ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঢাকার অশান্ত রাজপথ : যে অরাজকতার মূল কারণ বসে আছে যমুনায়
লাশের পাহাড় আর কতো উঁচু হলে ইউনুসের চোখে পড়বে?
গণতন্ত্র নয়, নির্বাচনের নাটক: বাংলাদেশকে কোন পথে ঠেলে দিচ্ছে এই ভোট?
দখলদার ইউনুসের মেটিক্যুলাস ডিজাইনের নির্বাচনের আসল উদ্দেশ্যটা হচ্ছে দেশকে জঙ্গিদের হাতে তুলে দিয়ে দেশকে পুরোপুরি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করা।
ম্যাজিশিয়ান ইউনুস! যা ধরে, তাই ভ্যানিস হয়ে যায়! এবার ভোটের পালা!
নির্বাচন বর্জনই নাগরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে সাবধান!
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় আসছে বড় পরিবর্তনের সুপারিশ
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের জন্য সুপারিশ দিতে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন। দেশের বিভিন্ন পৌরসভা বিলুপ্তি এবং সরকারি চাকরিজীবীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের প্রস্তাব করা হচ্ছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদনটি অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জমা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
পৌরসভা বিলুপ্তির পরিকল্পনা
বাংলাদেশে বর্তমানে ৩৩০টি পৌরসভা রয়েছে, এর মধ্যে অনেক পৌরসভা আর্থিকভাবে টিকে থাকার সক্ষমতা হারিয়েছে। কমিশন এ সমস্যার সমাধান হিসেবে এসব পৌরসভা বিলুপ্ত করার পরিকল্পনা করছে। তবে বিলুপ্তি পরবর্তী এসব এলাকাকে ইউনিয়ন পরিষদ বা উপজেলা পরিষদের অধীনে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও রয়েছে।
নির্বাচন পদ্ধতিতে পরিবর্তন
বর্তমান নির্বাচন পদ্ধতি যেখানে মেয়র বা চেয়ারম্যান পদে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন হয়, সেখানে কমিশন নতুন পদ্ধতির প্রস্তাব
দিয়েছে। এতে, ওয়ার্ড ভিত্তিক নির্বাচিত কাউন্সিলররা তাদের মধ্যে ভোটের মাধ্যমে মেয়র বা চেয়ারম্যান নির্বাচন করবেন। একই দিনে স্থানীয় নির্বাচন কমিশন একই দিনে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং জেলা পরিষদের নির্বাচনের প্রস্তাব করেছে। সরকারি চাকরিজীবীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ বর্তমানে সরকারি চাকরিজীবীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের কোন সুযোগ নেই, তবে কমিশন এই বিধান শিথিল করার সুপারিশ করেছে। এতে শিক্ষিত ও যোগ্য ব্যক্তিদের স্থানীয় সরকারের নেতৃত্বে আসার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় সরকারের মান উন্নত হবে। কমিশনের অন্যান্য সুপারিশের মধ্যে রয়েছে যেমন: সংসদ সদস্যদের স্থানীয় সরকার নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা সীমিত করা, সংরক্ষিত নারী সদস্যদের ক্ষমতা বাড়ানো, বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার বিধান বাতিল, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
দিয়েছে। এতে, ওয়ার্ড ভিত্তিক নির্বাচিত কাউন্সিলররা তাদের মধ্যে ভোটের মাধ্যমে মেয়র বা চেয়ারম্যান নির্বাচন করবেন। একই দিনে স্থানীয় নির্বাচন কমিশন একই দিনে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং জেলা পরিষদের নির্বাচনের প্রস্তাব করেছে। সরকারি চাকরিজীবীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ বর্তমানে সরকারি চাকরিজীবীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের কোন সুযোগ নেই, তবে কমিশন এই বিধান শিথিল করার সুপারিশ করেছে। এতে শিক্ষিত ও যোগ্য ব্যক্তিদের স্থানীয় সরকারের নেতৃত্বে আসার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় সরকারের মান উন্নত হবে। কমিশনের অন্যান্য সুপারিশের মধ্যে রয়েছে যেমন: সংসদ সদস্যদের স্থানীয় সরকার নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা সীমিত করা, সংরক্ষিত নারী সদস্যদের ক্ষমতা বাড়ানো, বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার বিধান বাতিল, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।



