ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশে জ্বালানি সংকট তীব্রতর: শপিংমলে আলোকসজ্জা বন্ধের পরিকল্পনা
ইউনুসের করা বাণিজ্য চুক্তির ঘেরাটোপ থেকে মুক্তি মিলছে না সহজেইঃ বাণিজ্য মন্ত্রীর সাথে পল কাপুরের বৈঠক
ইউক্রেন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি আশঙ্কা: ইরান সংঘাতে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট অসহনীয় হয়ে উঠতে পারে
বিএনপির হস্তক্ষেপে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে ইউনূসপন্থীদের জোরপূর্বক পদত্যাগ: ক্ষেপছে মার্কিনপন্থী নাগরিক সমাজ
মধ্যপ্রাচ্যে বাতিল হওয়া ফ্লাইটে ফ্রি টিকেট দিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স
শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হবে: চিফ প্রসিকিউটর
খালেদ মুহিউদ্দীন: ক্ষমতায় গিয়ে ইউনূসও অন্য রাজনীতিবিদদের ধারা অনুসরণ করলেন
মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীদের করণীয় বিষয়ে বাংলাদেশ বিমানের জরুরি ঘোষণা
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থার কারণে মধ্যপ্রাচ্যগামী ছয়টি রুটে ফ্লাইট চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
আজ ৪ঠা মার্চ, বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত আবুধাবি, শারজাহ, দুবাই, দোহা, কুয়েত ও দাম্মামগামী সব ফ্লাইট বন্ধ থাকবে। উল্লেখিত ছয়টি গন্তব্য ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য রুট-জেদ্দা, মদিনা, রিয়াদ ও মাস্কাট-এ ফ্লাইট যথারীতি পরিচালিত হচ্ছে।
আরও বলা হয়, যেসব যাত্রী স্থগিত রুটগুলোর জন্য ইতোমধ্যে টিকিট কেটেছেন, তারা অতিরিক্ত কোনো চার্জ ছাড়াই টিকিট ফেরত নিতে পারবেন অথবা বিনামূল্যে যাত্রার তারিখ পরিবর্তন করতে পারবেন। দেশে বা বিদেশে বিমানের যেকোনো সেলস সেন্টার কিংবা সংশ্লিষ্ট ট্রাভেল এজেন্সি থেকে এ সুবিধা নেওয়া যাবে।
ফ্লাইট সংক্রান্ত তথ্যের
জন্য যাত্রীদের বিমানের কল সেন্টারে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে অভ্যন্তরীণ: ১৩৬৩৬, আন্তর্জাতিক: +৮৮০৯৬১০৯ ১৩৬৩৬। যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্রয়োজন হলে হালনাগাদ তথ্য দ্রুত জানানো হবে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস দুঃখ প্রকাশ করেছে। মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আজও বাংলাদেশ থেকে ২৫ ফ্লাইট বাতিল, ৫ দিনে বাতিল ১৭৩টি মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণার পর থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একের পর এক ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে। বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, ৪ঠা মার্চ রাত ১২টার পর থেকে আজ মোট ২৫টি ফ্লাইট বাতিল
হয়েছে। এর মধ্যে কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৮টি, এমিরেটসের ৫টি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ৪টি ফ্লাইট রয়েছে। এর আগে গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি বাতিল হয় ২৩টি, ১লা মার্চ ৪০টি, ২রা মার্চ ৪৬টি এবং ৩রা মার্চ ৩৯টি ফ্লাইট। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত মোট ১৭৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। হঠাৎ এ পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যাত্রা পরিকল্পনাকারী যাত্রীদের মধ্যে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ছুটিতে দেশে আসা প্রবাসীদের নিজ নিজ কর্মস্থলে ফেরত যাওয়া নিয়েও তৈরি হয়েছে শংকা। সময়মত কর্মস্থলে যোগ দিতে না পারলে চাকরি নিয়ে তৈরি হতে পারে জটিলতা, এ নিয়ে প্রবাসীরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এদিকে ফ্লাইটের সময় পরিবর্তন
এবং বারবার বাতিল হওয়ার কারণে বিমানবন্দরের টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। অনেক যাত্রী অভিযোগ করেছেন যে তারা এয়ারলাইন্সগুলোর পক্ষ থেকে সঠিক তথ্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পাচ্ছেন না।
জন্য যাত্রীদের বিমানের কল সেন্টারে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে অভ্যন্তরীণ: ১৩৬৩৬, আন্তর্জাতিক: +৮৮০৯৬১০৯ ১৩৬৩৬। যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্রয়োজন হলে হালনাগাদ তথ্য দ্রুত জানানো হবে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস দুঃখ প্রকাশ করেছে। মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আজও বাংলাদেশ থেকে ২৫ ফ্লাইট বাতিল, ৫ দিনে বাতিল ১৭৩টি মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণার পর থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একের পর এক ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে। বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, ৪ঠা মার্চ রাত ১২টার পর থেকে আজ মোট ২৫টি ফ্লাইট বাতিল
হয়েছে। এর মধ্যে কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৮টি, এমিরেটসের ৫টি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ৪টি ফ্লাইট রয়েছে। এর আগে গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি বাতিল হয় ২৩টি, ১লা মার্চ ৪০টি, ২রা মার্চ ৪৬টি এবং ৩রা মার্চ ৩৯টি ফ্লাইট। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত মোট ১৭৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। হঠাৎ এ পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যাত্রা পরিকল্পনাকারী যাত্রীদের মধ্যে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ছুটিতে দেশে আসা প্রবাসীদের নিজ নিজ কর্মস্থলে ফেরত যাওয়া নিয়েও তৈরি হয়েছে শংকা। সময়মত কর্মস্থলে যোগ দিতে না পারলে চাকরি নিয়ে তৈরি হতে পারে জটিলতা, এ নিয়ে প্রবাসীরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এদিকে ফ্লাইটের সময় পরিবর্তন
এবং বারবার বাতিল হওয়ার কারণে বিমানবন্দরের টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। অনেক যাত্রী অভিযোগ করেছেন যে তারা এয়ারলাইন্সগুলোর পক্ষ থেকে সঠিক তথ্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পাচ্ছেন না।



