ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতায় তেহরানে পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল কি ইরানে নতুন হামলার পরিকল্পনা করছে?
যুক্তরাষ্ট্রের মতো ইউরোপও ভুল সিদ্ধান্তের ফল ভুগছে: আরাগচি
ট্রাম্প: রাশিয়াকে আলোচনার টেবিল থেকে সরাতে চাই না, শান্তি আলোচনায় “দারুণ অগ্রগতি”
ইইউ বাজারে রপ্তানিতে ধ্বসঃ তৈরি পোশাক রপ্তানি ১১.৬৭ শতাংশ কমেছে, আট মাসে ক্ষতি ১.৫৭ বিলিয়ন ইউরো
আইএমএফের পূর্বাভাস: চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ১০.৯ শতাংশে উঠতে পারে, দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ
লাখ লাখ টাকা চাঁদা-অবৈধ ফি’র চক্রে জিম্মি বাংলাদেশি শ্রমিকরা: জানালেন সিঙ্গাপুরের সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী
ভিয়েতনামের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন রাহুল গান্ধী, দাবি বিজেপির
বিরোধী দলগুলোর প্রতিবাদের মধ্যেই কংগ্রেস নেতা ও লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী আবারও বিদেশ সফরে গেছেন বলে দাবি করেছে ভারতের ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। একটি উড়োজাহাজের ভেতরের ভিডিও প্রকাশ করে দলটি দাবি করেছে, রাহুল গান্ধী ভিয়েতনামের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। এ নিয়ে তাকে কটাক্ষ করে বিজেপি বলেছে, প্রতিবাদ করতে করতে তিনি সম্ভবত ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন এবং বিরতি নিতে চলে গেছেন। তবে বিজেপির এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছে কংগ্রেস। খবর এনডিটিভির।
বিজেপির এক্স হ্যান্ডলে প্রকাশিত ভিডিওটিতে রাহুল গান্ধীকে একটি উড়োজাহাজে দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। ভিডিওটি এক সহযাত্রীর ধারণ করা বলে জানানো হয়। এর সঙ্গে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যে বিজেপি লিখেছে,
‘মিথ্যা ছড়াতে ছড়াতে খুব ক্লান্ত। কিছুদিন ভিয়েতনাম ঘুরে আসি, কে আর জানতে পারবে!’ বিজেপির মুখপাত্র আরপি সিং বলেন, ‘দেখুন, রাহুল গান্ধী প্রতিবারই এমন করেন। বিহারে যাত্রা করার পর তিনি দুই মাসের জন্য ছুটিতে বিদেশে চলে গিয়েছিলেন। সম্ভবত তখন ভিয়েতনামে গিয়েছিলেন, আর এবারও হয়তো ভিয়েতনামে গেছেন।’ বিজেপির আরেক নেতা অভিযোগ করেন, রাহুল গান্ধী খুব বেশি রাজনৈতিক পরিশ্রম করতে পারেন না। তাই কিছুদিন পরপরই ছুটিতে চলে যান। বিজেপি নেত্রী শাজিয়া ইলমি বলেন, ‘রাহুল গান্ধী আর নিতে পারছিলেন না। তিনি আর কতটুকুই বা পরিশ্রম করতে পারবেন? ভোট চুরির বিষয়টি কেবল একটা অজুহাত। তিনি কতটা অলস, তা সবাই জানে। এখন আবার তার পর্যটন শুরু হয়েছে। দেখা যাচ্ছে,
আবারও সফরে যাওয়ার আগে তিনি দুই সপ্তাহও কাজ করতে পারেননি। এবার তিনি আরেকটি সফরে ভিয়েতনামে গেছেন।’ বিজেপির সমালোচনার জবাব কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীর বিদেশ সফর নিয়ে বিজেপির সমালোচনাকে অপ্রয়োজনীয় বলে মন্তব্য করেছে কংগ্রেস। দলটির নেতা সন্দীপ দীক্ষিত বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা কোথায় যাবেন, কখন যাবেন—এ নিয়ে সমস্যা কোথায়? অন্যরা কি বিদেশে যান না? তিনি বলেন, ‘রাহুল গান্ধী একজন ব্যক্তি এবং বিরোধীদলীয় নেতা। তার কিছু দায়িত্ব রয়েছে। তিনি ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন, লন্ডনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং সেখানে বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারও দেন—যা প্রধানমন্ত্রী করেন না।’ বিজেপির সমালোচনার জবাবে সংসদ অধিবেশন চলাকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিদেশ সফরের প্রসঙ্গও তোলেন সন্দীপ দীক্ষিত। তিনি
