বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬
     ৯:৪০ অপরাহ্ণ

আরও খবর

লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে

‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ

তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা

মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা।

১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে?

ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী

চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন

বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৯:৪০ 11 ভিউ
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন যে ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে, তা দেশের অর্থনীতির জন্য এক মহাবিপর্যয়ের সংকেত। গত দশ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এডিপি বাস্তবায়ন, ঐতিহাসিক নিম্নমুখী বেসরকারি বিনিয়োগ, তলানিতে ঠেকে যাওয়া বিদেশি বিনিয়োগ আর অসহনীয় মূল্যস্ফীতি। কিন্তু এই বিপর্যয়ের পেছনে যে মূল কারণটি লুকিয়ে আছে, তা নিয়ে সিপিডি কিংবা অন্য কোনো গবেষণা সংস্থা খোলাখুলি কথা বলতে চায় না। সেটি হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের সহিংস দাঙ্গার মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকে অবৈধভাবে উৎখাত করে মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে একটি অগণতান্ত্রিক কাঠামোর ক্ষমতা দখল। এই তথাকথিত 'অন্তর্বর্তী সরকার' যার পেছনে বিদেশি অর্থায়ন, ইসলামিক জঙ্গিগোষ্ঠীর মদদ আর সামরিক বাহিনীর প্রত্যক্ষ সমর্থন ছিল, তারা দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের

দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত একটি সরকারকে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে হটিয়ে দেওয়ার ফলাফল এখন সাধারণ মানুষের জীবনে প্রতিদিন প্রকট হয়ে উঠছে। বাজারে চালের দাম, পেঁয়াজের দাম, তেলের দাম বাড়ছে। কিন্তু সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সম্ভাবনার। বিনিয়োগকারীরা, তারা দেশীয় হোক বা বিদেশি, সবার আগে যা খোঁজেন তা হলো স্থিতিশীলতা আর আইনের শাসন। একটি গণতান্ত্রিক সরকারকে জোর করে সরিয়ে যখন অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করা হয়, তখন সেই দেশে কোনো বিনিয়োগকারী তার অর্থ লগ্নি করতে চান না। এটাই স্বাভাবিক। সিপিডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বেসরকারি বিনিয়োগ ঐতিহাসিকভাবে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে। কিন্তু কেন নেমে গেছে? কারণ ব্যবসায়ীরা জানেন না আগামীকাল কী

হবে, কোন নীতি থাকবে, কোন আইন বলবৎ হবে। যে দেশে সংবিধান মেনে চলা হয় না, সেখানে ব্যবসায়িক চুক্তিও নিরাপদ নয়। বিদেশি বিনিয়োগ তো আরও সংবেদনশীল বিষয়। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা দেখছেন একটি দেশে সামরিক সমর্থনে ক্যু হয়েছে, যেখানে জঙ্গিগোষ্ঠীর প্রভাব রয়েছে, যেখানে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ আছে। এমন পরিবেশে কে বিনিয়োগ করবে? ফলে বিদেশি বিনিয়োগও তলানিতে ঠেকেছে। আর বিনিয়োগ না হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় না, বেকারত্ব বাড়ে, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়। এটাই এখন ঘটছে। মুহাম্মদ ইউনুস যাকে সুদী মহাজন হিসেবেই বেশি চেনা যায়, তিনি কখনোই দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা রাখেন না। ক্ষুদ্রঋণের ব্যবসা করা আর একটি দেশের অর্থনীতি পরিচালনা করা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। তার তথাকথিত সরকার

গত কয়েক মাসে যা করেছে, তা দেশের অর্থনীতিকে সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। এডিপি বাস্তবায়ন কমে যাওয়ার অর্থ হলো সরকারি প্রকল্পগুলো আটকে আছে, উন্নয়ন কাজ থমকে গেছে, যেখানে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত ছিল। রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রেও চরম ব্যর্থতা দেখা যাচ্ছে। সিপিডি বলছে রাজস্ব বাড়াতে নতুন পথ খুঁজতে হবে, করদাতাদের উৎসাহিত করতে হবে। কিন্তু মানুষ কেন কর দেবে একটি অবৈধ সরকারকে? যে সরকারের কোনো গণতান্ত্রিক বৈধতা নেই, যে সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি, সেই সরকারের প্রতি মানুষের কী দায়বদ্ধতা থাকতে পারে? এটা মৌলিক প্রশ্ন যা অর্থনীতিবিদরা এড়িয়ে যাচ্ছেন। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতির বিষয়টি আরও ভয়াবহ। বিশ্ববাজারে চালের দাম কমলেও বাংলাদেশে কমছে না কেন? সিপিডি বলছে

