ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব সন্ত্রাসের মহোৎসবে জুলাই দাঙ্গার ফসল ঘরে তুলছে বাংলাদেশ
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
তারেক রহমানের নাগরিকত্ব বিতর্ক: নির্বাচনের প্রশ্নচিহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে বিএনপির সিনিয়র নেতা তারেক রহমান এবং তার নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্ক আবার চরমে উঠেছে। তিনি কি সত্যিই ব্রিটিশ নাগরিক নাকি বাংলাদেশের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য যোগ্য নেতা? রাজনৈতিক মহলে এবং ভোটারদের মধ্যে এই প্রশ্ন এখন সবচেয়ে আলোচিত।
ব্রিটিশ কোম্পানি হাউসের তথ্য
তথ্য অনুসারে, যুক্তরাজ্যের Companies House-এ নিবন্ধিত White and Blue Consultants Limited-এর পরিচালক হিসেবে তারেক রহমানের তথ্য প্রথমে এভাবে উল্লেখ ছিল
জাতীয়তা: British
পদবি: Director
শেয়ারহোল্ডিং: ৫০% তারেক, ৫০% স্ত্রী Zubaida Rahman
কোম্পানির শেয়ার ও পরিচালনার পুরো ক্ষমতা তারেক ও তার পরিবারের হাতে। কোনো চেক অ্যান্ড ব্যালান্স না থাকায় কার্যত কোম্পানির সব সিদ্ধান্তের সর্বোচ্চ ক্ষমতা তারেকের নিয়ন্ত্রণে।
এই তথ্য প্রকাশের পর রাজনৈতিক
মহলে প্রশ্ন ওঠে, সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্য কি না। বিএনপি এবং তারেক নিজস্বভাবে জানিয়েছেন: তিনি কখনো ডুয়াল নাগরিক ছিলেন না। নির্বাচনী শপথপত্রে তারেক নিজেকে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে ঘোষণা করেছেন। Companies House-এর তথ্য শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক ত্রুটি, যা পরে সংশোধন করা হয়েছে । দল মনে করছে, বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উত্থাপিত হচ্ছে। সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ স্পষ্টভাবে বলে: “বিদেশি নাগরিক নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।” আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, Companies House-এর রেকর্ড, বাংলাদেশের পাসপোর্ট তথ্য এবং তারেকের শপথপত্র একত্রে বিচার করে আদালতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিবে। সরকারের কিছু সূত্র বলছে, তারেকের বাংলাদেশি পাসপোর্ট হস্তান্তর বা অবৈধ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে বিএনপি এই দাবিকে নাকচ করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নাগরিকত্ব বিতর্ক বিএনপির
নির্বাচনী অবস্থানকে প্রভাবিত করতে পারে। বিরোধীরা এটিকে নির্বাচনী যোগ্যতার প্রশ্ন হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। বিএনপি এটিকে সরকারি চাপ হিসেবে দেখাচ্ছে। তথ্যগুলো বিতর্কিত আদালত এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারেকের নাগরিকত্ব এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা চূড়ান্ত নয়। বাংলাদেশে ভোটের মরশুম এলেই কিছু প্রশ্ন বেশি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে। এবার সেই প্রশ্ন হলো বিএনপির সিনিয়র নেতা তারেক রহমানের নাগরিকত্ব। তিনি কি সত্যিই দেশের নাগরিক নন, নাকি রাজনৈতিক চাপের কারণে এই বিতর্ক তৈরি হচ্ছে? নাগরিকত্ব শুধু একটি শিরোনাম নয়। সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ স্পষ্টভাবে বলে, বিদেশি নাগরিক নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। কিন্তু কোম্পানি হাউসের তথ্য, সরকারী সূত্র এবং তারেকের নিজস্ব শপথপত্র— এই তিনটি তথ্য একে অপরের
