ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ হাসিনার চিন্তা এত শক্তিশালী যে শত্রুরাও তা হুবহু নকল করে
‘১৫ বছর কী স্বার্থে কেন চুপ ছিলেন?’—ইকবাল করিম ভূঁইয়াকে খোলা চিঠিতে প্রশ্ন
ভোট ব্যাংক দখলে জামায়াতের ভয়ংকর নীলনকশা: ৯ আসনে সাড়ে ৪ লাখ ‘বহিরাগত’ ভোটার অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ
‘জুলাই সনদের আড়ালে এলজিবিটি ও পশ্চিমা এজেন্ডা?’—না ভোটের ডাক দিয়ে আসিফ মাহতাবের সতর্কবার্তা
‘নির্যাতিত’ যুবলীগ কর্মী রিয়াদের আর্তনাদ: ‘আগামী প্রজন্ম ও দেশকে বাঁচাতে পাতানো নির্বাচন বর্জন করুন’
‘অবৈধ’ নির্বাচন বর্জন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ভোটের ডাক গোলাম রাব্বানীর
পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে জাবিতে সাংবাদিককে ‘হেনস্তা’
ণভোট, এপস্টিন, ডিপি ওয়ার্ল্ড, সোমালিল্যান্ড ও গণহত্যা*
একটি বিষয় লক্ষ্য করে আমি অবাক হয়েছি যে রোহিঙ্গাদের গ্রহণ করা, সেন্ট মার্টিনকে জনবিচ্ছিন্ন করা, পার্বত্য চট্টগ্রামের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়া এবং চট্টগ্রাম বন্দরকে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দিয়ে দেওয়া নিয়ে বর্তমানের অবৈধ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অসম্ভব অনড় এবং অত্যন্ত একরোখা। দেশের সার্বভৌমত্ব এবং ভূমি হারানোর মতো অত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তারা যেন কোনো দ্বিতীয় কথা শুনতে নারাজ এবং বিষয়টা এমন যে এটা তাদের করতেই হবে। এটা কেন?
এই অবৈধ সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের এই অনমনীয়তা প্রমাণ করে উপরোক্ত কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক বা অর্থনৈতিক বা দেশের মঙ্গলের জন্য নয়। এর পেছনে অন্য কোনো মারাত্মক ও বিশাল উদ্দেশ্য রয়েছে।
উদ্বস্তু, বিচ্ছিন্ন এলাকা এবং বন্দর — এই তিন এক করলে একটি
নতুন রাষ্ট্র সৃষ্টি করা যায়। আপনি যদি কোনো একটি দেশের একটি এলাকায় সরকারের নিয়ন্ত্রণ হালকা করতে পারেন, সেই এলাকায় প্রচুর উদ্বাস্তুর সমাবেশ ঘটাতে পারেন এবং সেখানে একটি বন্দরের পুরো নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেন, তাহলে আপনি সেখানে একটি সশস্ত্র বাহিনী তৈরি করতে পারবেন যারা সেই ভূমি মুক্ত করবে। বন্দর তাদের অস্ত্র সরবরাহ করবে এবং সেটা দিয়ে অবৈধ সামগ্রী, যেমন মাদক বা খনিজ পাচার হবে। এই ঘটনাই ঘটেছে সোমালিল্যান্ডে যার পেছনে আছে ইসরাইল। সোমালিল্যান্ড হলো আফ্রিকার হর্ন অঞ্চলে অবস্থিত একটি স্বঘোষিত প্রজাতন্ত্র, যা ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পায়নি। এটি সোমালিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত এবং নিজস্ব সরকার, মুদ্রা, পাসপোর্ট এবং
নিরাপত্তা বাহিনী রয়েছে, তবে সোমালিয়া এটিকে তার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দাবি করে। সম্প্রতি, ২০২৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর ইসরাইল সোমালিল্যান্ডকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা এই অঞ্চলের রাজনীতিতে একটি বড় ঘটনা। এটি ইসরাইলের জন্য লাল সাগর অঞ্চলে কৌশলগত সুবিধা অর্জনের একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু এটি ব্যাপক বিতর্ক এবং নিন্দা সৃষ্টি করেছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো সরকার চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা দিতে বদ্ধপরিকর। দুবাইয়ের কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ড সোমালিল্যান্ড স্বাধীন করায় জড়িত। ডিপি ওয়ার্ল্ড হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)-ভিত্তিক একটি বৈশ্বিক বন্দর এবং লজিস্টিকস কোম্পানি, যা দুবাইয়ের সরকারি মালিকানাধীন। এটি সোমালিল্যান্ডের বারবেরা বন্দরের উন্নয়ন এবং পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, যা এই অঞ্চলের
