ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া
একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক
সীমান্তে বাংলাদেশিদের নিরাপত্তায় সামরিক পদক্ষেপ চায় জামায়াত
সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তায় উপযুক্ত কূটনৈতিক ও সামরিক পদক্ষেপ নিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
শনিবার এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
গত ১৬ এপ্রিল লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলায় ভারতীয় বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি কৃষক হাসিবুল ইসলাম নিহত হওয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এই বিবৃতি দেন তিনি।
বিবৃতিতে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘গত ১৬ এপ্রিল লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার সিংগামারী ইউনিয়ন সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি কৃষক হাসিবুল ইসলাম নিহত হওয়ার ঘটনার আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নিহত কৃষক হাসিবুল ইসলামের পরিবারের লোকেরা জানিয়েছে যে, হাসিবুল ইসলাম গত
১৬ এপ্রিল বুধবার গরুর জন্য তার নিজের জমিতে ঘাস কাটতে গেলে বিএসএফ বাংলাদেশে ঢুকে তাকে গুলি করে আহত করে। আহত অবস্থায় বিএসএফ তাকে টেনেহিঁচড়ে ওপারে নিয়ে রাইফেল দিয়ে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। ১৭ এপ্রিল রাত ১১টায় বিএসএফ হাসিবুল ইসলামের বাবার কাছে তার লাশ হস্তান্তর করেছে।’ বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘অপরদিকে গত ১৮ এপ্রিল লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার বাউড়া ইউনিয়নের জমগ্রাম ডাংগার পার থেকে বাংলাদেশি যুবক আজিজুর রহমানকে ১০-১২ জন ভারতীয় নাগরিক ধরে নিয়ে কাঁটাতারের সঙ্গে বেঁধে তার ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। এসব ঘটনায় হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম সীমান্তে জনগণের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। সীমান্ত এলাকার জনগণের মধ্যে এক ভীতিকর
অবস্থা বিরাজ করছে। কৃষকরা সীমান্ত এলাকায় তাদের জমিতে কাজ করতে যেতে ভয় পাচ্ছে, তারা নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে।’ গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ সীমান্ত ভারতীয়দের এ ধরনের হত্যা, জুলুম, নির্যাতন দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের অন্তরায়। ভারতীয়দের এ ধরনের অমানবিক আচরণের কারণেই সীমান্তে হত্যা ও ধরপাকর বন্ধ হচ্ছে না। সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশিদের হত্যা এবং সব গর্হিত আচরণ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য আমরা ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে উপযুক্ত কূটনৈতিক ও সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য আমরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।’
১৬ এপ্রিল বুধবার গরুর জন্য তার নিজের জমিতে ঘাস কাটতে গেলে বিএসএফ বাংলাদেশে ঢুকে তাকে গুলি করে আহত করে। আহত অবস্থায় বিএসএফ তাকে টেনেহিঁচড়ে ওপারে নিয়ে রাইফেল দিয়ে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। ১৭ এপ্রিল রাত ১১টায় বিএসএফ হাসিবুল ইসলামের বাবার কাছে তার লাশ হস্তান্তর করেছে।’ বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘অপরদিকে গত ১৮ এপ্রিল লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার বাউড়া ইউনিয়নের জমগ্রাম ডাংগার পার থেকে বাংলাদেশি যুবক আজিজুর রহমানকে ১০-১২ জন ভারতীয় নাগরিক ধরে নিয়ে কাঁটাতারের সঙ্গে বেঁধে তার ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। এসব ঘটনায় হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম সীমান্তে জনগণের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। সীমান্ত এলাকার জনগণের মধ্যে এক ভীতিকর
অবস্থা বিরাজ করছে। কৃষকরা সীমান্ত এলাকায় তাদের জমিতে কাজ করতে যেতে ভয় পাচ্ছে, তারা নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে।’ গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ সীমান্ত ভারতীয়দের এ ধরনের হত্যা, জুলুম, নির্যাতন দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের অন্তরায়। ভারতীয়দের এ ধরনের অমানবিক আচরণের কারণেই সীমান্তে হত্যা ও ধরপাকর বন্ধ হচ্ছে না। সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশিদের হত্যা এবং সব গর্হিত আচরণ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য আমরা ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে উপযুক্ত কূটনৈতিক ও সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য আমরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।’



