ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সব ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়ে নেহা বললেন, আমাকে বাঁচতে দিন
শীতার্ত মানুষের জন্য আগামীকাল গাইবে চার ব্যান্ড
দুই সিনেমায় তমা মির্জা
৭২ বয়সে আত্মজীবনী লিখলেন অঞ্জন দত্ত
আমি অভিনেতা, প্রতিটি মাধ্যমে অভিনয় করে যেতে চাই: সোহেল মণ্ডল
বছরের প্রথম প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল দেশীয় দুই সিনেমা
মারা গেছেন ভারতের বর্ষীয়ান সংগীতশিল্পী সমর হাজারিকা
বাংলাদেশ এরকম হয়ে যাবে, আমরা কোনো দিন ভাবিনি : মিঠুন চক্রবর্তী
বাংলাদেশ ইস্যুতে এবার কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা ও বর্ষীয়ান অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। বাংলাদেশের জন্য তার কড়া বার্তা ‘ভারতকে খাটো করে দেখবেন না’। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে সম্প্রীতি নষ্টের বিষয়ে নিজের হতাশাও ব্যক্ত করেছেন তিনি।
পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গকে শিক্ষা নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন এই অভিনেতা ও রাজনীতিক।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার (২১ ডিসেম্বর) হুগলির পাণ্ডুয়ায় বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযানে গিয়ে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি। মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, ‘বাংলাদেশ নিয়ে আমাদের আবেগ-অনুভূতি রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের অনেকেই সেটা মনে করে। কিন্তু বাংলাদেশ এরকম হয়ে যাবে, আমরা কোনো দিন ভাবিনি। আবেগের জায়গা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় খুব কষ্ট
পেয়েছি।’ বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি, হিন্দুদের ওপর কথিত অত্যাচার এবং ‘ভারত বিদ্বেষ’ ইস্যু নিয়ে মিঠুন বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে যেসব সতর্ক বার্তা শুনছি, তাদের নেতারা যে যা পারছে তাই বলছে। আমি একটা কথাই বলব, ভারতকে খাটো করে দেখবেন না। ডোন্ট আন্ডার এস্টিমেট ইন্ডিয়া।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশকে দেখে আমাদের শিখতে হবে। বিশেষ করে বাংলাকে শিখতে হবে। যদি আমরা সবাই মিলে একত্রিত হয়ে না লড়ি, তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার, নিশ্চিত।’ এরপরই তিনি পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বৃদ্ধির জন্য স্থানীয় প্রশাসনকেই দায়ী করলেন। সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না নিয়ে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, ‘সন্ত্রাসসবাদী কার্যকলাপ এখানে অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছে। শুধু আমাদের খারাপ লাগে, আমাদের পশ্চিমবঙ্গ ইতোমধ্যেই নিচের
দিকে নামছে। এগুলোর জন্য প্রশাসন দায়ী। তবে ভালো খবর এটাই যে, জঙ্গিরা ধরা পড়েছে’।
পেয়েছি।’ বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি, হিন্দুদের ওপর কথিত অত্যাচার এবং ‘ভারত বিদ্বেষ’ ইস্যু নিয়ে মিঠুন বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে যেসব সতর্ক বার্তা শুনছি, তাদের নেতারা যে যা পারছে তাই বলছে। আমি একটা কথাই বলব, ভারতকে খাটো করে দেখবেন না। ডোন্ট আন্ডার এস্টিমেট ইন্ডিয়া।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশকে দেখে আমাদের শিখতে হবে। বিশেষ করে বাংলাকে শিখতে হবে। যদি আমরা সবাই মিলে একত্রিত হয়ে না লড়ি, তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার, নিশ্চিত।’ এরপরই তিনি পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বৃদ্ধির জন্য স্থানীয় প্রশাসনকেই দায়ী করলেন। সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না নিয়ে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, ‘সন্ত্রাসসবাদী কার্যকলাপ এখানে অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছে। শুধু আমাদের খারাপ লাগে, আমাদের পশ্চিমবঙ্গ ইতোমধ্যেই নিচের
দিকে নামছে। এগুলোর জন্য প্রশাসন দায়ী। তবে ভালো খবর এটাই যে, জঙ্গিরা ধরা পড়েছে’।