ভূরাজনীতিতে একটি কেন্দ্রীয় উপাদান। ইসরাইলের সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেওয়ার পটভূমিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের ভূমিকা পরোক্ষভাবে জড়িত, কারণ ইউএই এই স্বীকৃতির মধ্যস্থতা করেছে এবং ডিপি ওয়ার্ল্ড ইউএই-এর কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। ২০১৬ সালে ডিপি ওয়ার্ল্ড সোমালিল্যান্ডের সঙ্গে ৪৪২ মিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে বারবেরা বন্দরের ৩০ বছরের কনসেশন (পরিচালনা অধিকার) লাভ করে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও ১০ বছর বাড়ানো যাবে। এই বিনিয়োগের মাধ্যমে বন্দরটিকে একটি আঞ্চলিক বাণিজ্য কেন্দ্রে রূপান্তরিত করা হয়েছে, যা ইথিওপিয়ার মতো ভূমিবেষ্টিত দেশের জন্য লজিস্টিকস করিডর হিসেবে কাজ করে। সোমালিয়া কেন্দ্রীয় সরকার বারবেরার এই ডিলকে “সর্বভৌমত্ব বর্জন” ও “ঘটিত দেশের সংকলন আইন লঙ্ঘন” হিসেবে ঘোষণা করেছে, কারণ তারা মনে করে এটি
সোমালিল্যান্ডকে আলাদা রাষ্ট্রের মর্যাদা দিচ্ছে — যা তারা মেনে নেয় না। সম্প্রতি অবমুক্ত হওয়া এপস্টিন ফাইলগুলোতে বারবার সোমালিল্যান্ডের উল্লেখ আসে, এবং ইসরাইল সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেওয়ার বহু বছর আগে থেকেই এপস্টাইনের স্বীকৃতি-সমর্থক নথি ফরোয়ার্ড করছিলেন ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কাছে। সেইসব ইমেইল অনুযায়ী, সোমালিল্যান্ডের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে এপস্টাইনের সম্পৃক্ততা অন্তত ২০১৩ সাল থেকে। ডিপি ওয়ার্ল্ড আফ্রিকার হর্ন অঞ্চলে আমিরাতের সম্প্রসারণে কেন্দ্রীয় ভূমিকা রেখেছে এবং সোমালিল্যান্ডের বারবেরা বন্দরের কার্যক্রম থেকে বছরে শত শত মিলিয়ন ডলার আয় আসে। রিপোর্টে আরও দেখা যায়, আফ্রিকার হর্ন অঞ্চলে আমিরাতের একাধিক বন্দর ও সামরিক ঘাঁটির মাধ্যমে দেশটি সুদানে আরএসএফ-এর কাছে অস্ত্র পাচার এবং সেখান থেকে স্বর্ণ পাচার করতে সক্ষম হয়েছে বলে
অভিযোগ আছে। সোমালিল্যান্ডের ঘটনা যে ছক তুলে নিয়ে আসে সেটা প্রমাণ করে যে এই অবৈধ সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের রোহিঙ্গাদের মেনে নেওয়া, পার্বত্য চট্টগ্রামের নিয়ন্ত্রণ, চট্টগ্রাম বন্দরকে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়া নিয়ে এই অনমনীয়তা কেন। তারা মনে করে গ্লোবালিস্ট ইহুদি শয়তানবাদী ক্যাবালের সর্বশক্তিমানরা এই পরিকল্পনার পেছনে, তাই এটা তাদের পক্ষে। এটাই সব নয়। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে তারা দেশে একটি গৃহযুদ্ধ বাধাতে চায়। এই কারণেই তরুণ নির্বোধদের নিয়ে সরকার গঠনের পরিকল্পনা, যারা আসলে সশস্ত্র সন্ত্রাসী। লক্ষ্য সশস্ত্র সংঘাত ও গৃহযুদ্ধ, যেটা সেই নতুন দেশ তৈরি করবে। মনে আছে ২০২৩ সালের ২৩ মে শেখ হাসিনা বলেছিলেন “পূর্ব তিমুরের মতো খ্রিষ্টান দেশ বানানোর চক্রান্ত চলছে?” কিন্তু বিষয়টা
