ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশজুড়ে একে একে খুলছে আওয়ামী লীগের কার্যালয়
আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও বালিয়াডাংগী উপজেলা যুব লীগের সাবেক সভাপতির মৃত্যু বরন
বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় চালু করা হয় এবং পতাকা উত্তোলন করা হয়।
জাইমা রহমানের বিরুদ্ধে ‘ডিজিটাল চরিত্র হনন’: ক্ষমতাসীনদের পাশে দাঁড়িয়ে রাজনৈতিক শিষ্টাচারের ডাক ছাত্রলীগ নেতার
খুলনা বিভাগে বিএনপির বিপর্যয়ের নেপথ্যে চাঁদাবাজি-গ্রুপিং আর সাবেক মুসলিম লীগের ভোট দাঁড়িপাল্লায়
অর্থ জালিয়াতির মামলায় গ্রেপ্তার এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ
আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়: সজীব ওয়াজেদ জয়
বাগেরহাটে বিএনপির সম্মেলন ঘিরে সহিংসতা, আহত অন্তত ৫০
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (৩ আগস্ট) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সন্নাসী বাজার ও আশপাশের এলাকায় কয়েক দফায় এ সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ৫০ জন আহত হন বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরেই সভাপতি পদে আব্দুল আলিম হাওলাদার ও সাজারুল ইসলাম সাজু সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলছিল।
শনিবার রাতে একপক্ষের নেতা-কর্মীরা অপর পক্ষের শীর্ষ নেতাসহ অন্তত ১১ জনকে মারধর করে। আহতদের কয়েকজন বর্তমানে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পরদিন বিকেলে হামলার প্রতিবাদে ও অভিযুক্তদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়, যেখানে পুলিশের অনুমতিও নেওয়া হয়েছিল।
কিন্তু কর্মসূচি শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের
মধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষের লোকজন সেখানে এসে হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে সভাপতি প্রার্থী সাজুও গুরুতর আহত হন। বিকেল ৫টার দিকে সংঘর্ষ চরমে ওঠে। সন্নাসী বাজারে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও দুই পক্ষ ইট-পাটকেল ও লাঠিসোটা নিয়ে একে অপরের উপর চড়াও হয়। বাজারের প্রায় ২০টি দোকান ও আশপাশের কয়েকটি বসতঘরে ব্যাপক ভাঙচুর চলে। এমনকি পাশের ভবনের ছাদ থেকেও ইট ছোড়া হয় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। সংঘর্ষে বহু মানুষ আহত হয়েছে, যাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহত সভাপতি প্রার্থী সাজারুল ইসলাম সাজু বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করতে চেয়েছিলাম। প্রতিপক্ষ অতর্কিতে হামলা চালিয়েছে।’ সাবেক যুবদল নেতা জাহিদুল
ইসলামও হামলার অভিযোগ করেন, ‘ভোটে পরাজয়ের ভয় থেকেই আমাদের উপর এ হামলা চালানো হয়েছে।’ ঘটনার পর পুরো এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা নতুন করে সহিংসতার আশঙ্কায় আতঙ্কে রয়েছেন।
মধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষের লোকজন সেখানে এসে হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে সভাপতি প্রার্থী সাজুও গুরুতর আহত হন। বিকেল ৫টার দিকে সংঘর্ষ চরমে ওঠে। সন্নাসী বাজারে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও দুই পক্ষ ইট-পাটকেল ও লাঠিসোটা নিয়ে একে অপরের উপর চড়াও হয়। বাজারের প্রায় ২০টি দোকান ও আশপাশের কয়েকটি বসতঘরে ব্যাপক ভাঙচুর চলে। এমনকি পাশের ভবনের ছাদ থেকেও ইট ছোড়া হয় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। সংঘর্ষে বহু মানুষ আহত হয়েছে, যাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহত সভাপতি প্রার্থী সাজারুল ইসলাম সাজু বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করতে চেয়েছিলাম। প্রতিপক্ষ অতর্কিতে হামলা চালিয়েছে।’ সাবেক যুবদল নেতা জাহিদুল
ইসলামও হামলার অভিযোগ করেন, ‘ভোটে পরাজয়ের ভয় থেকেই আমাদের উপর এ হামলা চালানো হয়েছে।’ ঘটনার পর পুরো এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা নতুন করে সহিংসতার আশঙ্কায় আতঙ্কে রয়েছেন।



