ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতায় তেহরানে পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির
ভিয়েতনামের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন রাহুল গান্ধী, দাবি বিজেপির
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল কি ইরানে নতুন হামলার পরিকল্পনা করছে?
যুক্তরাষ্ট্রের মতো ইউরোপও ভুল সিদ্ধান্তের ফল ভুগছে: আরাগচি
ট্রাম্প: রাশিয়াকে আলোচনার টেবিল থেকে সরাতে চাই না, শান্তি আলোচনায় “দারুণ অগ্রগতি”
ইইউ বাজারে রপ্তানিতে ধ্বসঃ তৈরি পোশাক রপ্তানি ১১.৬৭ শতাংশ কমেছে, আট মাসে ক্ষতি ১.৫৭ বিলিয়ন ইউরো
আইএমএফের পূর্বাভাস: চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ১০.৯ শতাংশে উঠতে পারে, দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ
বিশ্ববাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হারসংক্রান্ত সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত নিয়ে বিনিয়োগকারীদের অপেক্ষার মধ্যে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা বেড়েছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) তেলের দাম কমে আসায় মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ কিছুটা প্রশমিত হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক তথ্য ও চলতি বছরের শেষ দিকে সুদের হারের গতিপথ মূল্যায়ন করছেন বিনিয়োগকারীরা।
এদিন বাংলাদেশ সময় সকাল ১টা ৪১ মিনিটে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ০.৪ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ১৮১ ডলার ৮৪ সেন্টে দাঁড়ায়। অন্যদিকে, ডিসেম্বর সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণের ফিউচার দর ০.৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২০২ ডলার ৭০ সেন্টে পৌঁছায়।
সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম পাঁচ মাসের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে নেমে আসে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ও শুল্কে ছাড় দেওয়ার পর দেশটি থেকে জ্বালানি রপ্তানি বাড়তে পারে—এমন সম্ভাবনার মধ্যে বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নেওয়ায় তেলের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দেয়। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) ও উৎপাদক মূল্যসূচক (পিপিআই) প্রত্যাশার তুলনায় শক্তিশালী অবস্থানে ছিল। এর পেছনে জ্বালানির, বিশেষ করে পেট্রলের দাম বেড়ে যাওয়ার ভূমিকা ছিল। তবে তেলের দাম কমে আসায় মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, ‘সপ্তাহের শুরুতে স্বর্ণের দামে সামান্য বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। মূল্যস্ফীতির দৃষ্টিকোণ থেকে তেলের দামে নরম প্রবণতা স্বর্ণের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘নিকট ভবিষ্যতে তেলের দাম আরও
ধারাবাহিকভাবে কমে আসা অথবা যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের সুদহার স্পষ্টভাবে নিম্নমুখী হওয়া বাজারের জন্য সবচেয়ে ইতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। কারণ, এতে মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার নিয়ে উদ্বেগ কমবে।’ বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির সুদের হারসংক্রান্ত বৈঠক এবং আগামী সপ্তাহে প্রকাশিতব্য ব্যক্তিগত ভোগ ব্যয় (পিসিই) মূল্যসূচকের তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল্যস্ফীতির দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য ২ শতাংশের সঙ্গে সামঞ্জস্য যাচাই করতে পিসিই মূল্যসূচককে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে ব্যবহার করে। সিএমই গ্রুপের ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা ১৫ শতাংশ এবং ডিসেম্বরে বাড়ানোর সম্ভাবনা ৮৯ শতাংশ ধরে হিসাব করছেন বাজারের ব্যবসায়ীরা। সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষিত বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণকে বিবেচনা
করা হয়। তবে স্বর্ণ থেকে নিয়মিত সুদ বা আয় পাওয়া যায় না। ফলে সুদের হার বাড়লে বিনিয়োগকারীদের কাছে স্বর্ণের আকর্ষণ কমতে পারে। এদিকে মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবিলায় ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি বছরের মধ্যে অন্তত আরও একবার সুদের হার ২৫ ভিত্তি পয়েন্ট বাড়াতে পারে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। শুক্রবার সংস্থাটি এ পূর্বাভাস দেয়। স্বর্ণের পাশাপাশি সোমবার অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও বেড়েছে। স্পট মার্কেটে রুপার দাম প্রায় ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫৭ ডলার ৫৩ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনামের দাম ১.৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৬৫১ ডলার ৬৭ সেন্ট এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১.৪ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ১২৭ ডলার ৫৯ সেন্টে পৌঁছেছে। সূত্র:
রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ও শুল্কে ছাড় দেওয়ার পর দেশটি থেকে জ্বালানি রপ্তানি বাড়তে পারে—এমন সম্ভাবনার মধ্যে বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নেওয়ায় তেলের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দেয়। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) ও উৎপাদক মূল্যসূচক (পিপিআই) প্রত্যাশার তুলনায় শক্তিশালী অবস্থানে ছিল। এর পেছনে জ্বালানির, বিশেষ করে পেট্রলের দাম বেড়ে যাওয়ার ভূমিকা ছিল। তবে তেলের দাম কমে আসায় মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, ‘সপ্তাহের শুরুতে স্বর্ণের দামে সামান্য বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। মূল্যস্ফীতির দৃষ্টিকোণ থেকে তেলের দামে নরম প্রবণতা স্বর্ণের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘নিকট ভবিষ্যতে তেলের দাম আরও
ধারাবাহিকভাবে কমে আসা অথবা যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের সুদহার স্পষ্টভাবে নিম্নমুখী হওয়া বাজারের জন্য সবচেয়ে ইতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। কারণ, এতে মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার নিয়ে উদ্বেগ কমবে।’ বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির সুদের হারসংক্রান্ত বৈঠক এবং আগামী সপ্তাহে প্রকাশিতব্য ব্যক্তিগত ভোগ ব্যয় (পিসিই) মূল্যসূচকের তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল্যস্ফীতির দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য ২ শতাংশের সঙ্গে সামঞ্জস্য যাচাই করতে পিসিই মূল্যসূচককে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে ব্যবহার করে। সিএমই গ্রুপের ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা ১৫ শতাংশ এবং ডিসেম্বরে বাড়ানোর সম্ভাবনা ৮৯ শতাংশ ধরে হিসাব করছেন বাজারের ব্যবসায়ীরা। সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষিত বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণকে বিবেচনা
করা হয়। তবে স্বর্ণ থেকে নিয়মিত সুদ বা আয় পাওয়া যায় না। ফলে সুদের হার বাড়লে বিনিয়োগকারীদের কাছে স্বর্ণের আকর্ষণ কমতে পারে। এদিকে মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবিলায় ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি বছরের মধ্যে অন্তত আরও একবার সুদের হার ২৫ ভিত্তি পয়েন্ট বাড়াতে পারে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। শুক্রবার সংস্থাটি এ পূর্বাভাস দেয়। স্বর্ণের পাশাপাশি সোমবার অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও বেড়েছে। স্পট মার্কেটে রুপার দাম প্রায় ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫৭ ডলার ৫৩ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনামের দাম ১.৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৬৫১ ডলার ৬৭ সেন্ট এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১.৪ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ১২৭ ডলার ৫৯ সেন্টে পৌঁছেছে। সূত্র:
রয়টার্স



