পাকিস্তানের আগ্রাসনে আফগানিস্তান ভারতমুখী- এস এম সাদ্দাম হোসাইন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৮ অক্টোবর, ২০২৫
     ৭:৪৬ পূর্বাহ্ণ

পাকিস্তানের আগ্রাসনে আফগানিস্তান ভারতমুখী- এস এম সাদ্দাম হোসাইন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৮ অক্টোবর, ২০২৫ | ৭:৪৬ 88 ভিউ
দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতির মঞ্চে এক নাটকীয় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। যে আফগানিস্তানকে পাকিস্তান একসময় নিজেদের 'কৌশলগত উঠোন' (Strategic Backyard) মনে করত, সেই আফগানিস্তান আজ ইসলামাবাদ-প্রদত্ত বৈরিতা প্রত্যাখ্যান করে দিল্লির দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়াচ্ছে। এটি নিছকই একটি ভূ-রাজনৈতিক বাঁক নয়, বরং পাকিস্তানের বহু দশকের আফগান নীতির ব্যর্থতার সুস্পষ্ট প্রমাণ। আফগানিস্তানের ভারতমুখী হওয়া কেবল যৌক্তিকই নয়, বরং দেশটির স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং আত্মনির্ভরতার জন্য অপরিহার্য। এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধকে, যেখানে পাকিস্তান একই ধরনের কৌশলগত ভুল করে একটি নবীন জাতির জন্ম দিয়েছিল এবং নিজের প্রভাব চিরতরে হারিয়েছিল। একাত্তরের বাংলাদেশের দিকে তাকালে আমরা পাকিস্তানের একই ধরনের ভুল দেখতে পাই। তৎকালীন

পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও স্বশাসনের আকাঙ্ক্ষাকে সামরিক শক্তি দিয়ে দমন করার চেষ্টা করেছিল পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী। একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী রাজনৈতিক দলকে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে, পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ২৫শে মার্চ, ১৯৭১-এ 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে এক নৃশংস গণহত্যা শুরু করে। এই নৃশংসতা বাঙালির স্বাধিকারের আন্দোলনকে স্বাধীনতার যুদ্ধে পরিণত করে। এই সময় ভারতের ভূমিকা ছিল আফগানিস্তানের বর্তমান প্রেক্ষাপটের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। ভারত সামরিক হস্তক্ষেপের পথে না হেঁটে প্রথমে মানবিক সহায়তা এবং কূটনৈতিক সমর্থন প্রদান করে। কোটি কোটি বাংলাদেশি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে, তাদের খাদ্য ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করে ভারত প্রমাণ করেছিল যে তাদের বন্ধুত্ব ক্ষমতার পালাবদলের উপর

নির্ভরশীল নয়, বরং তা সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য নিবেদিত। আফগানিস্তানের বর্তমান তালেবান সরকার যখন অস্ত্র ছেড়ে উন্নয়নের পথে হাঁটতে চাইছে, তখন পাকিস্তানের আগ্রাসী মনোভাব শান্তির এই প্রচেষ্টায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকীর ভারত সফর এবং সেখানে দাঁড়িয়ে তার "সন্ত্রাসমুক্ত আফগানিস্তান" গড়ার বার্তা ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, আফগানিস্তানের মাটি আর কোনো ভারত-বিরোধী কার্যকলাপের জন্য ব্যবহৃত হবে না। এটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আশ্বাস এবং আফগানিস্তানের পরিবর্তিত দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত। এই বার্তা, একাত্তরে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার কর্তৃক ভারতের কাছে সাহায্যের আবেদন এবং মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সমর্থন, উভয়েরই মূল সুর ছিল শান্তি, নিরাপত্তা এবং আত্মমর্যাদা। ঠিক

এই সময়েই পাকিস্তানের কাবুলের বেসামরিক বাজারে বিমান হামলা চালানো কেবল সামরিক অভিযান ছিল না, এটি ছিল একটি পরিষ্কার রাজনৈতিক বার্তা। পাকিস্তান সম্ভবত বোঝাতে চেয়েছিল যে, ভারতের সঙ্গে আফগানিস্তানের ঘনিষ্ঠতা তারা সহ্য করবে না। কিন্তু এই আগ্রাসী চালটিই এখন ইসলামাবাদের জন্য বুমেরাং হয়ে ফিরে আসছে। আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই হামলাকে 'সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন' বলে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং পাল্টা অভিযানের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তালেবান সরকারের এই কঠোর অবস্থান প্রমাণ করে, তারা আর পাকিস্তানের তাঁবেদারি করতে রাজি নয়। আফগানিস্তান এখন তার নিজস্ব স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বদ্ধপরিকর। ১৯৭১ সালেও পাকিস্তান একই কৌশল অবলম্বন করেছিল। বাঙালি জনগণের উপর সামরিক হামলা চালিয়ে, তাদের ন্যায্য দাবিকে উপেক্ষা