আরো ভয়ংকর। সোমালিল্যান্ড তৈরির আগের ইসাক গণহত্যা সম্পর্কে জানতে হবে। ইসাক গণহত্যা, যা হারগেইসা হলোকাস্ট নামেও পরিচিত, সোমালিয়ার ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত অধ্যায়। এটি ১৯৮৭ থেকে ১৯৮৯ সালের মধ্যে ঘটেছে, যখন সিয়াদ বারের স্বৈরশাসিত সোমালি ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিকের সরকার ইসাক জাতির বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত গণহত্যা চালায়। এই গণহত্যায় ৫০,০০০ থেকে ২০০,০০০ ইসাক নাগরিক নিহত হয়, যা সোমালিল্যান্ড অঞ্চলের প্রধান জাতি ইসাকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়। জাতিসংঘের একটি তদন্ত রিপোর্টে এটিকে “সোমালি সরকার কর্তৃক ইসাক জাতির বিরুদ্ধে সুনিয়োজিত, পরিকল্পিত এবং কার্যকর গণহত্যা” হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। বাংলাদেশে ইসাক জাতি নেই, আছে বাঙালি জাতীয়তাবাদী এবং আওয়ামী লীগ। যাদের নির্মূল করতে পরিকল্পনা করা আছে গণহত্যার ছক। বাধ সাধছে বাংলাদেশের সংবিধান। সেট পরিবর্তনের জন্যই গণভোট।
নতুন রাষ্ট্র সৃষ্টি করা যায়। আপনি যদি কোনো একটি দেশের একটি এলাকায় সরকারের নিয়ন্ত্রণ হালকা করতে পারেন, সেই এলাকায় প্রচুর উদ্বাস্তুর সমাবেশ ঘটাতে পারেন এবং সেখানে একটি বন্দরের পুরো নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেন, তাহলে আপনি সেখানে একটি সশস্ত্র বাহিনী তৈরি করতে পারবেন যারা সেই ভূমি মুক্ত করবে। বন্দর তাদের অস্ত্র সরবরাহ করবে এবং সেটা দিয়ে অবৈধ সামগ্রী, যেমন মাদক বা খনিজ পাচার হবে। এই ঘটনাই ঘটেছে সোমালিল্যান্ডে যার পেছনে আছে ইসরাইল। সোমালিল্যান্ড হলো আফ্রিকার হর্ন অঞ্চলে অবস্থিত একটি স্বঘোষিত প্রজাতন্ত্র, যা ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পায়নি। এটি সোমালিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত এবং নিজস্ব সরকার, মুদ্রা, পাসপোর্ট এবং
নিরাপত্তা বাহিনী রয়েছে, তবে সোমালিয়া এটিকে তার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দাবি করে। সম্প্রতি, ২০২৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর ইসরাইল সোমালিল্যান্ডকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা এই অঞ্চলের রাজনীতিতে একটি বড় ঘটনা। এটি ইসরাইলের জন্য লাল সাগর অঞ্চলে কৌশলগত সুবিধা অর্জনের একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু এটি ব্যাপক বিতর্ক এবং নিন্দা সৃষ্টি করেছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো সরকার চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা দিতে বদ্ধপরিকর। দুবাইয়ের কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ড সোমালিল্যান্ড স্বাধীন করায় জড়িত। ডিপি ওয়ার্ল্ড হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)-ভিত্তিক একটি বৈশ্বিক বন্দর এবং লজিস্টিকস কোম্পানি, যা দুবাইয়ের সরকারি মালিকানাধীন। এটি সোমালিল্যান্ডের বারবেরা বন্দরের উন্নয়ন এবং পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, যা এই অঞ্চলের
ভূরাজনীতিতে একটি কেন্দ্রীয় উপাদান। ইসরাইলের সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেওয়ার পটভূমিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের ভূমিকা পরোক্ষভাবে জড়িত, কারণ ইউএই এই স্বীকৃতির মধ্যস্থতা করেছে এবং ডিপি ওয়ার্ল্ড ইউএই-এর কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। ২০১৬ সালে ডিপি ওয়ার্ল্ড সোমালিল্যান্ডের সঙ্গে ৪৪২ মিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে বারবেরা বন্দরের ৩০ বছরের কনসেশন (পরিচালনা অধিকার) লাভ করে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও ১০ বছর বাড়ানো যাবে। এই বিনিয়োগের মাধ্যমে বন্দরটিকে একটি আঞ্চলিক বাণিজ্য কেন্দ্রে রূপান্তরিত করা হয়েছে, যা ইথিওপিয়ার মতো ভূমিবেষ্টিত দেশের জন্য লজিস্টিকস করিডর হিসেবে কাজ করে। সোমালিয়া কেন্দ্রীয় সরকার বারবেরার এই ডিলকে “সর্বভৌমত্ব বর্জন” ও “ঘটিত দেশের সংকলন আইন লঙ্ঘন” হিসেবে ঘোষণা করেছে, কারণ তারা মনে করে এটি
