বিএনপির ৩ গ্রুপ একে অপরকে ছাড় দিতে নারাজ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৪ September, ২০২৪

আরও খবর

বাংলাদেশ নিয়ে বাইডেন প্রশাসনের ভূমিকা তদন্তের দাবি, ওয়াশিংটনে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের পর Newsmax-এ বিশেষ কলাম

জাতীয়ভাবে উপেক্ষিত জেলহত্যা দিবস, সিলেটে নিষেধাজ্ঞা, মব-গ্রেফতার হুমকির মাথায় নিয়েই আওয়ামী লীগের জাতীয় নেতাদের স্মরণ

জুলাইর ওয়াসিম হত্যা-মামলার আসামিকে এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্ব দেওয়া কি পুরস্কার? প্রশ্ন- কারা মেরেছে তবে ওয়াসিমকে?

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের অসন্তোষ পর্যবেক্ষণ করছে ভারত: জয়সোয়াল

জগন্নাথ হলে মব করে ছাত্রলীগ নেতা অর্ক সাহাকে থানায় দিল ছাত্রদল

রাষ্ট্রের ক্ষমতা-কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তন হয়নি: জেএসডি

সরকার যদি জনগণের মত অগ্রাহ্য করে, তা চরম মূল্যে দেবে: শফিকুর রহমান

বিএনপির ৩ গ্রুপ একে অপরকে ছাড় দিতে নারাজ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৪ September, ২০২৪ |
লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপি তিন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে কোন্দল এখন প্রকাশ্যে রূপ নিয়েছে। তিনটি গ্রুপই নিজেদের শক্তির মহড়া প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে চরম আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি লোহাগাড়া সদর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে সমাবেশ করতে বাধা দিয়েছে একটি পক্ষ। এ নিয়ে এলাকায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। দীর্ঘদিন স্বৈরচারী আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকায় প্রকাশ্যে মিটিং-মিছিল করতে পারেনি উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা। সরকার পতনের পর পরই প্রকাশ্যে মিছিল-মিটিং করছেন নেতাকর্মীরা। তবে ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপে মিছিল-মিটিং হওয়ায় নেতাকর্মীরা হতাশ হচ্ছেন। মূলত ২০২০ সালে লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠনের পর থেকেই গ্রুপিং সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রকাশ্যে এসেছে দলীয় কোন্দল। চার বছরেও করতে পারেনি

পূর্ণাঙ্গ কমিটি। অভিযোগ উঠেছে— দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। যার ফলে তিনটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে একে অপরকে ছাড়তে নারাজ। অনুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলা বিএনপির তিনটি গ্রুপ হলো— বিএনপির আহ্বায়ক নাজমুল মোস্তফা আমিন গ্রুপ, সাবেক সভাপতি আসহাব উদ্দিন ও সদস্য সচিব সাজ্জাদুর রহমান গ্রুপ ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম ছলিম উদ্দিন চৌধুরী খোকন গ্রুপ। স্বৈরচারী আওয়ামী সরকারের পতনের পর প্রতিটি গ্রুপ আলাদা আলাদাভাবে পালন করে নানা কর্মসূচি। অভিযোগ রয়েছে, বিগত ১৭ বছর উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে কোনো সভা-সমাবেশ হয়নি। এ ছাড়া আহ্বায়ক কমিটিতে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ও ত্যাগী বিএনপি নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা হয়নি। যার কারণে বর্তমানে উপজেলা বিএনপি তিন গ্রুপে বিভক্ত এবং একে