করে পাকিস্তান ভেবেছিল তারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে পারবে। কিন্তু ফলাফল হয়েছিল সম্পূর্ণ বিপরীত – একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল। পাকিস্তানের সামরিক আগ্রাসন এবং দমন-পীড়নই শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথ সুগম করেছিল, যেখানে ভারতের সমর্থন ছিল অবিচ্ছেদ্য। এর সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র হলো ভারতের। ভারত আফগানিস্তানে সামরিক হস্তক্ষেপের পথে না হেঁটে বরাবরই গঠনমূলক কূটনীতি এবং 'সফট পাওয়ার' প্রয়োগের উপর জোর দিয়েছে। সালমা বাঁধ, সংসদ ভবন নির্মাণ, এবং চাবাহার বন্দরের মাধ্যমে জারাঞ্জ-দেলারাম হাইওয়ে তৈরি করে পাকিস্তানকে পাশ কাটিয়ে আফগানিস্তানকে সমুদ্রপথে বাণিজ্যের সুযোগ করে দেওয়া—এইসব প্রকল্প শুধু দুটি দেশের মধ্যে পরিকাঠামোগত সংযোগই বাড়ায়নি, বরং আফগান জনগণের মনে ভারতের জন্য একটি স্থায়ী শ্রদ্ধার

আসন তৈরি করেছে। তালেবান ক্ষমতা দখলের পরেও মানবিক বিপর্যয় ঠেকাতে ভারতের পাঠানো গম, ওষুধ ও অন্যান্য সহায়তা প্রমাণ করে যে দিল্লির বন্ধুত্ব ক্ষমতার পালাবদলের উপর নির্ভরশীল নয়, বরং তা আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষের প্রয়োজন ও কল্যাণের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। একাত্তরে ভারতের ভূমিকা ছিল একই রকম গঠনমূলক। সামরিক সমর্থন ছাড়াও, ভারত শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে, আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত তৈরি করে এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতি অবিচল আস্থা রেখেছিল। এই 'সফট পাওয়ার' এবং মানবিক কূটনীতিই শেষ পর্যন্ত সফল হয়েছিল। পাকিস্তান যখন সৌদি আরবের সঙ্গে মিলে 'পূর্বাঞ্চলীয় ন্যাটো' গঠনের স্বপ্ন দেখছে, যা এই অঞ্চলের সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে, তখন

