ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘১৫ বছর কী স্বার্থে কেন চুপ ছিলেন?’—ইকবাল করিম ভূঁইয়াকে খোলা চিঠিতে প্রশ্ন
ভোট ব্যাংক দখলে জামায়াতের ভয়ংকর নীলনকশা: ৯ আসনে সাড়ে ৪ লাখ ‘বহিরাগত’ ভোটার অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ
‘জুলাই সনদের আড়ালে এলজিবিটি ও পশ্চিমা এজেন্ডা?’—না ভোটের ডাক দিয়ে আসিফ মাহতাবের সতর্কবার্তা
‘নির্যাতিত’ যুবলীগ কর্মী রিয়াদের আর্তনাদ: ‘আগামী প্রজন্ম ও দেশকে বাঁচাতে পাতানো নির্বাচন বর্জন করুন’
ণভোট, এপস্টিন, ডিপি ওয়ার্ল্ড, সোমালিল্যান্ড ও গণহত্যা*
‘অবৈধ’ নির্বাচন বর্জন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ভোটের ডাক গোলাম রাব্বানীর
পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে জাবিতে সাংবাদিককে ‘হেনস্তা’
শেখ হাসিনার চিন্তা এত শক্তিশালী যে শত্রুরাও তা হুবহু নকল করে
দেশ বর্তমানে অবৈধ দখলদার ইউনুসের নেতৃত্বে একটি সাজানো নির্বাচনী বাস্তবতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নিজের পছন্দের রাজনৈতিক শক্তিকে ক্ষমতায় বসানোর লক্ষ্যেই এই নির্বাচনী কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়—সব দলের বক্তব্য প্রায় অভিন্ন: ভাতা, কার্ড, সহায়তা ও সামাজিক নিরাপত্তা।
কিন্তু রাষ্ট্র কি কেবল ভাতানির্ভর নীতিতে পরিচালিত হয়?
নাকি রাষ্ট্র পরিচালনার মূল ভিত্তি হওয়া উচিত দীর্ঘমেয়াদি ভিশন, পরিকল্পনা ও কাঠামোগত উন্নয়ন?
সম্প্রতি রাজশাহীতে গিয়ে তারেক রহমান বিমানবন্দর পরিদর্শন করে “বদলে যাওয়া বাংলাদেশ”-এর কথা বলেছেন এবং নিজেই স্বীকার করেছেন দেশটি এখন “অনেক চেঞ্জড”। কিন্তু ইতিহাস স্মরণ করা জরুরি।
২০০৪ সালে লোকসানের অজুহাতে রাজশাহীসহ দেশের একাধিক আঞ্চলিক বিমানবন্দর বন্ধ করেছিল বিএনপি–জামায়াত সরকার।
পরবর্তীতে শেখ
হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারই সেগুলো পুনরায় চালু করে, আধুনিকায়ন করে এবং আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থাকে জাতীয় উন্নয়নের অংশে রূপান্তরিত করে। আজ যে পরিবর্তনের কথা বলা হচ্ছে, তার ভিত্তি নির্মিত হয়েছে শেখ হাসিনার রাষ্ট্রদর্শনের মাধ্যমেই। বর্তমান নির্বাচনী বয়ানে নতুন ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর প্রতিশ্রুতি শোনা যায়, অথচ বাস্তবতা হলো—টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড ইতিমধ্যেই এক কোটি পরিবার পাচ্ছে। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, কৃষি কার্ড, বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, জেলে কার্ড, বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী— এসব শেখ হাসিনার সরকারের গড়ে তোলা একটি সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোর অংশ, যা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ববোধকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে। কুমিল্লায় ইপিজেড করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, অথচ ২০২০ সালেই সেখানে ইপিজেড কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বাস্তবায়িত প্রকল্পকে পুনরায় প্রতিশ্রুতি হিসেবে উপস্থাপন করা রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বেরই প্রতিফলন। দখলদার
ইউনুসের সাজানো নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর ইশতেহার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়—নতুন কোনো রাষ্ট্রদর্শন নেই, নতুন কোনো উন্নয়ন দর্শন নেই, নেই কোনো বিকল্প পরিকল্পনার কাঠামো। সবই শেখ হাসিনার সরকারের নেওয়া উদ্যোগের পুনরাবৃত্তি, পুনঃপ্যাকেজিং এবং পুনঃউপস্থাপন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ মঙ্গা থেকে বেরিয়েছে, দারিদ্র্য হ্রাস পেয়েছে, অবকাঠামো উন্নয়ন ঘটেছে, সামাজিক সূচকে অগ্রগতি এসেছে এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশ একটি উন্নয়ন মডেল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি শুধু ভাতা দেননি—তিনি রাষ্ট্রকে দাঁড় করিয়েছেন কর্মসংস্থান, অবকাঠামো, উৎপাদন, নারীর ক্ষমতায়ন, কৃষির আধুনিকায়ন, গ্রাম–শহর সংযোগ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের ভিত্তির ওপর। ভাতানির্ভরতা কমানোর জন্যই তিনি কর্মসংস্থানমুখী উন্নয়ন দর্শন প্রতিষ্ঠা করেছেন। আজ যারা ক্ষমতার স্বপ্ন দেখছে, তাদের রাজনৈতিক পুঁজি একটাই—শেখ হাসিনার কাজ, শেখ হাসিনার ভিশন,
