২৫টি বোয়িংয়ের পর এবার ১০টি এয়ারবাস: এত বিমান দিয়ে কী করবে বাংলাদেশ, দাম মেটাবে কীভাবে? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আরও খবর

তৃতীয় দফায় বাড়ল শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের ব্যয়: ৯৯.৯৩% কাজ শেষ হওয়ার পরও বাড়তি খরচ ৮৪৮ কোটি টাকা

বাংলাদেশি জঙ্গিগোষ্ঠীর ‘স্লিপার সেল’ খুঁজতে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় সকাল থেকে এনআইএ-র অভিযান

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট ও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতাঃ “থলে ভরা টাকা খরচ করেও থালা ভরে না”

“অসমাপ্ত আত্মজীবনী” বিক্রিতে বাধার প্রতিবাদে মুক্তিযুদ্ধের প্রায় ৩০০ বইয়ের পিডিএফ উন্মুক্ত করলো বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকেরা

আইপিইউতে শেখ হাসিনার অভিযোগ: মৃত্যুদণ্ড, বিচার, নিষেধাজ্ঞা ও শতাধিক এমপির আটক নিয়ে আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি

এডিবি’র সর্বশেষ প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩.৭%, আগামী অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি আগের পূর্বাভাস থেকে কমে ৪.০%

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহামদের স্ত্রী টুন ড. সিতি হাসমা আর নেই

২৫টি বোয়িংয়ের পর এবার ১০টি এয়ারবাস: এত বিমান দিয়ে কী করবে বাংলাদেশ, দাম মেটাবে কীভাবে?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ |
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির প্রেক্ষাপটে ২৫টি বোয়িং কেনার সিদ্ধান্তের পর এবার এয়ারবাসের ১০টি বিমান কেনার পথে হাঁটছে বাংলাদেশ। একই সময়ে অর্থনৈতিক চাপ, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট ও জ্বালানি সংকটের মধ্যে দেশ। এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, এতগুলো বিমান বাংলাদেশের আদৌ দরকার আছে কি না এবং এর অর্থ আসবে কোথা থেকে। বোয়িং: ১৪ থেকে ২৫ এ বছরের ৩০ এপ্রিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি বিমান কেনার চুক্তি করে। এর মধ্যে আটটি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি ৭৮৭-৯ এবং চারটি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স। তালিকা মূল্য প্রায় ৩৭০ কোটি ডলার, বা প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা (ডেইলি স্টারের হিসাবে)। গত সপ্তাহে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ফাঁকে নিউইয়র্কে আরও

১১টি বিমানের সম্পূরক চুক্তি সই হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি ৭৮৭-১০ ও ছয়টি ৭৩৭-৮। এতে বোয়িংয়ের মোট অর্ডার দাঁড়াল ২৫টিতে। নতুন ১১টির মূল্য কত, তা আমি যেসব প্রতিবেদন দেখেছি তাতে পাইনি। বাণিজ্য চুক্তির সঙ্গে সম্পর্ক প্রথম ১৪টির চুক্তি ছিল ফেব্রুয়ারিতে সই হওয়া পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির প্রতিশ্রুতি পূরণের অংশ। যুক্তরাষ্ট্র আগে বাংলাদেশের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিল, পরে সমঝোতায় তা ১৯ শতাংশে নামে। এই শুল্ক নিয়ে দর-কষাকষির সময় ঢাকা ২৫টি বোয়িং কেনার ইঙ্গিত দিয়েছিল। ১১টি বাড়তি বিমান নিয়ে রয়টার্সভিত্তিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়ে প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা কমাতে এবং পোশাক রপ্তানির ওপর শুল্কঝুঁকি ঠেকাতে চায়।

বিমান কেনার প্রশ্ন নয়, প্রশ্ন হলো যুক্তরাষ্ট্রেরই চাপিয়ে দেওয়া হুমকি থেকে রেহাই পেতে বাংলাদেশকে কী মূল্য দিতে হলো। এয়ারবাস: চাপ কোথা থেকে এয়ারবাসের পক্ষে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির কূটনীতিকরা বারবার “ভারসাম্যপূর্ণ ক্রয়” বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন। ২০২৩ সালে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ঢাকা সফর এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য যৌথ বিবৃতিতে ১০টি এয়ারবাস এ৩৫০ কেনার সম্ভাবনার উল্লেখের পর থেকে এই প্রচেষ্টা গতি পায়। উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়। কিছুদিন আগে ইউরোপের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এয়ারবাস কেনার ইস্যু গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শারলে। তিনি বলেছেন, এয়ারবাস কেনার বিষয়ে বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত ইউরোপের সঙ্গে দেশটির দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ,

