ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া
একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক
রোজার শিক্ষা কাজে লাগালে প্রত্যাশিত দেশ গড়া যাবে
বহু বছরের রেওয়াজ অনুযায়ী রমজানের প্রথম দিনে আলেম-ওলামা ও এতিমদের সঙ্গে ইফতার করলেন বিএনপির নেতারা। তাদের সম্মানে রোববার রাজধানীর লেডিস ক্লাবে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে দলটি। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
ইফতারের আগে বক্তৃতায় দেশবাসীকে রমজানের শুভেচ্ছা জানান তারেক। রমজানের শিক্ষা কীভাবে কাজে লাগানো যায় তা নিয়ে আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, আমরা যদি নিজেদের সৎ কাজে উৎসাহিত এবং অসৎ কাজে নিরুসাহিত করতে পারি তাহলে আমরা আমাদের প্রত্যাশিত সমাজ ও দেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হব।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, রমজান আমাদের শেখায় সংযমী হতে। কীভাবে ধৈর্যশীল হতে হবে। কীভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। একই
সঙ্গে আল্লাহর যা যা সৃষ্টি আছে, সবকিছুর পাশে আমাদের দাঁড়ানোর শিক্ষা দেয়। আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি যত্ন নেওয়া রমজান আমাদের শিক্ষা দেয়। ওলামা-মাশায়েখদের প্রতি তারেক রহমান বলেন, আসুন, দেশের প্রতিটি মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, রমজানে আল্লাহর দরবারে সেই প্রার্থনা করি। তিনি আরও বলেন, ‘খ্রিষ্টান সম্প্রদায় সারা বিশ্বে বড়দিন একই দিনে পালন করে। তাই আমরা চিন্তা বা আলোচনা করে দেখতে পারি কিনা, বাংলাদেশের মানুষ সারা বিশ্বের মানুষের সঙ্গে একই দিনে রোজা ও ঈদ পালন করতে পারি কিনা। বর্তমানে বিজ্ঞানের যুগে এটি করা সম্ভব কিনা।’ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি ও দেশবাসীর কাছে তার মা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চান তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, বিএনপির সঙ্গে দেশে ও বিদেশে বসে একশ্রেণির লোক আলেম-ওলামাদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করার চেষ্টা করছে। এই বিভেদ শুধু বিএনপির সঙ্গে ওলামা-মাশায়েখদের নয়, এই বিভেদের মাধ্যমে যে ফাটল সৃষ্টি হবে তার মধ্য দিয়ে বিদেশি শক্তি প্রবেশ করবে। তারা দেশটা ধ্বংস করার চেষ্টা করবে। তিনি বলেন, আজকে নতুন স্লোগান (ইনকিলাব জিন্দাবাদ) থেকে সবাই সাবধান থাকবেন। এর অর্থ কী? দ্বিতীয় স্বাধীনতা কী? সেকেন্ড রিপাবলিক কাকে বলে? একটা বিশেষ পন্থায় তারা জাতির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে, আপনারা সতর্ক থাকবেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।
মাহফিলে অংশ নেন ফার্মগেট ইসলামি মিশন মাদ্রাসা ও শান্তিনগর বাজার জাতীয় মুসলিম মাদ্রাসার ৮০ শিক্ষার্থী। ইফতার শুরুর আগে দেশের অগ্রগতি ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা কাজী সেলিম রেজা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাওলানা কাজী মোহাম্মদ আবুল হোসেন। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা কাজী আবু, সোবহানবাগ মসজিদের খতিব মাওলানা ওয়ালী উল্লাহ, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ মসজিদের খতিব মুফতি মহিউদ্দিন ও মিরসরাই দরবার শরিফের সুফি আব্দুল মোমেন নাছেরী। বিএনপি নেতাদের মধ্যে ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস,
গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল, সহধর্মবিষয়ক সম্পাদক আব্দুল বারী ডেনি জন গোমেজ প্রমুখ।
সঙ্গে আল্লাহর যা যা সৃষ্টি আছে, সবকিছুর পাশে আমাদের দাঁড়ানোর শিক্ষা দেয়। আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি যত্ন নেওয়া রমজান আমাদের শিক্ষা দেয়। ওলামা-মাশায়েখদের প্রতি তারেক রহমান বলেন, আসুন, দেশের প্রতিটি মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, রমজানে আল্লাহর দরবারে সেই প্রার্থনা করি। তিনি আরও বলেন, ‘খ্রিষ্টান সম্প্রদায় সারা বিশ্বে বড়দিন একই দিনে পালন করে। তাই আমরা চিন্তা বা আলোচনা করে দেখতে পারি কিনা, বাংলাদেশের মানুষ সারা বিশ্বের মানুষের সঙ্গে একই দিনে রোজা ও ঈদ পালন করতে পারি কিনা। বর্তমানে বিজ্ঞানের যুগে এটি করা সম্ভব কিনা।’ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি ও দেশবাসীর কাছে তার মা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চান তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, বিএনপির সঙ্গে দেশে ও বিদেশে বসে একশ্রেণির লোক আলেম-ওলামাদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করার চেষ্টা করছে। এই বিভেদ শুধু বিএনপির সঙ্গে ওলামা-মাশায়েখদের নয়, এই বিভেদের মাধ্যমে যে ফাটল সৃষ্টি হবে তার মধ্য দিয়ে বিদেশি শক্তি প্রবেশ করবে। তারা দেশটা ধ্বংস করার চেষ্টা করবে। তিনি বলেন, আজকে নতুন স্লোগান (ইনকিলাব জিন্দাবাদ) থেকে সবাই সাবধান থাকবেন। এর অর্থ কী? দ্বিতীয় স্বাধীনতা কী? সেকেন্ড রিপাবলিক কাকে বলে? একটা বিশেষ পন্থায় তারা জাতির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে, আপনারা সতর্ক থাকবেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।
মাহফিলে অংশ নেন ফার্মগেট ইসলামি মিশন মাদ্রাসা ও শান্তিনগর বাজার জাতীয় মুসলিম মাদ্রাসার ৮০ শিক্ষার্থী। ইফতার শুরুর আগে দেশের অগ্রগতি ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা কাজী সেলিম রেজা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাওলানা কাজী মোহাম্মদ আবুল হোসেন। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা কাজী আবু, সোবহানবাগ মসজিদের খতিব মাওলানা ওয়ালী উল্লাহ, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ মসজিদের খতিব মুফতি মহিউদ্দিন ও মিরসরাই দরবার শরিফের সুফি আব্দুল মোমেন নাছেরী। বিএনপি নেতাদের মধ্যে ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস,
গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল, সহধর্মবিষয়ক সম্পাদক আব্দুল বারী ডেনি জন গোমেজ প্রমুখ।



