ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফার্স্ট হয়েও নিয়োগ পেলেন না শিবাশ্রী, তৃতীয় হয়েও শিক্ষক হলেন ভিসির মেয়ে!
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকসু নেতাদের হাতে শিক্ষক হেনস্তা
মেডিকেলে চান্স পেয়েও পড়া অনিশ্চিত তিথির
ঢাবি অধ্যাপক আতাউর রহমান মারা গেছেন
৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
প্রথমবার অনুষ্ঠিত জকসু নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু
আন্দোলনের মুখে দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ ডিনের
বই উৎসব থেকে বই সংকট : ইউনুসের অযোগ্যতার মাশুল দিচ্ছে কোটি শিক্ষার্থী
ষোল মাস আগে যারা রাস্তায় নেমে পূর্ববর্তী সরকারের বিরুদ্ধে হাজারো অভিযোগ তুলেছিল, আজ তারাই দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধসিয়ে দিয়েছে। জানুয়ারির বারো তারিখ চলছে, অথচ লাখ লাখ শিক্ষার্থী এখনও পাঠ্যবই হাতে পায়নি। প্রায় তিন কোটি বই এখনও বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। যে সরকার দাবি করেছিল তারা দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে, সেই সরকারই আজ শিক্ষার মতো মৌলিক বিষয়ে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে।
গত ষোলো বছর ধরে জানুয়ারির প্রথম দিনই দেশজুড়ে বই উৎসবের আয়োজন হতো। সেদিন সকালেই প্রতিটি শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই পৌঁছে যেত। এটা কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না, ছিল সুপরিকল্পিত প্রস্তুতি আর কার্যকর বাস্তবায়নের ফসল। কিন্তু আজ সেই ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।
ইস্কাটন গার্ডেন উচ্চবিদ্যালয়ের মতো রাজধানীর বিদ্যালয়গুলোতে সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির বই এখনও পৌঁছায়নি। নেত্রকোনার মতো জেলাগুলোতে চার লাখেরও বেশি বইয়ের ঘাটতি রয়েছে। এই পরিস্থিতির দায় কে নেবে? মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন এই অসরকার ক্ষমতায় এসেছিল অগণতান্ত্রিক পথে। নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে, সামরিক বাহিনীর সমর্থন নিয়ে, বিদেশি শক্তির মদদে তারা ক্ষমতা দখল করেছে। তাদের দাবি ছিল, পূর্ববর্তী সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত ও অদক্ষ। কিন্তু আজ ষোলো মাস পরে তাদের নিজেদের কর্মকাণ্ড দেখে স্পষ্ট হয়ে গেছে যে তারা নিজেরাই চরম অদক্ষতার শিকার। পাঠ্যবই বিতরণের মতো একটি নিয়মিত প্রশাসনিক কাজও তারা সামলাতে পারছে না। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, মাধ্যমিক স্তরে একুশ কোটিরও বেশি বইয়ের মধ্যে
এখনও প্রায় তিন কোটি বই সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি। সরকার বলছে পনেরো জানুয়ারির মধ্যে সব বই পৌঁছে যাবে, কিন্তু মুদ্রণ ও বাঁধাইয়ের সঙ্গে জড়িত সূত্রগুলো জানাচ্ছে এই সময়সীমা অবাস্তব। এর মানে হলো, আগামী সপ্তাহগুলোতেও শিক্ষার্থীরা বই পাবে না। প্রতিটি দিন যত যাচ্ছে, তাদের শিক্ষাজীবনের ততটাই ক্ষতি হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকার যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন প্রতি বছর নির্ধারিত সময়ে বই পৌঁছানোর জন্য মাসের পর মাস ধরে প্রস্তুতি নেওয়া হতো। ছাপাখানা ঠিক করা, কাগজ সরবরাহ নিশ্চিত করা, মুদ্রণ তদারকি করা, বাঁধাই সম্পন্ন করা, পরিবহনের ব্যবস্থা করা, প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় সময়মতো পৌঁছানো সবকিছুই একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী চলত। কিন্তু ইউনুসের অসরকার এসে এই
পুরো ব্যবস্থাটাই তছনছ করে দিয়েছে। তাদের কাছে স্পষ্টতই কোনো পরিকল্পনা ছিল না, অথবা থাকলেও তা বাস্তবায়নের যোগ্যতা নেই। এই ব্যর্থতার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হচ্ছে দেশের কোটি কোটি শিক্ষার্থী। তারা ক্লাসে বসে আছে বই ছাড়াই। শিক্ষকরা পড়াতে পারছেন না কারণ এবারের পাঠ্যসূচিতে অনেক পরিবর্তন এসেছে, পুরোনো বই দিয়ে পড়ানো সম্ভব নয়। শিক্ষাবর্ষের প্রথম দুই সপ্তাহ কার্যত নষ্ট হয়ে গেছে। এই ক্ষতি আর কখনও পূরণ হবে না। একটি শিশুর শিক্ষাজীবনের এই মূল্যবান সময়টা চিরতরে হারিয়ে গেল। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, এই সংকট শুধুমাত্র ঢাকায় সীমাবদ্ধ নেই। নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠের পঁয়ষট্টি জন অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী এখনও গণিত বই পায়নি। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের
