ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ধ্বংসের দায় কার?
বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচন কোনো স্বচ্ছ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়। এটি অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের সাজানো নাটক। – সজীব ওয়াজেদ জয়
গাইবান্ধায় লঙ্কাকাণ্ড: আসিফ নজরুলকে জুতা প্রদর্শন, ‘ভুয়া’ স্লোগানে পণ্ড সভা
মৃত্যুদণ্ড দিয়েও দমানো যাবে না, জনগণ নৌকাই চায়: কড়া হুঙ্কার শেখ হাসিনার
সীতাকুণ্ডে জঙ্গিদের গুলিতে র্যাব কর্মকর্তা নিহত, ৩ জন অপহৃত: চরম আইনশৃঙ্খলা বিপর্যয়ের শঙ্কা
ক্ষমা চাইবার রাজনীতি বনাম সত্যের রাজনীতি: নওফেলের বক্তব্য কেন বিরোধীদের ঘুম হারাম করেছে
খুলনায় এনসিপির পরিচয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদাবাজি: আটক ৩
সিটি কলেজ ও ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ নিয়ে যা বলছে পুলিশ
রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে ঢাকা সিটি কলেজ ও ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পালটা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, এ অবস্থায় ঘটনার সূত্রপাত সম্পর্কে জানতে এবং ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিয়ে সায়েন্সল্যাব মোড়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম।
ডিসি মাসুদ বলেন, প্রকৃত কারণ জানতে সময় লাগবে। তারা কী কী কারণে এটা করেছে এরা (শিক্ষার্থীরা) এবং আল্লাহ ছাড়া আর কেউ বলতে পারবে না। আমরা ঘটনার সূত্রপাতের বিষয়টি পরে তদন্ত করে দেখব। তবে
এরা মাঝে মধ্যে এই কাজ (সংঘর্ষ) করে থাকে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে জানিয়ে রমনার ডিসি বলেন, ঘটনার পরে আমরা দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের তাদের ক্যাম্পাসে এবং সিটি কলেজ শিক্ষার্থীদের তাদের ক্যাম্পাসে নিয়ে এসেছি। একইসঙ্গে তারা যেন মুখোমুখি না হতে পারে সে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এখন দুই কলেজের শিক্ষার্থীরাই ভেতরে ঢুকে গেছে। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে স্ব স্ব কলেজের শিক্ষকদের ভূমিকার বিষয়ে জানতে চাইলে মাসুদ আলম বলেন, আজ শিক্ষকদের সহায়তা আমরা পেয়েছি। অনেকেই চেষ্টা করছিলেন তাদের শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে নিতে। তবে শিক্ষক প্রতিনিধিদের সংখ্যা আরও বেশি হলে ভালো হয়। একজন বা কয়েকজন শিক্ষকের পক্ষে এত বড় সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না।
তবে ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয় সে বিষয়ে আমরা কাজ করব। এর আগে আজ দুপুর পৌনে ১২টার দিকে দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে দুপুর ১২টার দিকে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এরা মাঝে মধ্যে এই কাজ (সংঘর্ষ) করে থাকে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে জানিয়ে রমনার ডিসি বলেন, ঘটনার পরে আমরা দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের তাদের ক্যাম্পাসে এবং সিটি কলেজ শিক্ষার্থীদের তাদের ক্যাম্পাসে নিয়ে এসেছি। একইসঙ্গে তারা যেন মুখোমুখি না হতে পারে সে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এখন দুই কলেজের শিক্ষার্থীরাই ভেতরে ঢুকে গেছে। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে স্ব স্ব কলেজের শিক্ষকদের ভূমিকার বিষয়ে জানতে চাইলে মাসুদ আলম বলেন, আজ শিক্ষকদের সহায়তা আমরা পেয়েছি। অনেকেই চেষ্টা করছিলেন তাদের শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে নিতে। তবে শিক্ষক প্রতিনিধিদের সংখ্যা আরও বেশি হলে ভালো হয়। একজন বা কয়েকজন শিক্ষকের পক্ষে এত বড় সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না।
তবে ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয় সে বিষয়ে আমরা কাজ করব। এর আগে আজ দুপুর পৌনে ১২টার দিকে দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে দুপুর ১২টার দিকে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।



