ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ, ইরান যুদ্ধ নিয়ে ক্ষোভ
ইরাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার আশঙ্কা, মার্কিন দূতাবাসের সতর্কতা
ইরানের শাসন বদলাতে চাওয়া ট্রাম্প স্থল অভিযানের আগে নিজের পতনের বার্তা পেলেন
ইরানের ভারী পানি প্রকল্পে হামলা, অচল ঘোষণা আইএইএর
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত ৫
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দাউ দাউ করে জ্বলছে ইসরায়েলের শিল্পাঞ্চল
গ্রিস উপকূলে ২২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু: ২১ বাংলাদেশি জীবিত উদ্ধার
মুদ্রাভর্তি থলেটি ‘কবরস্থ’ করা হয় এক হাজার বছর আগে!
পূর্ব ইংল্যান্ডের সাফোকে নির্মাণাধীন একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সাইটে মাটির খুঁড়তে গিয়ে পাওয়া গেছে একাদশ শতাব্দীর ‘গুপ্তধন’। প্রত্নতাত্ত্বিকেরা সেখানে তিন শতাধিক ধাতব মুদ্রা ভরা একটি বিশেষ থলে পেয়েছে। এই ‘বিরল ও আকর্ষণীয়’ আবিষ্কার সুফোকের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও রাজনৈতিক দৃশ্যপটের দিকে ইঙ্গিত করে।
বিবিসির বরাতে ইয়াহু নিউজ জানায়, অক্সফোর্ড কটসওল্ড আর্কিওলজি তথা প্রত্নতত্ত্ব সংস্থা সাফোক উপকূলের ওই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সাইটে খননকাজ চালাচ্ছে। খননকাজের সময় রৌপ্য মুদ্রার বিশেষ থলেটি আবিষ্কার করেন প্রত্নতাত্ত্বিক অ্যান্ড্রু পেগ। ৩২১টি মুদ্রার এই চিত্তাকর্ষক মজুত আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে একাদশ শতাব্দীর রাজনৈতিক উত্থান ও অস্থিরতার একটি ইঙ্গিত মিলেছে।
‘‘ঐতিহাসিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ’’ মুদ্রাগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল বলে মনে করছে অক্সফোর্ড কটসওল্ড আর্কিওলজি।
ছোট একটি সীসার আবরণের মধ্যে পাওয়া ধাতব মুদ্রাগুলো ভালোভাবে সংরক্ষিত অবস্থায় ছিল। এসব মুদ্রা সম্ভবত একটি থলে বা অনুরূপ কোনো বস্তুর ভেতরে রাখা হয়েছিল। ওই থলের ভেতর আরও একটি সীসার আবরণের মোড়ক দিয়ে সুরক্ষিত করা হয়। মুদ্রাগুলো ১০৩৬ থেকে ১০৪৪ সাল পর্যন্ত পুরোনো সময় ফিরিয়ে নিয়ে যায়। প্রত্নতাত্ত্বিকদের ধারণা, ১০৪২ সালে এডওয়ার্ড দ্য কনফেসরের রাজ্যাভিষেকের পরে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে মালিক নিরাপদে লুকিয়ে রাখতে মুদ্রাগুলো মাটির নিচে ‘কবর’ দেয়। তখনকার বাজারমূল্য হিসাবে ৩২০ পেনি (প্রাপ্ত পেনির মধ্য ৩১৯টি এক পেনি মানের ও দুটি আধুলি) পরিমাণ খুব বেশি নয়। তখন এই অর্থ দিয়ে একটি গবাদি পশু কেনা যেত। এজন্য ধারণা করা হচ্ছে মুদ্রাগুলো কোনো
ধনী কৃষক লুকিয়ে রেখেছিলেন, যখন মুদ্রা বাজেয়াপ্ত করার ঝুঁকি তৈরি হয়।
ছোট একটি সীসার আবরণের মধ্যে পাওয়া ধাতব মুদ্রাগুলো ভালোভাবে সংরক্ষিত অবস্থায় ছিল। এসব মুদ্রা সম্ভবত একটি থলে বা অনুরূপ কোনো বস্তুর ভেতরে রাখা হয়েছিল। ওই থলের ভেতর আরও একটি সীসার আবরণের মোড়ক দিয়ে সুরক্ষিত করা হয়। মুদ্রাগুলো ১০৩৬ থেকে ১০৪৪ সাল পর্যন্ত পুরোনো সময় ফিরিয়ে নিয়ে যায়। প্রত্নতাত্ত্বিকদের ধারণা, ১০৪২ সালে এডওয়ার্ড দ্য কনফেসরের রাজ্যাভিষেকের পরে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে মালিক নিরাপদে লুকিয়ে রাখতে মুদ্রাগুলো মাটির নিচে ‘কবর’ দেয়। তখনকার বাজারমূল্য হিসাবে ৩২০ পেনি (প্রাপ্ত পেনির মধ্য ৩১৯টি এক পেনি মানের ও দুটি আধুলি) পরিমাণ খুব বেশি নয়। তখন এই অর্থ দিয়ে একটি গবাদি পশু কেনা যেত। এজন্য ধারণা করা হচ্ছে মুদ্রাগুলো কোনো
ধনী কৃষক লুকিয়ে রেখেছিলেন, যখন মুদ্রা বাজেয়াপ্ত করার ঝুঁকি তৈরি হয়।



