ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শত কোটি টাকার ইউনিফর্ম প্রকল্পে সিন্ডিকেট ও অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো পোশাকে ফিরছে পুলিশ!
সংস্কারের নামে ৬৫ প্রকল্পে ৮০ হাজার কোটি টাকা অস্বাভাবিক ব্যয় বাড়িয়েছে ইউনূস সরকার: বরাদ্দ লোপাটের অভিযোগ
সিপিডির সংবাদ সম্মেলন: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ‘চরম বৈষম্যমূলক’, বাতিলের আহ্বান; জাপানের ইপিএ চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবি
১০০% বিদ্যুৎ সক্ষমতার দেশে জ্বালানি সংকট ও বিপুল বকেয়া: বিদ্যুৎমন্ত্রীর ভাষ্যে ইউনূস সরকারের অব্যবস্থাপনা-ব্যর্থতা
‘পুলিশ মারা হবে, ম্যাসাকার হবে—ড. ইউনূস আগেই জানতেন’, দায় এড়াতেই দেরিতে দেশে ফেরেন তিনি: শামীম হায়দার পাটোয়ারী
আবারো কারাগারে মৃত্যুর মিছিল: বিনা বিচারে মারা গেলেন দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক
ড. ইউনূসকে ‘লোভী’ ও ‘অপদার্থ’ আখ্যা দিলেন রনি, বিদায়ের পেছনে আমেরিকার হাত থাকার দাবি
বাংলাদেশ ‘মবতন্ত্র’, সহিংসতা শুধু মব নয় – রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
সজীব ওয়াজেদ জয়
সাম্প্রতিক এক ফেসবুক পোস্টে সজীব ওয়াজেদ জয় তীব্র ভাষায় সমালোচনা করেছেন বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে। তিনি লিখেছেন, বাংলাদেশ আজ ‘মবতন্ত্রে’ পরিণত হয়েছে, যেখানে পরিকল্পিত রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে আড়াল করতে ‘মব অ্যাটাক’ শব্দ ব্যবহার করা হচ্ছে। তার মতে, এটি সরকারের একটি কৌশল, যার মাধ্যমে তারা নৃশংস সহিংসতার দায় এড়িয়ে যাচ্ছে।
তিনি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘর ও আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িঘরে হামলার ঘটনা। সজীব ওয়াজেদ দাবি করেন, এটি কোনো স্বতঃস্ফূর্ত মব-সহিংসতা ছিল না, বরং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠীগুলোর সমন্বিত আক্রমণ। হামলাকারীরা লাইভস্ট্রিমে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রচার করেছে, অথচ পুলিশ ও সেনারা দাঁড়িয়ে থেকেছে দর্শকের মতো।
তার মতে, একইভাবে ২০২৪
সালের আগস্ট ও অক্টোবরে সুপ্রিম কোর্ট অবরোধের ঘটনাও ছিল পরিকল্পিত রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি। এনসিপি মুভমেন্ট ও বিএনপি-জামায়াত ঘনিষ্ঠ আইনজীবীরা এই কর্মসূচি সাজিয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় পার্টির অফিসে হামলার ঘটনাও সজীব ওয়াজেদ রাজনৈতিক সহিংসতার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন। গণঅধিকার পরিষদের কর্মী-সমর্থকেরা এসব হামলায় জড়িত ছিল বলে তিনি দাবি করেন। এছাড়া, ইউনুস সরকারের আমলে সুফি মাজার ও দরবার শরীফে হামলার কথাও তিনি তুলে ধরেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, এগুলো হঠাৎ উত্তেজিত ভিড়ের কাজ নয়, বরং ইসলামপন্থী গোষ্ঠীগুলোর পরিকল্পিত আক্রমণ, যার মাধ্যমে সুফি ঐতিহ্যকে টার্গেট করা হয়েছে। সজীব ওয়াজেদ অভিযোগ করেন, এসব ঘটনায় সরকার কোনো দায় নেয়নি, বরং রাজনৈতিকভাবে সহিংসতাকে বৈধতা দিয়েছে। তিনি
উল্লেখ করেন, ইউনুস নিজেই এ ধরনের হামলাকে “বিপ্লবী চেতনা” বলে অভিহিত করেছেন এবং তার প্রেস অফিস ‘মব’ শব্দটিকে “প্রেসার গ্রুপ” হিসেবে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছে। তার মতে, সংগঠিত রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সহিংসতাকে মব-সহিংসতা বলে চালানো তিনটি কারণে বিপজ্জনক— এটি সরকারের দায় এড়ানোর পথ তৈরি করে, ভুক্তভোগীদের অভিযোগকে অবমূল্যায়ন করে এবং পরিকল্পিত সহিংসতাকে দায়মুক্ত রাখে। শেষ পর্যন্ত তিনি সতর্ক করেন, মিডিয়া যেন সংগঠিত রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সহিংসতাকে সাধারণ মব-সহিংসতা হিসেবে না উপস্থাপন করে, কারণ বাস্তবে এগুলো অনেক বেশি ভয়ঙ্কর, পূর্বপরিকল্পিত ও কৌশলগতভাবে পরিচালিত।
সালের আগস্ট ও অক্টোবরে সুপ্রিম কোর্ট অবরোধের ঘটনাও ছিল পরিকল্পিত রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি। এনসিপি মুভমেন্ট ও বিএনপি-জামায়াত ঘনিষ্ঠ আইনজীবীরা এই কর্মসূচি সাজিয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় পার্টির অফিসে হামলার ঘটনাও সজীব ওয়াজেদ রাজনৈতিক সহিংসতার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন। গণঅধিকার পরিষদের কর্মী-সমর্থকেরা এসব হামলায় জড়িত ছিল বলে তিনি দাবি করেন। এছাড়া, ইউনুস সরকারের আমলে সুফি মাজার ও দরবার শরীফে হামলার কথাও তিনি তুলে ধরেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, এগুলো হঠাৎ উত্তেজিত ভিড়ের কাজ নয়, বরং ইসলামপন্থী গোষ্ঠীগুলোর পরিকল্পিত আক্রমণ, যার মাধ্যমে সুফি ঐতিহ্যকে টার্গেট করা হয়েছে। সজীব ওয়াজেদ অভিযোগ করেন, এসব ঘটনায় সরকার কোনো দায় নেয়নি, বরং রাজনৈতিকভাবে সহিংসতাকে বৈধতা দিয়েছে। তিনি
উল্লেখ করেন, ইউনুস নিজেই এ ধরনের হামলাকে “বিপ্লবী চেতনা” বলে অভিহিত করেছেন এবং তার প্রেস অফিস ‘মব’ শব্দটিকে “প্রেসার গ্রুপ” হিসেবে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছে। তার মতে, সংগঠিত রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সহিংসতাকে মব-সহিংসতা বলে চালানো তিনটি কারণে বিপজ্জনক— এটি সরকারের দায় এড়ানোর পথ তৈরি করে, ভুক্তভোগীদের অভিযোগকে অবমূল্যায়ন করে এবং পরিকল্পিত সহিংসতাকে দায়মুক্ত রাখে। শেষ পর্যন্ত তিনি সতর্ক করেন, মিডিয়া যেন সংগঠিত রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সহিংসতাকে সাধারণ মব-সহিংসতা হিসেবে না উপস্থাপন করে, কারণ বাস্তবে এগুলো অনেক বেশি ভয়ঙ্কর, পূর্বপরিকল্পিত ও কৌশলগতভাবে পরিচালিত।



