
ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর

ঈদেও নিষ্ক্রিয় সেই সব ‘কিংস পার্টি’

রোডম্যাপসহ নানা দাবি উত্তপ্ত হবে রাজপথ

পরিস্থিতি বুঝে জোটবদ্ধ নির্বাচন করতে বাঁধা নেই: আখতার হোসেন

জয়দীপের লেখা ধর্মীয় সহিংসতার উস্কানি সৃষ্টির অপচেষ্টা: এবি পার্টি

ঈদ আনন্দ মিছিল, আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের বিবৃতি

চাঁদাবাজির অভিযোগ, বিএনপি নেতা নিপুনকে অব্যাহতি

নীলফামারীতে বিএনপির দু’গ্রপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি
‘দল ক্ষমতায় না গেলেও মিথ্যা মামলা, হামলা ও চাঁদাবাজি শুরু করেছে’

বাংলাদেশের যতগুলো দল এসেছে, সবগুলো দলই দুর্নীতি করেছে। এখনো কিছু দল ক্ষমতায় না গেলেও মিথ্যা মামলা, হামলা ও চাঁদাবাজি শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন ইনসাফ জিন্দাবাদ স্লোগানের ‘জনতার দল’-এর চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শামীম কামাল।
বৃহস্পতিবার ( ৩ এপ্রিল) সকাল থেকে দিনব্যাপি কালীগঞ্জ ও আদিতমারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক মোটরসাইকেল শোডাউন করেন। দল গঠনের পর এটাই তার প্রথম আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী এলাকা সফর ও জনসংযোগ।
তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের পর আমি অনেক বড় বড় প্রস্তাব পেয়েছি। সরকারের উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাবও আমার কাছে এসেছিল। অনেক দল আমাকে নেওয়ার চেষ্টাও করেছে। আমি যদি তাদের সঙ্গে যোগদান করি, তাহলে আমাকে বড়
পদ দেবে বলেছিল। কিন্তু আমি ভেবে দেখেছি, কিছুদিন পর তারা অপমানিত হয়ে বিদায় নেয়। অনেকেই এখন বাড়িতেও থাকতে পারছে না। এ কারণেই আমি নিজেই দল তৈরি করেছি। তিনি আরো বলেন, ৫ আগস্টের পর স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে আমি গবেষণা করে খুঁজে বের করেছি যে, বাংলাদেশে ভালো মানুষ এখনো আছে। তারা রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দেশের পরিবেশ উন্নত করতে পারে। ৪০-৫০ জন সাহসী লোকই যথেষ্ট হতে পারে। এ ছাড়াও তাদের সৎ ও দেশপ্রেমিক হতে হবে। সেনাবাহিনীতেও অনেক ভালো লোক আছেন, তাদের মধ্য থেকে আমি অনেককে খুঁজে বের করেছি। তিনি উল্লেখ করেন, যাদের প্রস্তাব দিয়েছি, তাদের মধ্যে ৯৭ শতাংশ মানুষ আমার প্রস্তাবে সায়
দিয়েছে। তাদের নিয়েই আমি এই দল গঠন করেছি। আমার চিন্তাভাবনা হলো, স্বাভাবিকভাবে দলগুলো যে পথে চলে, আমরা সে পথে চলব না, বরং তার উলটো পথে চলব। অর্থাৎ কই মাছের মতো। মিথ্যা হামলা-মামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে তারা এখন কি মাটিতে ঘুমাচ্ছে না? দেশে এত কাণ্ডকীর্তি ঘটে গেল, ঘটেনি কি? সেটা দেখে, সামনে যে দল ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখছে, তাদের মধ্যে লুটপাট কি কমেছে? বরং দেশে আরোবেড়েছে। এই এলাকায় আমরা হামলা-মামলা হতে দেবো না। এর বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। হ্যাঁ, যদি কেউ অন্যায়-অবিচার করে থাকে, তার নামে মামলা হোক। কিন্তু নিরীহ মানুষকে মিথ্যা মামলা বা
হামলা করা হলে, তার প্রতিবাদ আমাদের করতেই হবে। তিনি বলেন, আদিতমারীতে বিএনপি অফিস কোথায়, তা অনেকেই জানে না, অথচ মামলায় কীভাবে তার নাম আসে? ছাত্র হত্যা মামলায় অনেক মানুষ এখন জেলখানায়। এমনকি আমার ছোট বোনের স্বামীও জেলখানায় আছেন। দেশ এখন জুলুমের রাজ্যে পরিণত হয়েছে। যারা মিথ্যা মামলা দিয়েছে, তাদের বর্জন করুন, এখনো সময় আছে। তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও আমরা তাদের ভোট দেবো না। গত ২০ মার্চ ঢাকায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘জনতার দল’ আত্মপ্রকাশ করে। অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শামীম কামালকে চেয়ারম্যান করে দলের প্রাথমিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। দলটির লক্ষ্য হিসেবে ‘নতুন বাংলাদেশের অঙ্গীকার’ এবং স্লোগান হিসেবে ‘ইনসাফ জিন্দাবাদ’ নির্ধারণ করা হয়েছে। দল