সঙ্গে মিশে বিতর্ক আরও তীব্র করেছে। যুক্তরাজ্যের Companies House-এর তথ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানের প্রাথমিক ফাইলিং-এ তার জাতীয়তা “British” হিসেবে লেখা ছিল। যদিও পরে তা সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু একবার প্রকাশিত তথ্য রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কাছে হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। বিএনপি বলছে, এটি প্রতিষ্ঠানিক ত্রুটি মাত্র। তারা দাবি করছে, তারেক সর্বদা বাংলাদেশের নাগরিক এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্য। কিন্তু সরকার এবং আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পাসপোর্ট বা অন্যান্য প্রশাসনিক প্রমাণ একবার বিচার করা উচিত। নাগরিকত্বের প্রশ্ন এখন কেবল রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়; এটি ভোটারদের আস্থা, দেশের আইন ও নির্বাচন ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
মহলে প্রশ্ন ওঠে, সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্য কি না। বিএনপি এবং তারেক নিজস্বভাবে জানিয়েছেন: তিনি কখনো ডুয়াল নাগরিক ছিলেন না। নির্বাচনী শপথপত্রে তারেক নিজেকে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে ঘোষণা করেছেন। Companies House-এর তথ্য শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক ত্রুটি, যা পরে সংশোধন করা হয়েছে । দল মনে করছে, বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উত্থাপিত হচ্ছে। সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ স্পষ্টভাবে বলে: “বিদেশি নাগরিক নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।” আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, Companies House-এর রেকর্ড, বাংলাদেশের পাসপোর্ট তথ্য এবং তারেকের শপথপত্র একত্রে বিচার করে আদালতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিবে। সরকারের কিছু সূত্র বলছে, তারেকের বাংলাদেশি পাসপোর্ট হস্তান্তর বা অবৈধ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে বিএনপি এই দাবিকে নাকচ করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নাগরিকত্ব বিতর্ক বিএনপির
নির্বাচনী অবস্থানকে প্রভাবিত করতে পারে। বিরোধীরা এটিকে নির্বাচনী যোগ্যতার প্রশ্ন হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। বিএনপি এটিকে সরকারি চাপ হিসেবে দেখাচ্ছে। তথ্যগুলো বিতর্কিত আদালত এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারেকের নাগরিকত্ব এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা চূড়ান্ত নয়। বাংলাদেশে ভোটের মরশুম এলেই কিছু প্রশ্ন বেশি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে। এবার সেই প্রশ্ন হলো বিএনপির সিনিয়র নেতা তারেক রহমানের নাগরিকত্ব। তিনি কি সত্যিই দেশের নাগরিক নন, নাকি রাজনৈতিক চাপের কারণে এই বিতর্ক তৈরি হচ্ছে? নাগরিকত্ব শুধু একটি শিরোনাম নয়। সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ স্পষ্টভাবে বলে, বিদেশি নাগরিক নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। কিন্তু কোম্পানি হাউসের তথ্য, সরকারী সূত্র এবং তারেকের নিজস্ব শপথপত্র— এই তিনটি তথ্য একে অপরের
সঙ্গে মিশে বিতর্ক আরও তীব্র করেছে। যুক্তরাজ্যের Companies House-এর তথ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানের প্রাথমিক ফাইলিং-এ তার জাতীয়তা “British” হিসেবে লেখা ছিল। যদিও পরে তা সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু একবার প্রকাশিত তথ্য রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কাছে হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। বিএনপি বলছে, এটি প্রতিষ্ঠানিক ত্রুটি মাত্র। তারা দাবি করছে, তারেক সর্বদা বাংলাদেশের নাগরিক এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্য। কিন্তু সরকার এবং আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পাসপোর্ট বা অন্যান্য প্রশাসনিক প্রমাণ একবার বিচার করা উচিত। নাগরিকত্বের প্রশ্ন এখন কেবল রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়; এটি ভোটারদের আস্থা, দেশের আইন ও নির্বাচন ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।