শিক্ষার্থীরা আরও বেশি দুর্ভোগের শিকার। রাজধানীতে বই আসতে দেরি হলেও শেষমেশ আসছে, কিন্তু প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের কবে বই পৌঁছাবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। যারা গত সরকারকে ক্যু করে ক্ষমতা দখল করেছে, তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার। তারা বলেছিল গত সরকার অযোগ্য ছিল, তারা এসে সবকিছু ঠিক করে দেবে। কিন্তু মাত্র ছয় মাসেই তাদের অযোগ্যতা প্রকাশ্যে চলে এসেছে। পাঠ্যবই বিতরণের মতো একটি রুটিন কাজই যদি তারা সামলাতে না পারে, তাহলে দেশ পরিচালনার মতো জটিল দায়িত্ব তারা কীভাবে সামলাবে? এই পুরো পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, ইউনুসের সরকার আসলে কোনো সরকারই নয়। এটা একটা অবৈধ ব্যবস্থা যা ক্ষমতায় টিকে আছে শুধুমাত্র সামরিক
সমর্থন আর বিদেশি মদদের জোরে। তাদের কাছে দেশ পরিচালনার কোনো অভিজ্ঞতা নেই, কোনো পরিকল্পনা নেই, কোনো দূরদর্শিতা নেই। আছে শুধু ক্ষমতায় টিকে থাকার তাগিদ। আর সেই তাগিদ মেটাতে গিয়ে তারা দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে বলি দিচ্ছে। গত ষোলো বছরে যে শিক্ষা কাঠামো তৈরি হয়েছিল, যে সিস্টেম গড়ে উঠেছিল, তা রাতারাতি গড়ে ওঠেনি। এর পেছনে ছিল দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা, নিরলস পরিশ্রম আর জবাবদিহিতা। কিন্তু ইউনুসের অসরকার এসে সেই পুরো ব্যবস্থাটাকেই ভেঙে ফেলেছে। তারা নতুন কিছু তৈরি করতে পারেনি, কিন্তু পুরোনো যা ছিল তাও ধ্বংস করে দিয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো, এই দায় কে নেবে? কে জবাব দেবে সেই লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের কাছে যাদের সন্তানেরা
বই ছাড়া ক্লাসে বসে আছে? কে ক্ষতিপূরণ দেবে সেই হারিয়ে যাওয়া শিক্ষাসময়ের? ইউনুস কি এই প্রশ্নের উত্তর দেবেন? নাকি তার সরকার এখনও দাবি করবে যে তারা দেশের জন্য ভালো কিছু করছে? বাস্তবতা হলো, এই অসরকার তাদের অযোগ্যতা প্রমাণ করেছে। পাঠ্যবই সংকট শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটা তাদের সামগ্রিক ব্যর্থতারই প্রমান। একটি নির্বাচিত সরকারকে অবৈধভাবে উৎখাত করে যারা ক্ষমতায় এসেছে, তাদের কাছ থেকে এর বেশি কিছু আশা করাও বোকামি। তারা যে শুধু অযোগ্য তাই নয়, তারা অবৈধও। আর অবৈধতার ওপর দাঁড়িয়ে কখনও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা যায় না।
ইস্কাটন গার্ডেন উচ্চবিদ্যালয়ের মতো রাজধানীর বিদ্যালয়গুলোতে সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির বই এখনও পৌঁছায়নি। নেত্রকোনার মতো জেলাগুলোতে চার লাখেরও বেশি বইয়ের ঘাটতি রয়েছে। এই পরিস্থিতির দায় কে নেবে? মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন এই অসরকার ক্ষমতায় এসেছিল অগণতান্ত্রিক পথে। নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে, সামরিক বাহিনীর সমর্থন নিয়ে, বিদেশি শক্তির মদদে তারা ক্ষমতা দখল করেছে। তাদের দাবি ছিল, পূর্ববর্তী সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত ও অদক্ষ। কিন্তু আজ ষোলো মাস পরে তাদের নিজেদের কর্মকাণ্ড দেখে স্পষ্ট হয়ে গেছে যে তারা নিজেরাই চরম অদক্ষতার শিকার। পাঠ্যবই বিতরণের মতো একটি নিয়মিত প্রশাসনিক কাজও তারা সামলাতে পারছে না। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, মাধ্যমিক স্তরে একুশ কোটিরও বেশি বইয়ের মধ্যে
