
ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর

টাকার হিসাব নিয়ে বিরোধের জেরে যুবদল নেতা নিহত, বিএনপি নেতার বাড়িতে আগুন

গিনির দাপটে ভাতিজা কোটিপতি

রংপুরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত ২০

ঈদেও নিষ্ক্রিয় সেই সব ‘কিংস পার্টি’

রোডম্যাপসহ নানা দাবি উত্তপ্ত হবে রাজপথ

‘দল ক্ষমতায় না গেলেও মিথ্যা মামলা, হামলা ও চাঁদাবাজি শুরু করেছে’

পরিস্থিতি বুঝে জোটবদ্ধ নির্বাচন করতে বাঁধা নেই: আখতার হোসেন
বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১

রংপুরের বদরগঞ্জে ভাড়াটিয়া ও দোকান মালিকের দ্বন্ধের জেরে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় লাভলু মিয়া (৫০) নামে ১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২০ জন, পাঁচ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শনিবার দুপুরে রংপুরের বদরগঞ্জ পৌরশহরে এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় বিএনপির তিন নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছে। তারা হলেন- বদরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলী সরকার, উপজেলা বিএনপির সিনিয়ন যুগ্ম আহবায়ক হুমায়ুন কবির মানিক ও বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কালুপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারমান শহিদুল হক মানিক।
নিহত লাভলু মিয়া বদরগঞ্জ উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের রাজামরামপুর গ্রামের মহসিন আলীর ছেলে।
উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বদরগঞ্জ পৌরশহরের
কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার সংলগ্ন ঢেউটিন ব্যবসায়ী জাহিদুল হক জোয়ারদার। তিনি একই এলাকার ইশতিয়াক বাবু নামে এক ব্যক্তির দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করে আসছেন। সম্প্রতি দোকান ঘর ছেড়ে দেওয়ার জন্য ইসতিয়াক বাবু ভাড়াটিয়া জাহিদুলকে নোটিশ করেন। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে দুই পক্ষের মধ্যে চরম দ্বন্ধ বিরাজ করছিল। ব্যবসায়ী জাহিদুল হক বিএনপির উপজেলা কমিটির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কালুপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল হক মানিককে বিষয়টি জানান। অন্যদিকে দোকান মালিক ইশতিয়াক বাবু বদরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির অন্যতম নেতা সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলী সরকারের কাছে বিষয়টি জানিয়ে মীমাংসার প্রস্তাব দেন। এই ঘটনার জেরে মোহাম্মদ আলী সরকার ও শহিদুল হক মানিকের মধ্যে দ্বন্ধের সৃষ্টি হয়।
উভয় পক্ষই শক্তির মহড়ায় মাঠে নামেন, সর্বশেষ শনিবার শহিদুল হক মানিকসহ তার লোকজন ভাড়াটিয়ার পক্ষে সশস্ত্র মহড়া শুরু করলে মোহাম্মদ আলী সরকারের লোকজন বাঁধা দেন। পরে শহিদুল হক মানিকের লোকজন ভাড়াটিয়া জাহিদুল ইসলাম জোয়ারদারের পক্ষে দোকান খুলে দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে। এ খবর জানতে পেরে মোহাম্মদ আলী সরকারের লোকজন দোকান মালিক ইশতিয়াক বাবুর পক্ষে প্রতিরাধ গড়ে তুললে প্রতিপক্ষের মানবন্ধন ও সমাবেশ করা সম্ভব হয়নি। এনিয়ে সকাল থেকে শুরু হয় দুই পক্ষের দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, এক পর্যায়ে তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রুপ নেয়। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পথচারী ও ব্যবসায়ীসহ সাধারণ
মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন। নিজেদের জানমাল রক্ষায় পৌরশহরের সকল দোকানপাট বন্ধ করে দেন ব্যবসায়ীরা। সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় মোহাম্মদ আলী সরকারের সমর্থক বিএনপির ১৫ কর্মী আহত হন। এদের মধ্যে দুইজন পথচারি ও ৩ জন শহিদুল হক মানিকের সমর্থক রয়েছেন। এদের মধ্যে ৫ জনকে রমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সন্ধ্যা ৬টায় লাভলু মিয়া মারা যান। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিএনপির জেলা কমিটির সদস্য সচিব আনিছুর রহমান জানান, সংঘর্ষে আমাদের একজন দলীয় কর্মী লাভলু মিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনা সম্পর্কে বদরগঞ্জ থানার ওসি একেএম আতিকুর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা
হয়েছে। সংঘর্ষে একজন মারা গেছেন কেউ এ নিয়ে অভিযোগ করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার সংলগ্ন ঢেউটিন ব্যবসায়ী জাহিদুল হক জোয়ারদার। তিনি একই এলাকার ইশতিয়াক বাবু নামে এক ব্যক্তির দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করে আসছেন। সম্প্রতি দোকান ঘর ছেড়ে দেওয়ার জন্য ইসতিয়াক বাবু ভাড়াটিয়া জাহিদুলকে নোটিশ করেন। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে দুই পক্ষের মধ্যে চরম দ্বন্ধ বিরাজ করছিল। ব্যবসায়ী জাহিদুল হক বিএনপির উপজেলা কমিটির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কালুপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল হক মানিককে বিষয়টি জানান। অন্যদিকে দোকান মালিক ইশতিয়াক বাবু বদরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির অন্যতম নেতা সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলী সরকারের কাছে বিষয়টি জানিয়ে মীমাংসার প্রস্তাব দেন। এই ঘটনার জেরে মোহাম্মদ আলী সরকার ও শহিদুল হক মানিকের মধ্যে দ্বন্ধের সৃষ্টি হয়।
উভয় পক্ষই শক্তির মহড়ায় মাঠে নামেন, সর্বশেষ শনিবার শহিদুল হক মানিকসহ তার লোকজন ভাড়াটিয়ার পক্ষে সশস্ত্র মহড়া শুরু করলে মোহাম্মদ আলী সরকারের লোকজন বাঁধা দেন। পরে শহিদুল হক মানিকের লোকজন ভাড়াটিয়া জাহিদুল ইসলাম জোয়ারদারের পক্ষে দোকান খুলে দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে। এ খবর জানতে পেরে মোহাম্মদ আলী সরকারের লোকজন দোকান মালিক ইশতিয়াক বাবুর পক্ষে প্রতিরাধ গড়ে তুললে প্রতিপক্ষের মানবন্ধন ও সমাবেশ করা সম্ভব হয়নি। এনিয়ে সকাল থেকে শুরু হয় দুই পক্ষের দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, এক পর্যায়ে তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রুপ নেয়। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পথচারী ও ব্যবসায়ীসহ সাধারণ
মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন। নিজেদের জানমাল রক্ষায় পৌরশহরের সকল দোকানপাট বন্ধ করে দেন ব্যবসায়ীরা। সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় মোহাম্মদ আলী সরকারের সমর্থক বিএনপির ১৫ কর্মী আহত হন। এদের মধ্যে দুইজন পথচারি ও ৩ জন শহিদুল হক মানিকের সমর্থক রয়েছেন। এদের মধ্যে ৫ জনকে রমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সন্ধ্যা ৬টায় লাভলু মিয়া মারা যান। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিএনপির জেলা কমিটির সদস্য সচিব আনিছুর রহমান জানান, সংঘর্ষে আমাদের একজন দলীয় কর্মী লাভলু মিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনা সম্পর্কে বদরগঞ্জ থানার ওসি একেএম আতিকুর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা
হয়েছে। সংঘর্ষে একজন মারা গেছেন কেউ এ নিয়ে অভিযোগ করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।