আফগানিস্তানের মতো যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশের জন্য ভারতের মতো স্থিতিশীল ও উন্নয়নকামী অংশীদার অত্যাবশ্যক। পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, এই প্রতিরক্ষা চুক্তির লক্ষ্য মূলত ভারতকে চাপে রাখা। কিন্তু এই ধরনের আগ্রাসী সামরিক জোট গঠনের প্রচেষ্টা কেবল অস্থিতিশীলতা বাড়াবে এবং আফগানিস্তানকে আরও বেশি করে ভারতের মতো উন্নয়ন সহযোগী রাষ্ট্রের দিকে ঠেলে দেবে। একাত্তরেও পাকিস্তান একই ধরনের সামরিকীকরণ এবং ভারত-বিরোধী জোট গঠনের চেষ্টা করেছিল। তারা তৎকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের সমর্থন লাভের চেষ্টা করেছিল, যা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছিল। পাকিস্তানের সামরিকীকরণ নীতি কেবল নিজেদের বিচ্ছিন্নই করেনি, বরং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়িয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত নিজেদেরই পতন ডেকে এনেছিল। আজকের বাস্তবতা হলো, পাকিস্তান তার নিজের তৈরি করা খেলার নিয়মেই হেরে যাচ্ছে। যে সন্ত্রাসবাদকে তারা একসময় অন্যের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করত, আজ সেই সন্ত্রাসবাদ তাদের নিজেদের জন্যই হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর যে আফগানিস্তানকে তারা নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছিল, সেই আফগানিস্তান আজ নিজের সার্বভৌমত্ব ও স্বার্থ রক্ষায় ভারতের হাত ধরতে চাইছে। আফগানিস্তান 'সাম্রাজ্যের কবরস্থান' হিসেবে পরিচিত। যারা আফগানিস্তানকে নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছে, তাদের প্রত্যেকেরই কবর হয়েছে। পাকিস্তানের ক্রমাগত সামরিক আগ্রাসন এবং নাক গলানো নীতি কেবল আফগানিস্তানের জনগণের আস্থা নষ্ট করছে না, বরং নিজেদেরই ভূ-রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করছে। এই পরিস্থিতি হুবহু ১৯৭১ সালের পুনরাবৃত্তি। তখন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের ন্যায্য অধিকার এবং স্বশাসনের আকাঙ্ক্ষাকে সন্ত্রাসবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছিল। কিন্তু ইতিহাস প্রমাণ করেছে যে, জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে সামরিক শক্তি দিয়ে দমন করা যায় না, বরং তা আরও তীব্রভাবে জ্বলে ওঠে। পাকিস্তানের সেই দিনের ভুল থেকে আজকের আফগানিস্তান শিক্ষা নিচ্ছে এবং স্বাধীন পথে হাঁটছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের "জঙ্গিবাদ মুক্ত, সার্বভৌম ও আত্মনির্ভর আফগানিস্তান" দেখার যে স্বপ্ন, তা বাস্তবায়নের পথ হয়তো আজ আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রশস্ত। পাকিস্তানের কৌশলগত ভুল ভারতের জন্য এক বিরাট কূটনৈতিক সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। নয়াদিল্লি যদি এই সুযোগকে দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগিয়ে উন্নয়ন, বাণিজ্য ও মানবিক সহায়তার মাধ্যমে আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়াতে পারে, তাহলে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতার এক নতুন অধ্যায় রচনা করা সম্ভব। এটি হবে অস্ত্রের উপর কূটনীতির চূড়ান্ত বিজয়, যা একাত্তরের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে প্রাপ্ত এক অবিস্মরণীয় শিক্ষা। একাত্তরের উদাহরণ স্পষ্ট করে তোলে যে, কোনো দেশ যখন তার জনগণের মৌলিক অধিকার, আত্মমর্যাদা এবং স্বাধীনতাকে অস্বীকার করে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে, তখন তার পরিণতি হয় বিপর্যয়কর। পাকিস্তান সেদিন বাঙালি জনগণের কণ্ঠরোধ করতে চেয়েছিল, কিন্তু বিশ্ব দেখেছে একটি স্বাধীন জাতিসত্তার উত্থান। আজ আফগানিস্তানের ক্ষেত্রেও একই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। পাকিস্তান তার আগ্রাসী এবং দমনমূলক নীতির কারণে আফগানিস্তানের বিশ্বাস হারিয়েছে, যেখানে ভারত তার মানবিকতা এবং উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে আফগান জনগণের আস্থা অর্জন করছে। এই প্রেক্ষাপটে, আফগানিস্তানের ভারতমুখী হওয়া কেবল যৌক্তিকই নয়, এটি একটি স্বাধীন জাতির টিকে থাকার এবং সমৃদ্ধি অর্জনের অনিবার্য পথ। ইতিহাস আবারও প্রমাণ করছে যে, সামরিক শক্তি এবং আগ্রাসন নয়, বরং শান্তি, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাই টেকসই সম্পর্ক ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার চাবিকাঠি। লেখক, এস এম সাদ্দাম হোসাইন সভাপতি, কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক নিবন্ধের বিষয়বস্তু এবং মূল বক্তব্য অনুসারে নিম্নলিখিত হ্যাশট্যাগগুলি তৈরি করা যেতে পারে:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ইরান নতি স্বীকার নয়, যুদ্ধই বেছে নেবে! ইউরোপজুড়ে গুপ্তচর নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে রাশিয়া শুনেছি আমি আর নেই : আহসান এইচ মনসুর যুক্তরাষ্ট্রে ছুরিকাঘাতে ৪ জন নিহত ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম “এ দেশে যতদিন একটা বাঙালি থাকবে, ততদিন আওয়ামী লীগ থাকবে” Bangladesh Economy Then vs Now – Stability Under Awami League vs Fiscal Strain Today বিএনপির শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে যেভাবে চলেছে ভোট চুরির মহোৎসব আন্তর্জাতিক অপরাধ তদন্ত আদালতের চীফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহিদ সেনা কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বিনম্র চিত্তে স্মরণ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আদালত দখলের রাজনীতি! এজলাসে ভাঙচুর অফিসিয়ালি বিএনপির চাঁদাবাজি যুগের সূচনা চাঁদাবাজির নতুন নাম “সমঝোতা” ইউনূস-জাহাঙ্গীরের জোর করে দেয়া সেই ইউনিফর্ম পরতে চায় না পুলিশ ইউনূস আমলের ভয়াবহ দুর্নীতি-চাঁদাবাজির হিসাব সামনে আনল ডিসিসিআই রাষ্ট্রপতির বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিলেন ইউনূস Unattended Ballot Boxes: New Questions in Bangladesh’s 2026 Vote টিসিবির ট্রাকের পিছে ছুটছে বাংলাদেশ সংসদের বৈধতার প্রশ্ন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা মুক্তিযুদ্ধকে ‘জনযুদ্ধ’ বলে ছোট করতে চাইলে তারা মীর জাফর: ভাইরাল ভিডিওতে তরুণের মন্তব্য পুলিশের নতুন আইজিপি হলেন আলী হোসেন ফকির