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রায় ৫০ শতাংশ ইউরোপের বাজারে রপ্তানি হয়। ফলে ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক বাংলাদেশের জন্যও বড় স্বার্থের বিষয়। ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক আগাতে কিনতে হবে এয়ারবাস: ফরাসি রাষ্ট্রদূত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, সরকার ১০টি এয়ারবাস কেনার সিদ্ধান্তে এগোচ্ছে। এয়ারবাসের নতুন প্রস্তাবে রয়েছে চারটি এ৩৫০-৯০০ ওয়াইডবডি ও ছয়টি এ৩২১নিও। আগের প্রস্তাবে ছিল ১০টি এ৩৫০ ও চারটি এ৩২০নিও। চুক্তি প্রথমে ৩১ আগস্টের মধ্যে সইয়ের কথা ছিল, এখন মন্ত্রী বলছেন অক্টোবরে হতে পারে। এয়ারবাসের মুখপাত্র জানিয়েছেন, বিমানের বোর্ড ও সরকারের অভ্যন্তরীণ অনুমোদন এখনো বাকি। মূল্য ও অন্যান্য শর্ত চুক্তির পর প্রকাশ করা হবে বলে মন্ত্রী জানিয়েছেন। অর্থাৎ এয়ারবাস চুক্তি

এখনো সই হয়নি। এত বিমান দিয়ে কী করবে বাংলাদেশ বিমানের বর্তমান বহরে আছে ১৯টি বিমান, এর ১৪টি বোয়িং। সরকারের পরিকল্পনা ২০৩৪-৩৫ অর্থবছরের মধ্যে বহর ৪৭টিতে নেওয়া এবং বাংলাদেশকে আঞ্চলিক যাত্রী ও কার্গো হাব হিসেবে গড়ে তোলা। সরকারের যুক্তি, বিমান পুরনো ও সংখ্যায় কম, দূরপাল্লার সক্ষমতা সীমিত। এটি ১৮ বছরের মধ্যে বিমানের প্রথম বিমান কেনা। বিমান বিশেষজ্ঞ এটিএম নজরুল ইসলামের মতে, মিশ্র বহর রুট ও চাহিদা অনুযায়ী বিমান মোতায়েনে নমনীয়তা দেয়। তবে সব বিমান একসঙ্গে আসছে না। প্রথম ১৪টি বোয়িং ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে আসার কথা, আর এয়ারবাসের ডেলিভারিও ২০৩১ থেকে। মন্ত্রী বলেছেন, ততদিন ভাড়া করা বিমান দিয়ে বহর চালাতে হবে; সরকার

২০২৭ সালের মধ্যে সর্বোচ্চ ১০টি বিমান লিজ নেওয়ার কথা আগে বলেছিল। একটি বিশ্লেষণে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, বিমানের পরিচালনগত দুর্বলতা, আর্থিক অবস্থা এবং দেশের সামগ্রিক আর্থিক চাপের মধ্যে এই সময়ে এত বিমানের প্রয়োজন ছিল কি না। বোয়িং চুক্তি বিমান পরিবহনের কৌশলের চেয়ে ভূ-রাজনীতিকেই বেশি প্রতিফলিত করে। বাণিজ্য চুক্তিটি সংসদ না থাকা অবস্থায় কোনো পর্যালোচনা ছাড়াই হয়েছিল বলেও সমালোচনা রয়েছে। বাণিজ্য চুক্তিতে “বাংলাদেশ করবে” কথাটি ১৩১ বার, আর “যুক্তরাষ্ট্র করবে” মাত্র ছয়বার আছে বলে সিপিডির মোস্তাফিজুর রহমান অসামঞ্জস্য দেখিয়েছেন। দাম মেটানো হবে কীভাবে প্রথম ১৪টি বোয়িং: যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জানিয়েছেন, ক্রয়টিতে অর্থায়ন করছে যুক্তরাষ্ট্রের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক (এক্সিম)। তাঁর ভাষ্য, শর্তগুলো বিমানের নগদ