শেখ হাসিনার নির্মিত কাঠামো। এটাই প্রমাণ করে একটি মৌলিক সত্য: ভিশন ছিল শেখ হাসিনার, আর আজ তা কপি করছে সবাই। দেশের ভালো কী, মানুষের প্রয়োজন কী—তিনি জানতেন বলেই উদ্যোগগুলো আগেই নেওয়া হয়েছিল। শেখ হাসিনার চিন্তা এতটাই শক্তিশালী যে আজ তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরাও সেই চিন্তাকেই নকল করতে বাধ্য হচ্ছে। রাষ্ট্র পরিচালনায় নকল দর্শন কখনো বিকল্প হতে পারে না। ভিশন ছাড়া রাষ্ট্র চলে না, কপি-পেস্ট চিন্তা দিয়ে দেশ গড়া যায় না। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রক্ষার প্রশ্নে তাই আসল ও নকলের পার্থক্য স্পষ্ট করা জরুরি। ভিশনারি লিডার শেখ হাসিনা ছিলেন বলেই বাংলাদেশ হয়ে উঠেছিল সমৃদ্ধ দেশ—এই সত্য আজ আরও প্রকটভাবে দৃশ্যমান।
হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারই সেগুলো পুনরায় চালু করে, আধুনিকায়ন করে এবং আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থাকে জাতীয় উন্নয়নের অংশে রূপান্তরিত করে। আজ যে পরিবর্তনের কথা বলা হচ্ছে, তার ভিত্তি নির্মিত হয়েছে শেখ হাসিনার রাষ্ট্রদর্শনের মাধ্যমেই। বর্তমান নির্বাচনী বয়ানে নতুন ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর প্রতিশ্রুতি শোনা যায়, অথচ বাস্তবতা হলো—টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড ইতিমধ্যেই এক কোটি পরিবার পাচ্ছে। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, কৃষি কার্ড, বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, জেলে কার্ড, বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী— এসব শেখ হাসিনার সরকারের গড়ে তোলা একটি সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোর অংশ, যা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ববোধকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে। কুমিল্লায় ইপিজেড করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, অথচ ২০২০ সালেই সেখানে ইপিজেড কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বাস্তবায়িত প্রকল্পকে পুনরায় প্রতিশ্রুতি হিসেবে উপস্থাপন করা রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বেরই প্রতিফলন। দখলদার
ইউনুসের সাজানো নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর ইশতেহার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়—নতুন কোনো রাষ্ট্রদর্শন নেই, নতুন কোনো উন্নয়ন দর্শন নেই, নেই কোনো বিকল্প পরিকল্পনার কাঠামো। সবই শেখ হাসিনার সরকারের নেওয়া উদ্যোগের পুনরাবৃত্তি, পুনঃপ্যাকেজিং এবং পুনঃউপস্থাপন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ মঙ্গা থেকে বেরিয়েছে, দারিদ্র্য হ্রাস পেয়েছে, অবকাঠামো উন্নয়ন ঘটেছে, সামাজিক সূচকে অগ্রগতি এসেছে এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশ একটি উন্নয়ন মডেল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি শুধু ভাতা দেননি—তিনি রাষ্ট্রকে দাঁড় করিয়েছেন কর্মসংস্থান, অবকাঠামো, উৎপাদন, নারীর ক্ষমতায়ন, কৃষির আধুনিকায়ন, গ্রাম–শহর সংযোগ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের ভিত্তির ওপর। ভাতানির্ভরতা কমানোর জন্যই তিনি কর্মসংস্থানমুখী উন্নয়ন দর্শন প্রতিষ্ঠা করেছেন। আজ যারা ক্ষমতার স্বপ্ন দেখছে, তাদের রাজনৈতিক পুঁজি একটাই—শেখ হাসিনার কাজ, শেখ হাসিনার ভিশন,
শেখ হাসিনার নির্মিত কাঠামো। এটাই প্রমাণ করে একটি মৌলিক সত্য: ভিশন ছিল শেখ হাসিনার, আর আজ তা কপি করছে সবাই। দেশের ভালো কী, মানুষের প্রয়োজন কী—তিনি জানতেন বলেই উদ্যোগগুলো আগেই নেওয়া হয়েছিল। শেখ হাসিনার চিন্তা এতটাই শক্তিশালী যে আজ তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরাও সেই চিন্তাকেই নকল করতে বাধ্য হচ্ছে। রাষ্ট্র পরিচালনায় নকল দর্শন কখনো বিকল্প হতে পারে না। ভিশন ছাড়া রাষ্ট্র চলে না, কপি-পেস্ট চিন্তা দিয়ে দেশ গড়া যায় না। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রক্ষার প্রশ্নে তাই আসল ও নকলের পার্থক্য স্পষ্ট করা জরুরি। ভিশনারি লিডার শেখ হাসিনা ছিলেন বলেই বাংলাদেশ হয়ে উঠেছিল সমৃদ্ধ দেশ—এই সত্য আজ আরও প্রকটভাবে দৃশ্যমান।