বলেন, ‘তাহলে বিজেপির সমস্যা কোথায়? আমাদেরও একটি রীতি রয়েছে যে লোকসভার অধিবেশন চলাকালে প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে যাবেন না। কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী সেই রীতি ভেঙেছেন। তখন কেন কোনো প্রশ্ন ওঠে না?’ ভারতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন রাহুল গান্ধী। এ ইস্যুতে তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করেছেন। তবে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি। তাদের পাল্টা অভিযোগ, রাহুল গান্ধী ‘মিথ্যা ছড়াচ্ছেন’।
‘মিথ্যা ছড়াতে ছড়াতে খুব ক্লান্ত। কিছুদিন ভিয়েতনাম ঘুরে আসি, কে আর জানতে পারবে!’ বিজেপির মুখপাত্র আরপি সিং বলেন, ‘দেখুন, রাহুল গান্ধী প্রতিবারই এমন করেন। বিহারে যাত্রা করার পর তিনি দুই মাসের জন্য ছুটিতে বিদেশে চলে গিয়েছিলেন। সম্ভবত তখন ভিয়েতনামে গিয়েছিলেন, আর এবারও হয়তো ভিয়েতনামে গেছেন।’ বিজেপির আরেক নেতা অভিযোগ করেন, রাহুল গান্ধী খুব বেশি রাজনৈতিক পরিশ্রম করতে পারেন না। তাই কিছুদিন পরপরই ছুটিতে চলে যান। বিজেপি নেত্রী শাজিয়া ইলমি বলেন, ‘রাহুল গান্ধী আর নিতে পারছিলেন না। তিনি আর কতটুকুই বা পরিশ্রম করতে পারবেন? ভোট চুরির বিষয়টি কেবল একটা অজুহাত। তিনি কতটা অলস, তা সবাই জানে। এখন আবার তার পর্যটন শুরু হয়েছে। দেখা যাচ্ছে,
আবারও সফরে যাওয়ার আগে তিনি দুই সপ্তাহও কাজ করতে পারেননি। এবার তিনি আরেকটি সফরে ভিয়েতনামে গেছেন।’ বিজেপির সমালোচনার জবাব কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীর বিদেশ সফর নিয়ে বিজেপির সমালোচনাকে অপ্রয়োজনীয় বলে মন্তব্য করেছে কংগ্রেস। দলটির নেতা সন্দীপ দীক্ষিত বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা কোথায় যাবেন, কখন যাবেন—এ নিয়ে সমস্যা কোথায়? অন্যরা কি বিদেশে যান না? তিনি বলেন, ‘রাহুল গান্ধী একজন ব্যক্তি এবং বিরোধীদলীয় নেতা। তার কিছু দায়িত্ব রয়েছে। তিনি ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন, লন্ডনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং সেখানে বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারও দেন—যা প্রধানমন্ত্রী করেন না।’ বিজেপির সমালোচনার জবাবে সংসদ অধিবেশন চলাকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিদেশ সফরের প্রসঙ্গও তোলেন সন্দীপ দীক্ষিত। তিনি
বলেন, ‘তাহলে বিজেপির সমস্যা কোথায়? আমাদেরও একটি রীতি রয়েছে যে লোকসভার অধিবেশন চলাকালে প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে যাবেন না। কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী সেই রীতি ভেঙেছেন। তখন কেন কোনো প্রশ্ন ওঠে না?’ ভারতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন রাহুল গান্ধী। এ ইস্যুতে তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করেছেন। তবে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি। তাদের পাল্টা অভিযোগ, রাহুল গান্ধী ‘মিথ্যা ছড়াচ্ছেন’।