প্রবাহের ওপর চাপ কমাবে এবং ডেলিভারি সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এয়ারবাস ও নতুন ১১টি বোয়িং: একটি সূত্রে বিমান জানিয়েছিল, তারা ব্যাংক ঋণের জন্য প্রস্তাব আহ্বান করবে এবং সবচেয়ে কম সুদের ঋণদাতার সঙ্গে কাজ করবে। ২০১০-এর দশকের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, এমন কেনাকাটার অর্থায়ন সাধারণত রপ্তানি ঋণ সংস্থার মাধ্যমে হয় এবং বাংলাদেশ সরকারের সার্বভৌম গ্যারান্টি লাগে। এবারও একই হবে কি না, তা নিশ্চিত নয়। দামের প্রশ্ন: এয়ারবাসের মূল্য এখনো প্রকাশ হয়নি। মন্ত্রী বলেছেন, চুক্তির পর জানানো হবে। উত্তর নেই যে প্রশ্নগুলোর সরকার বা বিমান এখনো স্পষ্ট করেনি, ঋণের সুদ কত হবে, গ্যারান্টি সরকার দেবে কি না, ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালে ঋণ পরিশোধের চাপ বিমান সামলাবে কীভাবে, আর ডলার সংকট ও জ্বালানি আমদানির চাপ থাকলে এই দায় কতটা ঝুঁকিপূর্ণ। এসব প্রশ্নের জবাব চুক্তি সইয়ের আগে জনসমক্ষে আসা জরুরি বলে বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
তৃতীয় দফায় বাড়ল শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের ব্যয়: ৯৯.৯৩% কাজ শেষ হওয়ার পরও বাড়তি খরচ ৮৪৮ কোটি টাকা বাংলাদেশি জঙ্গিগোষ্ঠীর ‘স্লিপার সেল’ খুঁজতে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় সকাল থেকে এনআইএ-র অভিযান গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট ও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতাঃ “থলে ভরা টাকা খরচ করেও থালা ভরে না” গ্রেপ্তার আর মব আতংকের মাঝেই শেখ হাসিনার জন্মদিন পালনঃ কেক কাটা হয়েছে ঘরের ভেতরে, গোপনে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস পর্যবেক্ষণে আবারও আলোচনায় বাংলাদেশ-সংশ্লিষ্ট জঙ্গি যোগসূত্র রাজনৈতিক বিরোধের জেরে মানিকগঞ্জে জেলা ছাত্রলীগ নেতার হাত-পায়ের রগ কেটে দিয়েছে বন্ধুরা রাফিনহা ও ভিনিসিউসের গোল: অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ ব্যবধানে হারাল ব্রাজিল মাত্র ১১ বছরেই কনিষ্ঠতম নারী গ্র্যান্ডমাস্টার বোধনা “অসমাপ্ত আত্মজীবনী” বিক্রিতে বাধার প্রতিবাদে মুক্তিযুদ্ধের প্রায় ৩০০ বইয়ের পিডিএফ উন্মুক্ত করলো বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকেরা ২৫টি বোয়িংয়ের পর এবার ১০টি এয়ারবাস: এত বিমান দিয়ে কী করবে বাংলাদেশ, দাম মেটাবে কীভাবে? আইপিইউতে শেখ হাসিনার অভিযোগ: মৃত্যুদণ্ড, বিচার, নিষেধাজ্ঞা ও শতাধিক এমপির আটক নিয়ে আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি এডিবি’র সর্বশেষ প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩.৭%, আগামী অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি আগের পূর্বাভাস থেকে কমে ৪.০% মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহামদের স্ত্রী টুন ড. সিতি হাসমা আর নেই ইরাক ছাড়ল মার্কিন বাহিনী: দুই দশকের যুদ্ধের ক্ষত আর অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে বাগদাদ যুবদল নেতার আধিপত্য বিস্তার: মাদকের ভাগ-বাটোয়ারা থেকে বাকলিয়ায় প্রকাশ্য যুদ্ধ এশিয়ান গেমস ক্রিকেট: না খেলেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা শেখ হাসিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র পোস্ট: গোপালগঞ্জ এনসিপির সদস্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ শুধুমাত্র ছাত্রলীগ নেতার সাথে পরিচয় থাকার কারণে চবি শিক্ষার্থীকে রাতভর পিটিয়ে পুলিশে দিল শিবির বাঁশখালীতে শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপনের প্রস্তুতির সময় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৮ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রয়ের অভিযোগে যুবদলের মবঃ শর্তসাপেক্ষে আটক ইউপিএল-এর দুই কর্মীকে ছাড়লো পুলিশ