মজুতদারি, মধ্যস্বত্বভোগী, সরবরাহ ব্যবস্থার সমস্যা। কিন্তু আসল সত্য হলো যখন একটি দেশে অস্থিতিশীলতা থাকে, যখন আইনের শাসন দুর্বল হয়ে যায়, তখন মজুতদার আর কালোবাজারিরা সুযোগ নেয়। ইউনুসের অবৈধ সরকারের আমলে এই মজুতদারদের বিরুদ্ধে কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কেন হবে? যারা অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছে, তারা আবার আইন প্রয়োগ করবে কীভাবে? ব্যাংক খাতের যে বিপর্যয়ের কথা বলা হচ্ছে, তাও রাতারাতি হয়নি। কিন্তু যখন একটি গণতান্ত্রিক সরকার থাকে, তখন অন্তত সংস্কারের একটা পথ খোলা থাকে। ইউনুসের অবৈধ শাসনে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার সম্ভব নয়। কারণ তার সরকারের নিজেরই কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বৈধতা নেই। যে সরকার নিজে সংবিধানবহির্ভূত, সে আবার কীভাবে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার করবে? এটা পরিহাস

ছাড়া আর কিছু নয়। সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে দেশের তরুণ প্রজন্মের। সিপিডির ড. ফাহমিদা খাতুন ঠিকই বলেছেন দেশের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা হলো বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী। কিন্তু সেই তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান কোথায়? বিনিয়োগ নেই, নতুন কারখানা হচ্ছে না, চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে না। তরুণরা হতাশ হয়ে পড়ছে। অনেকে দেশ ছেড়ে যাওয়ার কথা ভাবছে। এটাই কি চেয়েছিলেন যারা জুলাইয়ের দাঙ্গার নামে দেশকে অস্থিতিশীল করেছিলেন? বিদেশি অর্থায়নের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। জুলাইয়ের দাঙ্গার পেছনে যে বিদেশি শক্তির মদদ ছিল, সে বিষয়ে এখন আর সন্দেহ নেই। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আর গবেষণা প্রতিবেদনে এর ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এই বিদেশি শক্তিগুলো বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি আর অর্থনৈতিক প্রগতি মেনে নিতে পারছিল

