ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক ৫ পেশাজীবী সংগঠনের
মব সন্ত্রাসের মহোৎসবে জুলাই দাঙ্গার ফসল ঘরে তুলছে বাংলাদেশ
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে আসা পরিসংখ্যান বাংলাদেশে বর্তমান বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে। জানুয়ারিতে গণপিটুনিতে মৃত্যু দ্বিগুণ, অজ্ঞাতনামা লাশের সংখ্যা বৃদ্ধি, সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা চারগুণ বেড়ে যাওয়া এবং রাজনৈতিক সহিংসতার তীব্রতা বৃদ্ধি। কিন্তু এই সব কিছুর পেছনে যে বিদ্রূপাত্মক বাস্তবতা লুকিয়ে আছে তা হলো, যে শক্তি গত বছরের জুলাইতে দাঙ্গা-হাঙ্গামা, সহিংসতা আর রক্তপাতের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে, তারাই এখন মব সন্ত্রাস বন্ধ করার দায়িত্ব পেয়ে বসে আছে।
যে ব্যক্তি নিজে সুদী মহাজনি করে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছেন, যার পেছনে বিদেশি শক্তির পৃষ্ঠপোষকতা এবং ইসলামিক জঙ্গি গোষ্ঠীর সমর্থন রয়েছে বলে অভিযোগ, সেই মুহাম্মদ ইউনুস এখন দেশের প্রধান উপদেষ্টা।
আর তার অধীনে চলছে এক অদ্ভুত শাসনব্যবস্থা, যেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বদলে পুরনো সরকারের বিরুদ্ধে মামলায় আসামি বানানোই যেন প্রধান কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। লোম বাছতে গিয়ে কম্বল উজাড় করার এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত এই সরকার। জুলাইয়ের দাঙ্গায় পুলিশ সদস্য খুন হয়েছে, পুলিশের পোস্ট জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করা হয়েছে, মানুষ খুন হয়েছে রাস্তায়। আর সেই সহিংসতার ঢেউয়ে ভর করে ক্ষমতায় আসা মানুষগুলো এখন মব সন্ত্রাস বন্ধ করবে কীভাবে? তারা কি নিজেদের সৃষ্টিকেই ধ্বংস করবে? দেশের নির্বাচিত সরকারকে সামরিক বাহিনীর সমর্থনে অবৈধভাবে উৎখাত করার পর থেকে বাংলাদেশে আইনের শাসন বলে আর কিছু অবশিষ্ট নেই। জনগণের হাতে বিচার তুলে দেওয়ার যে সংস্কৃতি গত
জুলাই-আগস্টে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তার ফসল এখন ঘরে উঠছে। সরকারের কোনো কোনো মহল থেকে মব সন্ত্রাসের পক্ষে যুক্তি দাঁড় করানো হচ্ছে বলে এমএসএফের নির্বাহী পরিচালক যে কথা বলেছেন, তা আরও উদ্বেগজনক। জানুয়ারিতে ২৮টি গণপিটুনির ঘটনায় ২১ জন মারা গেছেন, যেখানে ডিসেম্বরে ২৪টি ঘটনায় মারা গিয়েছিল ১০ জন। অজ্ঞাতনামা লাশের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭, যা ডিসেম্বরে ছিল ৪৮। এই পরিসংখ্যান শুধু সংখ্যা নয়, প্রতিটি সংখ্যার পেছনে একটি জীবন, একটি পরিবার, একটি স্বপ্ন যা চিরতরে নিভে গেছে। কিন্তু যে সরকার নিজেই সহিংসতার মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে, তাদের কাছে এই মৃত্যুগুলো কতটা গুরুত্ব বহন করে? সংখ্যালঘু নির্যাতনের চিত্র আরও হতাশাজনক। জানুয়ারিতে ১৫টি ঘটনা ঘটেছে, যা ডিসেম্বরের
চারগুণ। প্রতিমা ভাঙচুর, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া, মামলা-হামলা সবকিছুতেই বৃদ্ধি। কোথায় সেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ, যার স্বপ্ন দেখিয়ে মানুষকে রাস্তায় নামানো হয়েছিল? নাকি সেটাও ছিল শুধুই ক্ষমতা দখলের একটি হাতিয়ার? রাজনৈতিক সহিংসতায় আহতের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। নির্বাচনী সহিংসতা জানুয়ারির সবচেয়ে ভয়াবহ মানবাধিকার সংকট হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। অথচ এই সরকার এসেছিল গণতন্ত্র রক্ষার নামে, নির্বাচন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে। এখন সেই নির্বাচনই হয়ে উঠেছে রক্তাক্ত সংঘর্ষের ময়দান। