ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বুয়েট ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি তানভীর ও সম্পাদক আশিকুল
বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, নওগাঁ রণক্ষেত্র
জামায়াতের আমীরের ইতিহাস বিকৃতি, বিপজ্জনক রাজনীতির পুরোনো কৌশল
জামায়েতের দুই নীতি নারী এবং মুক্তিযুদ্ধ ভীতি
জামায়াতের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ভোটার স্থানান্তরের অভিযোগ: আসনভিত্তিক তথ্য চায় বিএনপি
বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের পর এনসিপির সংঘর্ষ: ভোটের আগেই ক্ষমতার লড়াইয়ে কি সংঘাত বাড়ছে?
নারী বিদ্বেষ থেকেই কি মনীষার সাথে একই মঞ্চে বসতে আপত্তি চরমোনাই পীর ফয়জুল করিমের?
যারা আ.লীগ সরকারের পতন ঘটিয়েছে তাদের অভিনন্দন জানাই : কাদের সিদ্দিকী
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন, যারা আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটিয়েছে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে, আমি তাদের সাধুবাদ, ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই।
শনিবার (২৬ জুলাই) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে কাদেরিয়া বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাদের মিলনমেলা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় কাদের সিদ্দিকী বলেন, তবে তারা যদি বঙ্গবন্ধুকে অস্বীকার করে, তারা যদি স্বাধীনতাকে অস্বীকার করে, মুক্তিযোদ্ধাদের অস্বীকার করে, অসম্মান করে- এক সময় যেমন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছি, তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে আমাদের একটুও বাধবে না।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ নিয়ে কারও সঙ্গে আপস হবে না। আমরা চাই মুক্তিযুদ্ধ, আমরা চাই মুক্তিযোদ্ধা, এ নিয়ে
আপস নেই। আমাদের কণ্ঠ জয় বাংলা- এটা নিয়ে কোনো আপস করব না। আমাদের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আমরা সবাই তার কর্মী। বঙ্গবন্ধু ও জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কোনো আপস নেই। আমরা স্বাধীনতাকে দেখতে চাই, নতুন করে স্বাধীনতা বানাতে চাই না। কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, নিরপেক্ষভাবে বললে- বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন যারা করেছে তারা আল্লাহর নির্ধারিত পথে, আল্লাহর ইচ্ছাকে বাস্তবায়ন করেছে। কোনো সরকার যদি ওই রকম অন্যায় করে, তাহলে আল্লাহর তরফ থেকে পতন আসে। শেখ হাসিনার অন্যায়, আওয়ামী লীগের অন্যায়, ভালোভাবে না চালাতে পারা, এসব কিছু মিলেই মানুষ ক্ষুব্ধ হয়েছে। মানুষ বেরিয়ে এসেছে বলেই তাদের বিজয় এসেছিল। এ বিজয় তাদের একার নয়। কাদের সিদ্দিকী আরও
বলেন, আমি শুনেছি বিএনপির নাকি ৬০০ থেকে ৭০০ লোক মারা গেছে। আমি ২৫ বছর ধরে শেখ হাসিনার প্রত্যেকটি অন্যায় ধরেছি। তাদের বাদ দিয়ে কেউ যদি কৃতিত্ব একাই নিতে চায়, সেটা ভালো নয়। হাসিনাবিরোধী আন্দোলনের কৃতিত্ব জনগণের, কারও ব্যক্তিগত না। এ সময় বীরবিক্রম আবুল কালাম আজাদ, বীরপ্রতীক হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা, বীরপ্রতীক ফজলুল হক, বীরপ্রতীক আব্দুল্লাহসহ বিভিন্ন উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।
আপস নেই। আমাদের কণ্ঠ জয় বাংলা- এটা নিয়ে কোনো আপস করব না। আমাদের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আমরা সবাই তার কর্মী। বঙ্গবন্ধু ও জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কোনো আপস নেই। আমরা স্বাধীনতাকে দেখতে চাই, নতুন করে স্বাধীনতা বানাতে চাই না। কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, নিরপেক্ষভাবে বললে- বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন যারা করেছে তারা আল্লাহর নির্ধারিত পথে, আল্লাহর ইচ্ছাকে বাস্তবায়ন করেছে। কোনো সরকার যদি ওই রকম অন্যায় করে, তাহলে আল্লাহর তরফ থেকে পতন আসে। শেখ হাসিনার অন্যায়, আওয়ামী লীগের অন্যায়, ভালোভাবে না চালাতে পারা, এসব কিছু মিলেই মানুষ ক্ষুব্ধ হয়েছে। মানুষ বেরিয়ে এসেছে বলেই তাদের বিজয় এসেছিল। এ বিজয় তাদের একার নয়। কাদের সিদ্দিকী আরও
বলেন, আমি শুনেছি বিএনপির নাকি ৬০০ থেকে ৭০০ লোক মারা গেছে। আমি ২৫ বছর ধরে শেখ হাসিনার প্রত্যেকটি অন্যায় ধরেছি। তাদের বাদ দিয়ে কেউ যদি কৃতিত্ব একাই নিতে চায়, সেটা ভালো নয়। হাসিনাবিরোধী আন্দোলনের কৃতিত্ব জনগণের, কারও ব্যক্তিগত না। এ সময় বীরবিক্রম আবুল কালাম আজাদ, বীরপ্রতীক হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা, বীরপ্রতীক ফজলুল হক, বীরপ্রতীক আব্দুল্লাহসহ বিভিন্ন উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।