এখনও প্রায় তিন কোটি বই সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি। সরকার বলছে পনেরো জানুয়ারির মধ্যে সব বই পৌঁছে যাবে, কিন্তু মুদ্রণ ও বাঁধাইয়ের সঙ্গে জড়িত সূত্রগুলো জানাচ্ছে এই সময়সীমা অবাস্তব। এর মানে হলো, আগামী সপ্তাহগুলোতেও শিক্ষার্থীরা বই পাবে না। প্রতিটি দিন যত যাচ্ছে, তাদের শিক্ষাজীবনের ততটাই ক্ষতি হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকার যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন প্রতি বছর নির্ধারিত সময়ে বই পৌঁছানোর জন্য মাসের পর মাস ধরে প্রস্তুতি নেওয়া হতো। ছাপাখানা ঠিক করা, কাগজ সরবরাহ নিশ্চিত করা, মুদ্রণ তদারকি করা, বাঁধাই সম্পন্ন করা, পরিবহনের ব্যবস্থা করা, প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় সময়মতো পৌঁছানো সবকিছুই একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী চলত। কিন্তু ইউনুসের অসরকার এসে এই
পুরো ব্যবস্থাটাই তছনছ করে দিয়েছে। তাদের কাছে স্পষ্টতই কোনো পরিকল্পনা ছিল না, অথবা থাকলেও তা বাস্তবায়নের যোগ্যতা নেই। এই ব্যর্থতার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হচ্ছে দেশের কোটি কোটি শিক্ষার্থী। তারা ক্লাসে বসে আছে বই ছাড়াই। শিক্ষকরা পড়াতে পারছেন না কারণ এবারের পাঠ্যসূচিতে অনেক পরিবর্তন এসেছে, পুরোনো বই দিয়ে পড়ানো সম্ভব নয়। শিক্ষাবর্ষের প্রথম দুই সপ্তাহ কার্যত নষ্ট হয়ে গেছে। এই ক্ষতি আর কখনও পূরণ হবে না। একটি শিশুর শিক্ষাজীবনের এই মূল্যবান সময়টা চিরতরে হারিয়ে গেল। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, এই সংকট শুধুমাত্র ঢাকায় সীমাবদ্ধ নেই। নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠের পঁয়ষট্টি জন অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী এখনও গণিত বই পায়নি। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের
শিক্ষার্থীরা আরও বেশি দুর্ভোগের শিকার। রাজধানীতে বই আসতে দেরি হলেও শেষমেশ আসছে, কিন্তু প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের কবে বই পৌঁছাবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। যারা গত সরকারকে ক্যু করে ক্ষমতা দখল করেছে, তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার। তারা বলেছিল গত সরকার অযোগ্য ছিল, তারা এসে সবকিছু ঠিক করে দেবে। কিন্তু মাত্র ছয় মাসেই তাদের অযোগ্যতা প্রকাশ্যে চলে এসেছে। পাঠ্যবই বিতরণের মতো একটি রুটিন কাজই যদি তারা সামলাতে না পারে, তাহলে দেশ পরিচালনার মতো জটিল দায়িত্ব তারা কীভাবে সামলাবে? এই পুরো পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, ইউনুসের সরকার আসলে কোনো সরকারই নয়। এটা একটা অবৈধ ব্যবস্থা যা ক্ষমতায় টিকে আছে শুধুমাত্র সামরিক
সমর্থন আর বিদেশি মদদের জোরে। তাদের কাছে দেশ পরিচালনার কোনো অভিজ্ঞতা নেই, কোনো পরিকল্পনা নেই, কোনো দূরদর্শিতা নেই। আছে শুধু ক্ষমতায় টিকে থাকার তাগিদ। আর সেই তাগিদ মেটাতে গিয়ে তারা দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে বলি দিচ্ছে। গত ষোলো বছরে যে শিক্ষা কাঠামো তৈরি হয়েছিল, যে সিস্টেম গড়ে উঠেছিল, তা রাতারাতি গড়ে ওঠেনি। এর পেছনে ছিল দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা, নিরলস পরিশ্রম আর জবাবদিহিতা। কিন্তু ইউনুসের অসরকার এসে সেই পুরো ব্যবস্থাটাকেই ভেঙে ফেলেছে। তারা নতুন কিছু তৈরি করতে পারেনি, কিন্তু পুরোনো যা ছিল তাও ধ্বংস করে দিয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো, এই দায় কে নেবে? কে জবাব দেবে সেই লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের কাছে যাদের সন্তানেরা
বই ছাড়া ক্লাসে বসে আছে? কে ক্ষতিপূরণ দেবে সেই হারিয়ে যাওয়া শিক্ষাসময়ের? ইউনুস কি এই প্রশ্নের উত্তর দেবেন? নাকি তার সরকার এখনও দাবি করবে যে তারা দেশের জন্য ভালো কিছু করছে? বাস্তবতা হলো, এই অসরকার তাদের অযোগ্যতা প্রমাণ করেছে। পাঠ্যবই সংকট শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটা তাদের সামগ্রিক ব্যর্থতারই প্রমান। একটি নির্বাচিত সরকারকে অবৈধভাবে উৎখাত করে যারা ক্ষমতায় এসেছে, তাদের কাছ থেকে এর বেশি কিছু আশা করাও বোকামি। তারা যে শুধু অযোগ্য তাই নয়, তারা অবৈধও। আর অবৈধতার ওপর দাঁড়িয়ে কখনও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা যায় না।