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব কী? জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধ প্রতিরোধ করা। কিন্তু এমএসএফের প্রতিবেদনে যা উঠে এসেছে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলায় আসামির সংখ্যা বাড়ানোই যেন এখন তাদের প্রধান কাজ।
জানুয়ারিতে নাম উল্লেখিত আসামির সংখ্যা ৩০ থেকে বেড়ে ১২০ এবং অজ্ঞাতনামা আসামির সংখ্যা ১১০ থেকে বেড়ে ৩২০ হয়েছে। এটা কি বিচার, নাকি প্রতিহিংসা? হেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যা ডিসেম্বরের ৯ থেকে বেড়ে জানুয়ারিতে দাঁড়িয়েছে ১৫। নির্যাতন এখনও কাঠামোগত সমস্যা হিসেবে বিদ্যমান। কিন্তু যে সরকার নিজেই সংবিধান লঙ্ঘন করে ক্ষমতায় এসেছে, তাদের কাছে কারাগারে নির্যাতন বন্ধ করার দাবি করা কতটা বাস্তবসম্মত? সবচেয়ে বড় বিদ্রূপ হলো, মুহাম্মদ ইউনুস যিনি নিজে দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা নিয়ে কোটিপতি হয়েছেন, যার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে, তিনিই এখন দেশ চালাচ্ছেন। আর তার অধীনে চলছে এমন এক ব্যবস্থা যেখানে বিদেশি টাকার প্রভাব, জঙ্গি গোষ্ঠীর সমর্থন এবং সামরিক বাহিনীর
ছত্রছায়া সবকিছুই স্পষ্ট। এই পরিস্থিতির মধ্যেও সাধারণ মানুষ প্রতিদিন বেঁচে থাকার সংগ্রাম করে যাচ্ছে। তারা দেখছে মব সন্ত্রাসের বৃদ্ধি, দেখছে অজ্ঞাতনামা লাশের সংখ্যা বাড়ছে, দেখছে সংখ্যালঘুরা আক্রান্ত হচ্ছে। কিন্তু তাদের কণ্ঠস্বর কে শুনবে? যে সরকার নিজেই অবৈধ, তারা কীভাবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে? মব সন্ত্রাস কমানোর দায়িত্ব যদি তাদের হাতে থাকে যারা নিজেরাই মব তৈরি করে ক্ষমতায় এসেছে, তাহলে সেটা কীভাবে সম্ভব? এটা ঠিক সেই অবস্থা, যেখানে চোর দারোগা হয়ে চুরি ধরতে বসেছে। আর এই অসম্ভব পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ শুধু দেখে যাচ্ছে কীভাবে দিনের পর দিন তাদের দেশ এক গভীর অন্ধকারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
আর তার অধীনে চলছে এক অদ্ভুত শাসনব্যবস্থা, যেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বদলে পুরনো সরকারের বিরুদ্ধে মামলায় আসামি বানানোই যেন প্রধান কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। লোম বাছতে গিয়ে কম্বল উজাড় করার এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত এই সরকার। জুলাইয়ের দাঙ্গায় পুলিশ সদস্য খুন হয়েছে, পুলিশের পোস্ট জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করা হয়েছে, মানুষ খুন হয়েছে রাস্তায়। আর সেই সহিংসতার ঢেউয়ে ভর করে ক্ষমতায় আসা মানুষগুলো এখন মব সন্ত্রাস বন্ধ করবে কীভাবে? তারা কি নিজেদের সৃষ্টিকেই ধ্বংস করবে? দেশের নির্বাচিত সরকারকে সামরিক বাহিনীর সমর্থনে অবৈধভাবে উৎখাত করার পর থেকে বাংলাদেশে আইনের শাসন বলে আর কিছু অবশিষ্ট নেই। জনগণের হাতে বিচার তুলে দেওয়ার যে সংস্কৃতি গত
