ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘আর কখনও বিচার চাইব না’ : যে দেশে বিচার চাওয়াই অপরাধ পুলিশ হত্যার বিচার চাই!
ড. ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ
খালি তাক আর মন্ত্রণালয় ভরা অজুহাত : আন্তর্জাতিক বাজারের দোষ, দেশীয় ব্যর্থতার ঢাল
ভোটার তালিকা সংশোধন বিল-২০২৬ পাস
অধ্যাদেশ নিয়ে যে ‘খেলা’ সেটা রাজনীতি ও আমলাতন্ত্রের: টিআইবি
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ করে সংসদে বিল পাশ
বাংলাদেশের পথ হারানো রাজনীতি: দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও স্বৈরশাসনের আঁতুড়ঘর
২০২৬ সালের মার্চ। দেশের রাজনৈতিক মঞ্চে আবারও সেই একই চিত্র – দুর্নীতি, সন্ত্রাস, স্বৈরাচার। যেনো কিছুই বদলায়নি। বরং, আরো ঘনিয়ে এসেছে অন্ধকার। বিএনপি, যাদের জন্মই হয়েছিল জিয়াউর রহমানের সেনানিবাসে, যাদের রাজনীতি শুরু হয়েছিল দুর্নীতি আর সন্ত্রাসের হাত ধরে, তারা এখনো সেই একই পথে হাঁটছে। শুধু নাম বদলেছে। এখন তারা “মন্ত্রী পরিষদ”। কিন্তু নামসর্বস্ব। তাদের কাজের ধরন, তাদের আচরণ, তাদের রাজনীতি – কিছুই বদলায়নি।
রংপুরের ঘটনাটি শুধু একটি উদাহরণ। যুবদলের এক শীর্ষ নেতা, আকিবুল রহমান মনু, কেবল ও ইন্টারনেট কর্মকর্তার রুমে ঢুকে তার স্ত্রী-সন্তানকে গুলি করার হুমকি দিচ্ছেন। ভিডিওতে তার উত্তেজিত কণ্ঠ, অশ্লীল ভাষা, ভয়ভীতি – এসব কিছুই প্রমাণ করে, এই দলের
রাজনীতি কতটা নিম্নস্তরে নেমে গেছে। তারা রাজনীতি করে না, তারা চাঁদাবাজি করে, ভয় দেখায়, গুলি করে। তাদের কাছে রাজনীতি মানে হলো ফুটপাতে কাগজ টোকানো, রাতে গুণ্ডামি করা। অভাব লজ্জার নয়, কিন্তু জুলুম লজ্জার। আর এই জুলুমই তাদের প্রধান হাতিয়ার। কিন্তু প্রশ্ন হলো, দেশে কি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী নেই? কি কাজ করে তারা? প্রতিবারই ঘটনার পর মিডিয়াকে দোষারোপ করা হয়, পুলিশকে বলা হয় রিপোর্ট করতে। মিডিয়ার কাজ হলো খবর দেওয়া, কিন্তু পুলিশের কাজ কি? তারা কি শুধু রিপোর্ট নেবে, আর কিছুই করবে না? নাকি তারা নিজেরাই এই সন্ত্রাসের অংশ? দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি নিজেরাই নিশ্চুপ থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের কোথায় যাবে? বাংলাদেশ এখন
