধ নির্বাচন বৈধ করার নাটক
পাকিস্তানি সাংবাদিক আমদানির আড়ালে ইউনুসের পুরোনো পাকিস্তান প্রীতির নতুন ষড়যন্ত্র!
পাকিস্তানি ৪৮ জন সাংবাদিকের একটি প্রতিনিধি দল ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য তথাকথিত ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন/গণভোট কাভার করতে বাংলাদেশ সফর করছে।বাংলাদেশে বর্তমানে যে আয়োজন চলছে, তা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক নির্বাচন নয়। এটি অবৈধ জামাতি ইউনুসের নেতৃত্বে একটি পাতানো, রেজাল্ট-সেট করা এবং জনগণবিচ্ছিন্ন আয়োজন। এখানে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ প্রায় শূন্য, রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে অসাংবিধানিক “গণভোট” চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যেখানে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে প্রকাশ্যে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় প্রমোট করা হচ্ছে। এটি সরাসরি স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের ওপর আঘাত এবং
দেশকে উগ্র মৌলবাদের দিকে ঠেলে দেওয়ার নীলনকশা। এই অবৈধ প্রক্রিয়াকে বৈধতা দিতেই প্রায় ১৫০ জন বিদেশি সাংবাদিককে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এর মধ্যে পাকিস্তানের বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে ৪৮ জন, আল জাজিরা, এনএইচকে, বিবিসি, এপি, রয়টার্স, এবিসি অস্ট্রেলিয়া, ডয়েচে ভেলে এবং ইউরোপ ও এশিয়ার কয়েকটি দেশের প্রতিনিধি থাকলেও লক্ষণীয় বিষয় হলো—বিশ্বের বহু প্রভাবশালী দেশ থেকে কেউই এই প্রহসনে অংশ নিতে আগ্রহ দেখায়নি। সবচেয়ে বড় ভণ্ডামি এখানেই। যে পাকিস্তানে নিজেদের নির্বাচন চলাকালে সাংবাদিকদের ফোন ও ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়, নির্বাচন কাভারেজে বাধা দেওয়া হয়, সেই দেশ থেকেই ৪৮ জন সাংবাদিক এসে বাংলাদেশের তথাকথিত নির্বাচন কাভার করবে! Reporters Without Borders-এর ২০২৫ সালের ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্সে
পাকিস্তানের অবস্থান ১৮০ দেশের মধ্যে ১৫৮তম—সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সেখানে কার্যত শ্বাসরুদ্ধ। নিজের দেশের নির্বাচন যেখানে তারা স্বাধীনভাবে কাভার করতে পারে না, সেখানে বাংলাদেশে এসে “গণতন্ত্রের সার্টিফিকেট” দেওয়ার চেষ্টা নিছকই প্রহসন। বাস্তবতা হলো, এটি কোনো সাংবাদিকতা নয়—এটি একটি রাজনৈতিক এজেন্ডা। মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, যারা চায়নি বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে আলাদা হোক, যে রাজনৈতিক শক্তির জন্মই পাকিস্তানে এবং যারা আজও বাংলাদেশকে আদর্শিকভাবে পাকিস্তানের দিকে ঠেলে দিতে চায়—এই আয়োজন তাদেরই সুবিধা দিতে সাজানো। ৫ই আগস্টের আগে-পরে বাংলাদেশে জঙ্গি উত্থান, মৌলবাদী রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতা এবং রাষ্ট্রীয় অস্থিরতার সঙ্গে যে শক্তিগুলোর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ যোগাযোগ ছিল, আজ তারাই এই অবৈধ নির্বাচনকে আন্তর্জাতিকভাবে বৈধ দেখানোর চেষ্টা করছে।
পাকিস্তানি সাংবাদিকদের ঢল সেই চেষ্টারই অংশ। এটি নির্বাচন নয়, এটি গণতন্ত্রের মুখোশ পরা একটি বিপজ্জনক ষড়যন্ত্র।ভোট নয়, গণতন্ত্র নয়—পাকিস্তানি সাংবাদিক দিয়ে অবৈধ নির্বাচন বৈধ করার আন্তর্জাতিক নাটক চলছে বাংলাদেশে।
দেশকে উগ্র মৌলবাদের দিকে ঠেলে দেওয়ার নীলনকশা। এই অবৈধ প্রক্রিয়াকে বৈধতা দিতেই প্রায় ১৫০ জন বিদেশি সাংবাদিককে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এর মধ্যে পাকিস্তানের বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে ৪৮ জন, আল জাজিরা, এনএইচকে, বিবিসি, এপি, রয়টার্স, এবিসি অস্ট্রেলিয়া, ডয়েচে ভেলে এবং ইউরোপ ও এশিয়ার কয়েকটি দেশের প্রতিনিধি থাকলেও লক্ষণীয় বিষয় হলো—বিশ্বের বহু প্রভাবশালী দেশ থেকে কেউই এই প্রহসনে অংশ নিতে আগ্রহ দেখায়নি। সবচেয়ে বড় ভণ্ডামি এখানেই। যে পাকিস্তানে নিজেদের নির্বাচন চলাকালে সাংবাদিকদের ফোন ও ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়, নির্বাচন কাভারেজে বাধা দেওয়া হয়, সেই দেশ থেকেই ৪৮ জন সাংবাদিক এসে বাংলাদেশের তথাকথিত নির্বাচন কাভার করবে! Reporters Without Borders-এর ২০২৫ সালের ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্সে
পাকিস্তানের অবস্থান ১৮০ দেশের মধ্যে ১৫৮তম—সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সেখানে কার্যত শ্বাসরুদ্ধ। নিজের দেশের নির্বাচন যেখানে তারা স্বাধীনভাবে কাভার করতে পারে না, সেখানে বাংলাদেশে এসে “গণতন্ত্রের সার্টিফিকেট” দেওয়ার চেষ্টা নিছকই প্রহসন। বাস্তবতা হলো, এটি কোনো সাংবাদিকতা নয়—এটি একটি রাজনৈতিক এজেন্ডা। মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, যারা চায়নি বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে আলাদা হোক, যে রাজনৈতিক শক্তির জন্মই পাকিস্তানে এবং যারা আজও বাংলাদেশকে আদর্শিকভাবে পাকিস্তানের দিকে ঠেলে দিতে চায়—এই আয়োজন তাদেরই সুবিধা দিতে সাজানো। ৫ই আগস্টের আগে-পরে বাংলাদেশে জঙ্গি উত্থান, মৌলবাদী রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতা এবং রাষ্ট্রীয় অস্থিরতার সঙ্গে যে শক্তিগুলোর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ যোগাযোগ ছিল, আজ তারাই এই অবৈধ নির্বাচনকে আন্তর্জাতিকভাবে বৈধ দেখানোর চেষ্টা করছে।
পাকিস্তানি সাংবাদিকদের ঢল সেই চেষ্টারই অংশ। এটি নির্বাচন নয়, এটি গণতন্ত্রের মুখোশ পরা একটি বিপজ্জনক ষড়যন্ত্র।ভোট নয়, গণতন্ত্র নয়—পাকিস্তানি সাংবাদিক দিয়ে অবৈধ নির্বাচন বৈধ করার আন্তর্জাতিক নাটক চলছে বাংলাদেশে।



