ফরিদপুরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যালয় ঘেরাও – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৪ September, ২০২৪

ফরিদপুরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যালয় ঘেরাও

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৪ September, ২০২৪ |
ফরিদপুরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যালয় ঘেরাও করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা। পরে অনিয়ম, দুর্নীতি ও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে উপপরিচালক (ডিডি) মো. সাহাবুদ্দিনের বিচারের দাবি জানিয়ে তাকে জেরা করেন তারা। গত ২৩ আগস্ট ‘ঘুষের টাকায় ধনকুবের ডিডি সাহাবুদ্দিন’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। এরপর থেকেই ছাত্র-জনতা ডিডির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠে। মঙ্গলবার দুপুরে শহরের গোয়ালচামট এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কার্যালয় চত্বরে আসেন। এতে যোগ দেন হয়রানির শিকার ও চাকরিচ্যুত জেলার বিভিন্ন মডেল মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, কর্মচারিসহ অনেকে। এ সময় চাকরিচ্যুত মোয়াজ্জিন হাবিব শেখ অভিযোগ করেন, নিয়োগের নামে আমার কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা নিয়েছেন। এরপরেও

আমাদের কাছে বিভিন্নভাবে টাকা দাবি করে। এক দিন স্যারকে আমরা ৪১ হাজার টাকা উঠিয়ে তার হাতে দেই। কিন্তু স্যার বলে ২৫ হাজার টাকা দিয়েছি। এই টাকাও আত্মসাৎ করার প্রতিবাদ করলে আমাকে নির্যাতন করে মসজিদ থেকে বের করে দেওয়া হয়। এ ছাড়াও এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দারুল আরকামের শিক্ষকদের কাছ থেকে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা, নয়টি উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজারদের মাধ্যমে অতিরিক্ত বই বিক্রির ৫ লাখ টাকা, অফিস পরিবর্তনের সময় একটি আলমারি, কেবিনেট ও দশটি ফ্যান গোপনে বিক্রি করা, ২০২৪ সালে জাকাতের ৩ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়া, ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে মসজিদ পাঠাগারের ৩৭টি আলমারি না বানিয়ে টাকা আত্মসাৎ এবং

৯টি উপজেলায় সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের অনুষ্ঠান না করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া অভিযোগ করেন। পাশাপাশি প্রতিটি মডেল মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব নিয়োগের সময় প্রশ্নপত্র ফাঁস করে টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ করেন। এক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন এবং কার্যালয়ের ভেতরে হাতেনাতে ধরা হয়েছে বলে কয়েকজন অভিযোগ করেন। এ সময় তারা এসব অভিযোগের প্রমাণ উপস্থাপন করেন। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থী সিফাত খান এই কর্মকর্তাকে উদ্দেশে বলেন, আপনি জানেন আর আল্লাহ জানেন আপনি কী করছেন। আপনি যদি নিজেকে অপরাধী মনে করেন তাহলে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন। আর যদি তা না মনে করেন, তাহলে এসব অভিযোগের তদন্তের জন্য আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ

হব এবং যত দিন পর্যন্ত তদন্ত কার্যক্রম শেষ না হবে তত দিন আপনি ছুটিতে থাকবেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অস্বীকার করেন এই কর্মকর্তা। তিনি সবার উদ্দেশে বলেন, আমি কোনো অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। তদন্তে আমি যদি দোষী প্রমাণিত হই তাহলে আমি চলে যাব এবং নির্দোষ প্রমাণিত হলে আপনাদের সবাইকে মিষ্টি খাওয়াব।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বড়দিনে তিন কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী সাফের ‘প্লে অন পিরিয়ড’ প্রকল্পের পার্টনার সেনোরা চলতি বছর শেষে ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা বন্ধ করবেন ট্রাম্প মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার রায় ১৯ নভেম্বর মোগল জাহাজে ডাকাতিতে জড়িত টমাস জোন্সের নামে নিউইয়র্কের সৈকত ঘুষের এক লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আসাদুল কারাগারে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত প্রসিকিউটরের দেশত্যাগ, নিষেধাজ্ঞার তথ্য জানালেন চিফ প্রসিকিউটর সংবিধান সংশোধনে তাড়াহুড়া নয়, ঐকমত্য ও অন্তর্ভুক্তির তাগিদ তরঙ্গের দাম সাশ্রয়ী হলে টেলিযোগাযোগে বিনিয়োগ বাড়বে, বললেন ভিওনের সিইও কান তেরজিওগ্লো বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের অসন্তোষ পর্যবেক্ষণ করছে ভারত: জয়সোয়াল শ্রমিকদের উপর হামলার ভিডিও করায় পিটিয়ে শ্রমিকহত্যা; এই মৃত্যুর দায়ও আওয়ামীলীগের উপর চাপালো সরকার শ্রমিক আন্দোলনে ফ্যাসিস্টদের অনুপ্রবেশের দায় সরকারের: নাহিদ ইসলাম পিএসজি-রিয়ালের চেয়ে পিছিয়ে নেই বার্সেলোনা, দাবি গর্ডনের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের চাহিদা বিশ্বকাপ ফাইনালকেও ছাড়াল উয়েফার চাপে বিশ্বকাপ বিক্রি সংক্রান্ত নথি প্রকাশে রাজি ফিফা ইউরোপের বিভিন্ন সুপারমার্কেটের ফ্রিজে সাইবার হামলা নিউজিল্যান্ডের শিক্ষার্থী ভিসায় আনল চারটি পরিবর্তন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ২ নভেম্বর (সোমবার) বিকেল ৫টায় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা তেঘরিয়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের তত্ত্বাবধানে অবৈধ স্ট্যান্ড, ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করার অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড সরিয়ে সড়ক ও ফুটপাতকে পরিষ্কার করা হয়। বিজ্ঞাপন ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় পথচারীরা জানান যে, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলে বাধা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি ছিল। ফুটপাত দখল থাকায় তারা বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে চলতে হতো, যা যানজট বাড়িয়ে দিত। সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত হওয়ায় তারা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং এই সুফল বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক বলেন, যানজট কমানো এবং পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি এবং কোনো ধরনের জনদুর্ভোগ মেনে নেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের চলাচলের পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে, সে যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে ৩০ আহত, ৬০ কারখানায় ছুটি ঘোষণা