ধর্ষক, খুনি, গুণ্ডা, মাস্তান, সন্ত্রাসী, মৌলবাদী, ভণ্ড, বাটপার, মববাজদের একটা ভাগাড়। ধর্ম, রাজনীতি, সমাজ – সবকিছুই কলুষিত হয়ে আছে এদের কারণে। যুবদলের মতো সংগঠন, যাদের উচিত ছিল দেশের যুবসমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করা, তারা নিজেরাই হয়ে উঠেছে সন্ত্রাসের প্রতীক। গ্লোবাল ক্রাইসিসের সময়ে তাদের উচিত ছিল দেশের জন্য কিছু করা, কিন্তু তারা করছে উল্টো। এসব কি রাজনীতি? না, এসব হলো সন্ত্রাস। দেশের মানুষ এখন আর সহ্য করতে চায় না। তারা প্রতিরোধ করতে চায়। কিন্তু প্রতিরোধের পথ কোথায়? যখন রাজনৈতিক দলগুলো নিজেরাই দুর্নীতিগ্রস্ত, যখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিজেরাই নিশ্চুপ, তখন সাধারণ মানুষের কী উপায় থাকে? দেশের রাজনীতি গত ১৮-১৯ মাসে এমন এক পর্যায়ে
পৌঁছেছে, যেখানে মানুষের আস্থা হারিয়ে গেছে। তারা আর বিশ্বাস করে না গত ১৮-১৯ মাস ধরে রাজনীতি করে চলা কোনো দলকে, কোনো নেতাকে। কারণ এখন যারা রাজনীতি করছে তারা সবাই একই। সবাই দুর্নীতিগ্রস্ত, সবাই সন্ত্রাসী।
রাজনীতি কতটা নিম্নস্তরে নেমে গেছে। তারা রাজনীতি করে না, তারা চাঁদাবাজি করে, ভয় দেখায়, গুলি করে। তাদের কাছে রাজনীতি মানে হলো ফুটপাতে কাগজ টোকানো, রাতে গুণ্ডামি করা। অভাব লজ্জার নয়, কিন্তু জুলুম লজ্জার। আর এই জুলুমই তাদের প্রধান হাতিয়ার। কিন্তু প্রশ্ন হলো, দেশে কি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী নেই? কি কাজ করে তারা? প্রতিবারই ঘটনার পর মিডিয়াকে দোষারোপ করা হয়, পুলিশকে বলা হয় রিপোর্ট করতে। মিডিয়ার কাজ হলো খবর দেওয়া, কিন্তু পুলিশের কাজ কি? তারা কি শুধু রিপোর্ট নেবে, আর কিছুই করবে না? নাকি তারা নিজেরাই এই সন্ত্রাসের অংশ? দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি নিজেরাই নিশ্চুপ থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের কোথায় যাবে? বাংলাদেশ এখন
ধর্ষক, খুনি, গুণ্ডা, মাস্তান, সন্ত্রাসী, মৌলবাদী, ভণ্ড, বাটপার, মববাজদের একটা ভাগাড়। ধর্ম, রাজনীতি, সমাজ – সবকিছুই কলুষিত হয়ে আছে এদের কারণে। যুবদলের মতো সংগঠন, যাদের উচিত ছিল দেশের যুবসমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করা, তারা নিজেরাই হয়ে উঠেছে সন্ত্রাসের প্রতীক। গ্লোবাল ক্রাইসিসের সময়ে তাদের উচিত ছিল দেশের জন্য কিছু করা, কিন্তু তারা করছে উল্টো। এসব কি রাজনীতি? না, এসব হলো সন্ত্রাস। দেশের মানুষ এখন আর সহ্য করতে চায় না। তারা প্রতিরোধ করতে চায়। কিন্তু প্রতিরোধের পথ কোথায়? যখন রাজনৈতিক দলগুলো নিজেরাই দুর্নীতিগ্রস্ত, যখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিজেরাই নিশ্চুপ, তখন সাধারণ মানুষের কী উপায় থাকে? দেশের রাজনীতি গত ১৮-১৯ মাসে এমন এক পর্যায়ে
পৌঁছেছে, যেখানে মানুষের আস্থা হারিয়ে গেছে। তারা আর বিশ্বাস করে না গত ১৮-১৯ মাস ধরে রাজনীতি করে চলা কোনো দলকে, কোনো নেতাকে। কারণ এখন যারা রাজনীতি করছে তারা সবাই একই। সবাই দুর্নীতিগ্রস্ত, সবাই সন্ত্রাসী।



