ভারতের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিল মেক্সিকো, বড় ক্ষতির মুখে মোদি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫
     ৬:৪৫ পূর্বাহ্ণ

ভারতের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিল মেক্সিকো, বড় ক্ষতির মুখে মোদি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫ | ৬:৪৫ 67 ভিউ
যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের চার মাস পর এবার একই পথে হাঁটল মেক্সিকো। দেশটি এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের নির্দিষ্ট পণ্যে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ আমদানি শুল্ক অনুমোদন করেছে। ভারত, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়াসহ যেসব দেশের সঙ্গে মেক্সিকোর কোনো বাণিজ্যচুক্তি নেই, তারা এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভব করবে। খবর এনডিটিভির। ঘোষণা অনুযায়ী, নতুন শুল্কহার ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। জাতীয় শিল্প ও উৎপাদকদের সুরক্ষার লক্ষ্যে এসব শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। মেক্সিকোর সরকারি নথি অনুযায়ী, শুল্ক আরোপ করা হয়েছে— অটোপার্টস, লাইট কার, পোশাক, প্লাস্টিক, ইস্পাত, গৃহস্থালি যন্ত্রপাতি, খেলনা, টেক্সটাইল, আসবাব, জুতা, চামড়াজাত পণ্য, কাগজ, কার্ডবোর্ড, মোটরসাইকেল, অ্যালুমিনিয়াম, ট্রেইলার,

কাচ, সাবান, সুগন্ধি ও কসমেটিকসসহ বহু পণ্যে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন শুল্ক ভারতের প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। বিশেষভাবে ক্ষতির মুখে পড়বে ভারতের বৃহৎ গাড়ি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফক্সওয়াগন, হুন্ডাই, নিসান ও মারুতি সুজুকি বেশি ঝুঁকিতে। গাড়ির ওপর আমদানি শুল্ক ২০% থেকে বাড়িয়ে ৫০% করায় ভারতের সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাতগুলোর একটি বড় ধাক্কা খাবে। এ নিয়ে ভারতের অটোমোবাইল শিল্প সংগঠন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে বলেছে, শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ভারতের গাড়ি রপ্তানিতে সরাসরি প্রভাব ফেলবে। আমরা চাই ভারত সরকার মেক্সিকোর সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনায় বসুক। মেক্সিকো বর্তমানে ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম গাড়ি রপ্তানি বাজার। দক্ষিণ আফ্রিকা ও সৌদি আরবের পরই দেশটির

অবস্থান। তাই এত বড় শুল্ক বৃদ্ধি ভারতীয় রপ্তানিকারকদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে বলে বিশ্লেষকদের মত।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
পাতানো নির্বাচনে জামায়াতকে ক্ষমতায় বসানোর নীল নকশা কি চূড়ান্ত? ইসলামে নারীদের শীর্ষ পদে যাওয়ার সুযোগ নেইঃ জামায়াত এর নারী বিভাগের শীর্ষ নেত্রী শেখ হাসিনার সময় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছিলো, এখন নেপালও অবজ্ঞা করে: অধ্যাপক ইমতিয়াজ জামায়াতের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ভোটার স্থানান্তরের অভিযোগ: আসনভিত্তিক তথ্য চায় বিএনপি ছুটির দিনগুলোতে ভ্রমণকারীরা আশা করেননি যে সমুদ্র সৈকত এতটা সুন্দর হবে গণভোট—জনগণের কণ্ঠ, নাকি আগে থেকেই লেখা উত্তরের উপর সিলমোহর? যখন এক প্রশ্নে বহু সিদ্ধান্ত গুঁজে দেওয়া হয়, The Persecution Report accountability in Bangladesh under the interim administration led by Nobel laureate Muhammad Yunus. কর্মজীবী নারীকে ‘পতিতা’র সঙ্গে তুলনা: জামায়াত আমিরের নিঃশর্ত ক্ষমা দাবি প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের মুম্বাই হামলার কারিগররা এখন ঢাকায় ঢালাও ভিসা সুবিধায় পাকিস্তান থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ঢুকছে জঙ্গি, নীরব প্রশাসন! জামিন পাওয়ার পরও যদি জেলগেট থেকেই আবার ভুয়া মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয় ঘুষের বিনিময়ে দেশ বিক্রির রাজনীতির নামই ছিল বিএনপি–জামায়াত জুলাই–আগস্টে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের বিষয়ে সুশীল সমাজ চুপ কেন? Bail, Then Re-Arrested: Prison Gates Turned Into Tools of Political Vengeance গ্যাস সংকটে ক্ষুব্ধ জনতা, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ বাঙালি জাতির মুক্তির নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ডাকে জন্ম নিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান Biased Election, Broken Democracy এক সপ্তাহে ৮ বার অগ্নিসংযোগ: মিরসরাইয়ে ‘টার্গেট’ হিন্দু পরিবার, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে জাফরাবাদের রাজধানীতে ভুয়া ডিবি পরিচয়ে যুবলীগ নেতাকে তুলে নিয়ে রাতভর পৈশাচিক নির্যাতন: ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণের অভিযোগ