জুলাই-আগস্টে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তার ফসল এখন ঘরে উঠছে। সরকারের কোনো কোনো মহল থেকে মব সন্ত্রাসের পক্ষে যুক্তি দাঁড় করানো হচ্ছে বলে এমএসএফের নির্বাহী পরিচালক যে কথা বলেছেন, তা আরও উদ্বেগজনক। জানুয়ারিতে ২৮টি গণপিটুনির ঘটনায় ২১ জন মারা গেছেন, যেখানে ডিসেম্বরে ২৪টি ঘটনায় মারা গিয়েছিল ১০ জন। অজ্ঞাতনামা লাশের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭, যা ডিসেম্বরে ছিল ৪৮। এই পরিসংখ্যান শুধু সংখ্যা নয়, প্রতিটি সংখ্যার পেছনে একটি জীবন, একটি পরিবার, একটি স্বপ্ন যা চিরতরে নিভে গেছে। কিন্তু যে সরকার নিজেই সহিংসতার মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে, তাদের কাছে এই মৃত্যুগুলো কতটা গুরুত্ব বহন করে? সংখ্যালঘু নির্যাতনের চিত্র আরও হতাশাজনক। জানুয়ারিতে ১৫টি ঘটনা ঘটেছে, যা ডিসেম্বরের
চারগুণ। প্রতিমা ভাঙচুর, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া, মামলা-হামলা সবকিছুতেই বৃদ্ধি। কোথায় সেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ, যার স্বপ্ন দেখিয়ে মানুষকে রাস্তায় নামানো হয়েছিল? নাকি সেটাও ছিল শুধুই ক্ষমতা দখলের একটি হাতিয়ার? রাজনৈতিক সহিংসতায় আহতের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। নির্বাচনী সহিংসতা জানুয়ারির সবচেয়ে ভয়াবহ মানবাধিকার সংকট হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। অথচ এই সরকার এসেছিল গণতন্ত্র রক্ষার নামে, নির্বাচন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে। এখন সেই নির্বাচনই হয়ে উঠেছে রক্তাক্ত সংঘর্ষের ময়দান। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব কী? জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধ প্রতিরোধ করা। কিন্তু এমএসএফের প্রতিবেদনে যা উঠে এসেছে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলায় আসামির সংখ্যা বাড়ানোই যেন এখন তাদের প্রধান কাজ।
জানুয়ারিতে নাম উল্লেখিত আসামির সংখ্যা ৩০ থেকে বেড়ে ১২০ এবং অজ্ঞাতনামা আসামির সংখ্যা ১১০ থেকে বেড়ে ৩২০ হয়েছে। এটা কি বিচার, নাকি প্রতিহিংসা? হেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যা ডিসেম্বরের ৯ থেকে বেড়ে জানুয়ারিতে দাঁড়িয়েছে ১৫। নির্যাতন এখনও কাঠামোগত সমস্যা হিসেবে বিদ্যমান। কিন্তু যে সরকার নিজেই সংবিধান লঙ্ঘন করে ক্ষমতায় এসেছে, তাদের কাছে কারাগারে নির্যাতন বন্ধ করার দাবি করা কতটা বাস্তবসম্মত? সবচেয়ে বড় বিদ্রূপ হলো, মুহাম্মদ ইউনুস যিনি নিজে দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা নিয়ে কোটিপতি হয়েছেন, যার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে, তিনিই এখন দেশ চালাচ্ছেন। আর তার অধীনে চলছে এমন এক ব্যবস্থা যেখানে বিদেশি টাকার প্রভাব, জঙ্গি গোষ্ঠীর সমর্থন এবং সামরিক বাহিনীর
ছত্রছায়া সবকিছুই স্পষ্ট। এই পরিস্থিতির মধ্যেও সাধারণ মানুষ প্রতিদিন বেঁচে থাকার সংগ্রাম করে যাচ্ছে। তারা দেখছে মব সন্ত্রাসের বৃদ্ধি, দেখছে অজ্ঞাতনামা লাশের সংখ্যা বাড়ছে, দেখছে সংখ্যালঘুরা আক্রান্ত হচ্ছে। কিন্তু তাদের কণ্ঠস্বর কে শুনবে? যে সরকার নিজেই অবৈধ, তারা কীভাবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে? মব সন্ত্রাস কমানোর দায়িত্ব যদি তাদের হাতে থাকে যারা নিজেরাই মব তৈরি করে ক্ষমতায় এসেছে, তাহলে সেটা কীভাবে সম্ভব? এটা ঠিক সেই অবস্থা, যেখানে চোর দারোগা হয়ে চুরি ধরতে বসেছে। আর এই অসম্ভব পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ শুধু দেখে যাচ্ছে কীভাবে দিনের পর দিন তাদের দেশ এক গভীর অন্ধকারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।