অপরকে ছাড় দিতে নারাজ। এদিকে লোহাগাড়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ে সম্মেলন করে পালটাপালটি কমিটি গঠন করেন আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব। এতে আরও বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে। বিগত ৫ আগস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকার পদত্যাগের পর প্রকাশ্যে কোন্দল আরও বেড়ে যায়। উপজেলা বিএনপি নেতা আবুল হাশেম বলেন, বিএনপি হচ্ছে বড় দল। বড় দল হিসেবে গ্রুপিং বা দ্বন্দ্ব থাকতে পারে। তবে দলের হাইকমান্ড নির্দেশ দিলে সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে। কিছু সংখ্যাঘরিষ্ঠ নেতাকর্মী নিজেদের আধিপত্য ও বংশগত বিস্তার করার জন্য গ্রুপিং সৃষ্টি করবে। দল যাদের পদ পদবি দেবে, তারাই দল ঘোছানোর কাজ করবে। প্রবীণ বিএনপি যারা নামধারী আন্দোলন করছে গোষ্ঠীর অস্তিত্ব

বজায় রাখার জন্য গ্রুপিং সৃষ্টি করেছে। কিছু নামধারী বিএনপি আওয়ামী লীগ সমর্থিত তারা নিজেদের অস্থিত্ব জিয়ে রাখার জন্য গ্রুপিং সৃষ্টি করে রেখেছে। ক্ষোভ প্রকাশ করে দক্ষিণ জেলা বিএনপি সদস্য ছলিম উদ্দিন চৌধুরী খোকন বলেন, উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটি গঠনে দলের ত্যাগী ও সাবেক ছাত্র নেতাদের মূল্যায়ন করা হয়নি। মনগড়া আহ্বায়ক কমিটি গঠন হওয়াতে গ্রুপিং সৃষ্টি হওয়ার মূলকারণ বলে মন্তব্য করেন তিনি। লোহাগাড়া বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব সাজ্জাদুর রহমান বলেন, আহ্বায়ক কমিটি গঠনের সময় দক্ষিণ জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তিন গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগ করে কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া বিগত সরকারের সময় আমি ও আমার নেতাকর্মীরা গায়েবী মামলাসহ জেল খেটেছে। তবে

বিভক্ত বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করতে দক্ষিণ জেলা বিএনপি যে নির্দেশনা দেবেন তা মেনে নেব। উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নাজমুল মোস্তফা আমিন বলেন, উপজেলা বিএনপিতে পদ পদবী না থাকলে গ্রুপিং করে এটি কিসের ইঙ্গিত বুঝে নিতে হবে। সাবেকরা বিরোধ করবে কেন, মুরব্বি হিসেবে দলকে সামনে নিয়ে যাবে। আমদের মধ্যে কোনো গ্রুপিং নেই। যারা দায়িত্বপ্রাপ্ত নয় তারাই গ্রুপিং গ্রুপিং খেলাটা জমিয়ে রেখেছে। আহ্বায়ক কমিটি গঠনে সম্পূর্ণ গঠনতন্ত্র মেনে গঠন হয়েছে। এখানে সাবেক নেতাদের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছিল। বিগত ১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের দমন-পীড়ন উপেক্ষা করে বিএনপির প্রতিটি কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছি। দায়িত্ব পাওয়ার পরও কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছি। প্রতিটি ইউনিয়নে সম্মেলন করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে

সম্মেলন করতে জেলা কমিটির সঙ্গে আলোচনা করেছি। দেশের অরাজকতা পরিস্থিতির কারণে সম্মেলন করা হয়নি। যারা গ্রুপিং করছে, বিগত ৫ আগস্ট স্বৈরচারী সরকার পতনের আগে মাঠে ছিল কিনা। সরকার পতনের পর কেন গ্রুপিং কেন শুরু করছে ভাবার বিষয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য শ্রীলঙ্কার কোচের হুমকি, ফারহানের জার্সি নিলে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের কারণ ইরান যুদ্ধ: জেডি ভ্যান্স কুমিল্লা ইলিশবাহী পিকআপে ডাকাতির পর ১৯ আসামি গ্রেপ্তার সাংবাদিক রাজীব ঘোষকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া নিয়ে ডিআরইউ ও ক্র্যাবের উদ্বেগ ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ থেকে ডিজিই-পে বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক তরঙ্গ নবায়ন ব্যয় যৌক্তিক করার আহ্বান মোবাইল অপারেটরদের