ন্যাশনাল গার্ড সেনাদের গুলি: সিআইএর সঙ্গে কাজ করতেন সন্দেহভাজন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
     ৩:২৯ অপরাহ্ণ

ন্যাশনাল গার্ড সেনাদের গুলি: সিআইএর সঙ্গে কাজ করতেন সন্দেহভাজন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৯ নভেম্বর, ২০২৫ | ৩:২৯ 47 ভিউ
আফগানদের জন্য বিশেষ অভিবাসন সুরক্ষার একটি কর্মসূচির মাধ্যমে ২০২১ সালে অ্যামেরিকায় আসেন লাকানওয়াল। আফগানিস্তান থেকে অ্যামেরিকার সেনা প্রত্যাহারের পর দেশ ছাড়েন তিনি। ওয়াশিংটন ডিসিতে বুধবার ন্যাশনাল গার্ড সেনাদের গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন রহমানুল্লাহ লাকানওয়াল আফগানিস্তানে অ্যামেরিকার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি-সিআইএর সঙ্গে কাজ করতেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তারা জানান, লাকানওয়াল চার বছর আগে অ্যামেরিকায় আসেন। বিবিসি নিউজের খবরে বলা হয়, হোয়াইট হাউসের কয়েক ব্লক দূরে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া ন্যাশনাল গার্ডের দুই সেনা সারাহ বেকস্টর্ম (২০) ও অ্যান্ড্রু ওলফকে (২৪) গুলিতে অভিযুক্ত হন লাকানওয়াল। ‘আমাদের প্রার্থনা তারা বেঁচে ফিরুক এবং সর্বোচ্চ অভিযোগ ইচ্ছাকৃত ও পরিকল্পিত হত্যা না হোক’, বৃহস্পতিবার বলেন ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়ার

অ্যাটর্নি জিনাইন পিরো। আফগানদের জন্য বিশেষ অভিবাসন সুরক্ষার একটি কর্মসূচির মাধ্যমে ২০২১ সালে অ্যামেরিকায় আসেন লাকানওয়াল। আফগানিস্তান থেকে অ্যামেরিকার সেনা প্রত্যাহারের পর দেশ ছাড়েন তিনি। হামলা নিয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে পিরো ও ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-এফবিআইয়ের পরিচালক ক্যাশ প্যাটেল অ্যামেরিকার বাহিনীর সঙ্গে লাকানওয়ালের সংযোগ তুলে ধরেন। প্যাটেল জানান, অ্যামেরিকায় আসার আগে আফগানিস্তানে অ্যামেরিকার সহযোগী বাহিনীর সঙ্গে সন্দেহভাজনের সম্পর্কের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। সাবেক এক সামরিক কমান্ডার বিবিসির আফগান সার্ভিসকে জানান, তালেবান ক্ষমতা গ্রহণের পর কাবুল বিমানবন্দর ছেড়ে যেতে যখন হাজারো আফগান মরিয়া, সে সময়ে প্রহরায় অ্যামেরিকার বাহিনীকে সহায়তা করেন লাকানওয়াল। এর ৯ বছর আগে কান্দাহার স্ট্রাইক ফোর্সের ইউনিট-৩-এ নিয়োগ করা হয়েছিল পাঁচ সন্তানের জনক এ

আফগান নাগরিককে। তিনি যে ইউনিটে কাজ করতেন, সেটি স্থানীয়ভাবে স্করপিয়ন ফোর্সেস হিসেবে পরিচিত। এটি শুরুতে সিআইএর অধীনে কাজ করলেও পরবর্তী সময়ে আফগান গোয়েন্দা বিভাগের অধীনে চলে যায়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
পাতানো নির্বাচনে জামায়াতকে ক্ষমতায় বসানোর নীল নকশা কি চূড়ান্ত? ইসলামে নারীদের শীর্ষ পদে যাওয়ার সুযোগ নেইঃ জামায়াত এর নারী বিভাগের শীর্ষ নেত্রী শেখ হাসিনার সময় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছিলো, এখন নেপালও অবজ্ঞা করে: অধ্যাপক ইমতিয়াজ জামায়াতের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ভোটার স্থানান্তরের অভিযোগ: আসনভিত্তিক তথ্য চায় বিএনপি ছুটির দিনগুলোতে ভ্রমণকারীরা আশা করেননি যে সমুদ্র সৈকত এতটা সুন্দর হবে গণভোট—জনগণের কণ্ঠ, নাকি আগে থেকেই লেখা উত্তরের উপর সিলমোহর? যখন এক প্রশ্নে বহু সিদ্ধান্ত গুঁজে দেওয়া হয়, The Persecution Report accountability in Bangladesh under the interim administration led by Nobel laureate Muhammad Yunus. কর্মজীবী নারীকে ‘পতিতা’র সঙ্গে তুলনা: জামায়াত আমিরের নিঃশর্ত ক্ষমা দাবি প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের মুম্বাই হামলার কারিগররা এখন ঢাকায় ঢালাও ভিসা সুবিধায় পাকিস্তান থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ঢুকছে জঙ্গি, নীরব প্রশাসন! জামিন পাওয়ার পরও যদি জেলগেট থেকেই আবার ভুয়া মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয় ঘুষের বিনিময়ে দেশ বিক্রির রাজনীতির নামই ছিল বিএনপি–জামায়াত জুলাই–আগস্টে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের বিষয়ে সুশীল সমাজ চুপ কেন? Bail, Then Re-Arrested: Prison Gates Turned Into Tools of Political Vengeance গ্যাস সংকটে ক্ষুব্ধ জনতা, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ বাঙালি জাতির মুক্তির নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ডাকে জন্ম নিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান Biased Election, Broken Democracy এক সপ্তাহে ৮ বার অগ্নিসংযোগ: মিরসরাইয়ে ‘টার্গেট’ হিন্দু পরিবার, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে জাফরাবাদের রাজধানীতে ভুয়া ডিবি পরিচয়ে যুবলীগ নেতাকে তুলে নিয়ে রাতভর পৈশাচিক নির্যাতন: ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণের অভিযোগ