না। তারা চেয়েছিল একটি দুর্বল, নির্ভরশীল বাংলাদেশ। ইউনুসকে ক্ষমতায় বসিয়ে তারা সেই লক্ষ্যই অর্জন করেছে। ইসলামিক জঙ্গিগোষ্ঠীর সংযোগও উপেক্ষা করা যায় না। জুলাইয়ের সহিংসতায় যে ধরনের সংগঠিত হামলা হয়েছিল, তা সাধারণ ছাত্র আন্দোলন দিয়ে সম্ভব ছিল না। পেছনে ছিল সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র, প্রশিক্ষিত জঙ্গি আর বিদেশি অস্ত্র। এই জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো এখন ইউনুসের সরকারের ছত্রছায়ায় শক্তিশালী হচ্ছে। এটা দেশের নিরাপত্তার জন্য যেমন হুমকি, তেমনি অর্থনীতির জন্যও মারাত্মক। কোনো বিদেশি বিনিয়োগকারী জঙ্গিবাদের হুমকিতে থাকা দেশে আসবে না। সামরিক বাহিনীর ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ। একটি গণতান্ত্রিক দেশে সামরিক বাহিনী রাজনীতিতে নিরপেক্ষ থাকার কথা। কিন্তু জুলাইয়ের ঘটনায় সামরিক বাহিনীর যে ভূমিকা ছিল, তা স্পষ্টতই সাংবিধানিক নিয়মের বাইরে। তারা নির্বাচিত সরকারকে রক্ষা করেনি, বরং অবৈধ ক্ষমতা দখলকে সমর্থন দিয়েছে। এর ফলে দেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়েছে, যা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। সিপিডি যখন বলছে নির্বাচন পরবর্তী সরকারকে সংস্কার চালিয়ে যেতে হবে, তখন প্রশ্ন আসে সেই নির্বাচনটা হবে কীভাবে? ইউনুসের অবৈধ সরকারের তত্ত্বাবধানে যদি কোনো নির্বাচন হয়, তা কি সুষ্ঠু হবে? যে শক্তি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে পদদলিত করে ক্ষমতায় এসেছে, তারা কি আবার গণতান্ত্রিক নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে? এটা বিশ্বাস করা কঠিন। অর্থনৈতিক সূচকগুলো যত খারাপ হচ্ছে, সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ তত বাড়ছে। যে মানুষগুলো তথাকথিত 'বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন' দেখে স্বপ্ন দেখেছিল, তারা এখন বাস্তবতার মুখোমুখি। বাজারে গিয়ে তারা দেখছে দাম বেড়েছে, চাকরি খুঁজছে পাচ্ছে না, ব্যবসা করতে গেলে পুঁজি পাচ্ছে না, ব্যাংক থেকে ঋণ মিলছে না। এই ভোগান্তি আর হতাশার দায় কার? যারা দেশকে অস্থিতিশীল করেছে, যারা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে, সেই ইউনুস আর তার সমর্থকদের। আরও হাস্যকর ব্যাপার হলো ইউনুস নিজে একজন সুদী মহাজন, যিনি গরিব মানুষের কাছে উচ্চ সুদে ঋণ দিয়ে মুনাফা করেছেন। তিনি এখন দেশের অর্থনীতির হাল ধরতে বসেছেন। তার কোনো অভিজ্ঞতা নেই সামষ্টিক অর্থনীতি পরিচালনায়, নেই কোনো জনগণের প্রতি জবাবদিহিতা। তিনি কোনো নির্বাচনে দাঁড়াননি, জনগণ তাকে ভোট দেয়নি। তবুও তিনি দেশ চালাচ্ছেন। এর চেয়ে বড় পরিহাস আর কী হতে পারে? ড. ফাহমিদা খাতুন বলেছেন রাজনৈতিক অঙ্গীকার, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার আর নীতিগত সিদ্ধান্ত দরকার। কিন্তু যে সরকারের কোনো রাজনৈতিক বৈধতাই নেই, তারা কী অঙ্গীকার করবে? যে সরকার নিজেই অসাংবিধানিক, তারা কীভাবে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার করবে? এগুলো শুধু কথার কথা, বাস্তবে কিছুই হবে না। জাতীয় নিরাপত্তার অংশ হিসেবে খাদ্য নিরাপত্তার কথাও বলা হয়েছে। কিন্তু যে সরকার জঙ্গিগোষ্ঠীকে প্রশ্রয় দিচ্ছে, যে সরকার বিদেশি শক্তির পুতুল, তারা কীভাবে জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে? এটা চরম বিদ্রূপ। বাংলাদেশ একসময় দক্ষিণ এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতি হিসেবে পরিচিত ছিল। প্রবৃদ্ধির হার ভালো ছিল, দারিদ্র্য কমছিল, মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হচ্ছিল। কিন্তু ইউনুসের অবৈধ শাসন সেই সব অর্জনকে মুছে দিচ্ছে। দেশ পিছিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারাচ্ছে। প্রতিবেশী দেশগুলো সন্দেহের চোখে দেখছে। সবচেয়ে বেদনাদায়ক বিষয় হলো দেশের সাধারণ মানুষ এর শিকার। যারা নিজেদের জীবনমান উন্নয়নের স্বপ্ন দেখে কঠোর পরিশ্রম করছে, তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ছাত্ররা চাকরি পাচ্ছে না, কৃষক ফসলের দাম পাচ্ছে না, ব্যবসায়ী ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। আর এই সবকিছুর জন্য দায়ী ইউনুসের অবৈধ সরকার। সিপিডির প্রতিবেদনে যে সব সংখ্যা এসেছে, তা আসলে একটি বৃহত্তর ট্র্যাজেডির ইঙ্গিত দেয়। এটা শুধু অর্থনৈতিক সংকট নয়, এটা একটা রাজনৈতিক আর নৈতিক সংকট। যখন একটি দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে জোর করে উৎখাত করা হয়, তখন শুধু রাজনীতিই ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, অর্থনীতিও ধ্বংস হয়। কারণ অর্থনীতি আর রাজনীতি পরস্পর সংযুক্ত। স্থিতিশীল রাজনীতি ছাড়া স্থিতিশীল অর্থনীতি সম্ভব নয়। ইউনুস দেশটাকে শেষ করে ফেলেছে। এটা অতিশয়োক্তি নয়, বরং তিক্ত বাস্তবতা। প্রতিটি অর্থনৈতিক সূচক নিচে নামছে, প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্প থমকে যাচ্ছে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠান দুর্বল হচ্ছে। আর এসবের মূলে আছে জুলাইয়ের সেই অবৈধ ক্যু, যা বিদেশি টাকায়, জঙ্গিদের সহায়তায় আর সামরিক বাহিনীর সমর্থনে সংগঠিত হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?