ঘোষণার পর প্রথম নিজ এলাকায় এসে চেয়ারম্যান শামীম কামাল দিনব্যাপী মোটরসাইকেল শোডাউনের মাধ্যমে নিজের উপস্থিতি জানান দেন এবং স্থানীয় জনগণের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তার এই সফর ও শোডাউনকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। নতুন দলের চেয়ারম্যানের এই কর্মসূচিকে ঘিরে কালীগঞ্জ ও আদিতমারীর রাজনৈতিক অঙ্গনেও বেশ আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।
পদ দেবে বলেছিল। কিন্তু আমি ভেবে দেখেছি, কিছুদিন পর তারা অপমানিত হয়ে বিদায় নেয়। অনেকেই এখন বাড়িতেও থাকতে পারছে না। এ কারণেই আমি নিজেই দল তৈরি করেছি। তিনি আরো বলেন, ৫ আগস্টের পর স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে আমি গবেষণা করে খুঁজে বের করেছি যে, বাংলাদেশে ভালো মানুষ এখনো আছে। তারা রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দেশের পরিবেশ উন্নত করতে পারে। ৪০-৫০ জন সাহসী লোকই যথেষ্ট হতে পারে। এ ছাড়াও তাদের সৎ ও দেশপ্রেমিক হতে হবে। সেনাবাহিনীতেও অনেক ভালো লোক আছেন, তাদের মধ্য থেকে আমি অনেককে খুঁজে বের করেছি। তিনি উল্লেখ করেন, যাদের প্রস্তাব দিয়েছি, তাদের মধ্যে ৯৭ শতাংশ মানুষ আমার প্রস্তাবে সায়
দিয়েছে। তাদের নিয়েই আমি এই দল গঠন করেছি। আমার চিন্তাভাবনা হলো, স্বাভাবিকভাবে দলগুলো যে পথে চলে, আমরা সে পথে চলব না, বরং তার উলটো পথে চলব। অর্থাৎ কই মাছের মতো। মিথ্যা হামলা-মামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে তারা এখন কি মাটিতে ঘুমাচ্ছে না? দেশে এত কাণ্ডকীর্তি ঘটে গেল, ঘটেনি কি? সেটা দেখে, সামনে যে দল ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখছে, তাদের মধ্যে লুটপাট কি কমেছে? বরং দেশে আরোবেড়েছে। এই এলাকায় আমরা হামলা-মামলা হতে দেবো না। এর বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। হ্যাঁ, যদি কেউ অন্যায়-অবিচার করে থাকে, তার নামে মামলা হোক। কিন্তু নিরীহ মানুষকে মিথ্যা মামলা বা
হামলা করা হলে, তার প্রতিবাদ আমাদের করতেই হবে। তিনি বলেন, আদিতমারীতে বিএনপি অফিস কোথায়, তা অনেকেই জানে না, অথচ মামলায় কীভাবে তার নাম আসে? ছাত্র হত্যা মামলায় অনেক মানুষ এখন জেলখানায়। এমনকি আমার ছোট বোনের স্বামীও জেলখানায় আছেন। দেশ এখন জুলুমের রাজ্যে পরিণত হয়েছে। যারা মিথ্যা মামলা দিয়েছে, তাদের বর্জন করুন, এখনো সময় আছে। তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও আমরা তাদের ভোট দেবো না। গত ২০ মার্চ ঢাকায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘জনতার দল’ আত্মপ্রকাশ করে। অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শামীম কামালকে চেয়ারম্যান করে দলের প্রাথমিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। দলটির লক্ষ্য হিসেবে ‘নতুন বাংলাদেশের অঙ্গীকার’ এবং স্লোগান হিসেবে ‘ইনসাফ জিন্দাবাদ’ নির্ধারণ করা হয়েছে। দল
ঘোষণার পর প্রথম নিজ এলাকায় এসে চেয়ারম্যান শামীম কামাল দিনব্যাপী মোটরসাইকেল শোডাউনের মাধ্যমে নিজের উপস্থিতি জানান দেন এবং স্থানীয় জনগণের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তার এই সফর ও শোডাউনকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। নতুন দলের চেয়ারম্যানের এই কর্মসূচিকে ঘিরে কালীগঞ্জ ও আদিতমারীর রাজনৈতিক অঙ্গনেও বেশ আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।