ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
‘পুশব্যাক’ ইস্যু নিয়ে বাংলাদেশকে দ্রুত নাগরিকত্ব যাচাইয়ের আহ্বান ভারতের
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর বাংলাদেশে ‘পুশব্যাক’ বা সীমান্ত দিয়ে জোরপূর্বক লোক পাঠানোর আশঙ্কা নিয়ে শীর্ষ পর্যায় থেকে যেসব মন্তব্য এসেছে, সে বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এসব মন্তব্য দেখা উচিত। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে দ্রুত নাগরিকত্ব যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে নয়াদিল্লি।
পাশাপাশি তিস্তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে নদী-সংক্রান্ত দ্বিপক্ষীয় কাঠামোগুলো অনুসরণের কথা বলা হয়েছে।
পুশব্যাক নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, গত কয়েক দিনে এই ধরনের মন্তব্য তারা লক্ষ করেছেন। তবে মূল বিষয় হলো, ভারতে অবস্থানরত
অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রত্যাবাসন। এই প্রক্রিয়া সফল করতে বাংলাদেশের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি। জয়সওয়াল জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের কাছে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের ২ হাজার ৮৬০টির বেশি মামলা ঝুলে আছে। এর মধ্যে অনেক আবেদন পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি বলেন, ‘দ্রুত যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানো সহজ ও সুশৃঙ্খলভাবে করা সম্ভব হবে। এর আগে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সীমান্তে সম্ভাব্য পুশব্যাক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বুধবার (৬ মে) সাংবাদিকদের তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর এমন কোনো ঘটনা ঘটবে বলে তিনি আশা করেন না। তবে সীমান্ত পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি)
সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানও এই বিষয়ে মন্তব্য করেন। বিএনপির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বক্তব্যে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর যদি সীমান্তে ‘পুশ ইন’ বা জোরপূর্বক লোক ঢোকানোর ঘটনা ঘটে, তাহলে বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে বিজেপি অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকে বড় রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে সামনে আনে। দলটি অভিযোগ করে, তৃণমূল কংগ্রেস সরকার সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশে প্রশ্রয় দিচ্ছে। যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকার এই অভিযোগ বরাবরই প্রত্যাখ্যান করে এসেছে। এদিকে তিস্তা নদীর পানিবণ্টন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেছেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অভিন্ন নদীর সংখ্যা ৫৪টি এবং এসব নদী-সংক্রান্ত সব
ধরনের ইস্যু নিয়ে আলোচনা করার জন্য দুই দেশের মধ্যে সুসংগঠিত দ্বিপক্ষীয় কাঠামো রয়েছে। বৃহস্পতিবার তিনি জানান, পানিবণ্টন ও নদী ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিদ্যমান যৌথ প্রক্রিয়াগুলো নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে তিস্তা চুক্তি নিয়ে নতুন কোনো অগ্রগতি বা নির্দিষ্ট সময়সীমা সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।
অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রত্যাবাসন। এই প্রক্রিয়া সফল করতে বাংলাদেশের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি। জয়সওয়াল জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের কাছে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের ২ হাজার ৮৬০টির বেশি মামলা ঝুলে আছে। এর মধ্যে অনেক আবেদন পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি বলেন, ‘দ্রুত যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানো সহজ ও সুশৃঙ্খলভাবে করা সম্ভব হবে। এর আগে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সীমান্তে সম্ভাব্য পুশব্যাক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বুধবার (৬ মে) সাংবাদিকদের তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর এমন কোনো ঘটনা ঘটবে বলে তিনি আশা করেন না। তবে সীমান্ত পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি)
সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানও এই বিষয়ে মন্তব্য করেন। বিএনপির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বক্তব্যে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর যদি সীমান্তে ‘পুশ ইন’ বা জোরপূর্বক লোক ঢোকানোর ঘটনা ঘটে, তাহলে বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে বিজেপি অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকে বড় রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে সামনে আনে। দলটি অভিযোগ করে, তৃণমূল কংগ্রেস সরকার সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশে প্রশ্রয় দিচ্ছে। যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকার এই অভিযোগ বরাবরই প্রত্যাখ্যান করে এসেছে। এদিকে তিস্তা নদীর পানিবণ্টন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেছেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অভিন্ন নদীর সংখ্যা ৫৪টি এবং এসব নদী-সংক্রান্ত সব
ধরনের ইস্যু নিয়ে আলোচনা করার জন্য দুই দেশের মধ্যে সুসংগঠিত দ্বিপক্ষীয় কাঠামো রয়েছে। বৃহস্পতিবার তিনি জানান, পানিবণ্টন ও নদী ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিদ্যমান যৌথ প্রক্রিয়াগুলো নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে তিস্তা চুক্তি নিয়ে নতুন কোনো অগ্রগতি বা নির্দিষ্ট সময়সীমা সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।