সোমালিল্যান্ডকে আলাদা রাষ্ট্রের মর্যাদা দিচ্ছে — যা তারা মেনে নেয় না। সম্প্রতি অবমুক্ত হওয়া এপস্টিন ফাইলগুলোতে বারবার সোমালিল্যান্ডের উল্লেখ আসে, এবং ইসরাইল সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেওয়ার বহু বছর আগে থেকেই এপস্টাইনের স্বীকৃতি-সমর্থক নথি ফরোয়ার্ড করছিলেন ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কাছে। সেইসব ইমেইল অনুযায়ী, সোমালিল্যান্ডের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে এপস্টাইনের সম্পৃক্ততা অন্তত ২০১৩ সাল থেকে। ডিপি ওয়ার্ল্ড আফ্রিকার হর্ন অঞ্চলে আমিরাতের সম্প্রসারণে কেন্দ্রীয় ভূমিকা রেখেছে এবং সোমালিল্যান্ডের বারবেরা বন্দরের কার্যক্রম থেকে বছরে শত শত মিলিয়ন ডলার আয় আসে। রিপোর্টে আরও দেখা যায়, আফ্রিকার হর্ন অঞ্চলে আমিরাতের একাধিক বন্দর ও সামরিক ঘাঁটির মাধ্যমে দেশটি সুদানে আরএসএফ-এর কাছে অস্ত্র পাচার এবং সেখান থেকে স্বর্ণ পাচার করতে সক্ষম হয়েছে বলে
অভিযোগ আছে। সোমালিল্যান্ডের ঘটনা যে ছক তুলে নিয়ে আসে সেটা প্রমাণ করে যে এই অবৈধ সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের রোহিঙ্গাদের মেনে নেওয়া, পার্বত্য চট্টগ্রামের নিয়ন্ত্রণ, চট্টগ্রাম বন্দরকে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়া নিয়ে এই অনমনীয়তা কেন। তারা মনে করে গ্লোবালিস্ট ইহুদি শয়তানবাদী ক্যাবালের সর্বশক্তিমানরা এই পরিকল্পনার পেছনে, তাই এটা তাদের পক্ষে। এটাই সব নয়। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে তারা দেশে একটি গৃহযুদ্ধ বাধাতে চায়। এই কারণেই তরুণ নির্বোধদের নিয়ে সরকার গঠনের পরিকল্পনা, যারা আসলে সশস্ত্র সন্ত্রাসী। লক্ষ্য সশস্ত্র সংঘাত ও গৃহযুদ্ধ, যেটা সেই নতুন দেশ তৈরি করবে। মনে আছে ২০২৩ সালের ২৩ মে শেখ হাসিনা বলেছিলেন “পূর্ব তিমুরের মতো খ্রিষ্টান দেশ বানানোর চক্রান্ত চলছে?” কিন্তু বিষয়টা
আরো ভয়ংকর। সোমালিল্যান্ড তৈরির আগের ইসাক গণহত্যা সম্পর্কে জানতে হবে। ইসাক গণহত্যা, যা হারগেইসা হলোকাস্ট নামেও পরিচিত, সোমালিয়ার ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত অধ্যায়। এটি ১৯৮৭ থেকে ১৯৮৯ সালের মধ্যে ঘটেছে, যখন সিয়াদ বারের স্বৈরশাসিত সোমালি ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিকের সরকার ইসাক জাতির বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত গণহত্যা চালায়। এই গণহত্যায় ৫০,০০০ থেকে ২০০,০০০ ইসাক নাগরিক নিহত হয়, যা সোমালিল্যান্ড অঞ্চলের প্রধান জাতি ইসাকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়। জাতিসংঘের একটি তদন্ত রিপোর্টে এটিকে “সোমালি সরকার কর্তৃক ইসাক জাতির বিরুদ্ধে সুনিয়োজিত, পরিকল্পিত এবং কার্যকর গণহত্যা” হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। বাংলাদেশে ইসাক জাতি নেই, আছে বাঙালি জাতীয়তাবাদী এবং আওয়ামী লীগ। যাদের নির্মূল করতে পরিকল্পনা করা আছে গণহত্যার ছক। বাধ সাধছে বাংলাদেশের সংবিধান। সেট পরিবর্তনের জন্যই গণভোট।



