টিম ওয়ালজ কে যাকে কমালা হ্যারিস ‘রানিং মেট’ হিসাবে বেছে নিয়েছেন? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২০ October, ২০২৪

টিম ওয়ালজ কে যাকে কমালা হ্যারিস ‘রানিং মেট’ হিসাবে বেছে নিয়েছেন?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২০ October, ২০২৪ |
কয়েক মাস আগেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটার বাইরে হাতে গোনা কয়েকজন ছাড়া টিম ওয়ালজকে খুব একটা কেউ চিনতেন না। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আবহে মিনেসোটার এই গভর্নর এখন আলোচনার কেন্দ্রে। কমালা হ্যারিসের রানিং মেট তিনি। যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে যদি ডেমোক্র্যাট প্রার্থী মিজ হ্যারিস জেতেন, তাহলে টিম ওয়ালজ হবেন তার ভাইস প্রেসিডেন্ট। ৬০ বছরের ওয়ালজ মিশুকে, অকপট এবং বিরোধী রিপাবলিকানদের নিশানা করতে তীক্ষ্ণ ভাষা ব্যবহার করেন। তার রাজনীতিতে প্রবেশের আগের অধ্যায়ও বেশ উল্লেখযোগ্য। বেসরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন, ফুটবল কোচ ছিলেন। খুব অল্প বয়সে মার্কিন সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি যেখানে ‘মেরুকরণ’ নতুন ঘটনা নয়, সেখানে তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, রিপাবলিকান প্রভাবিত এলাকায় জয় লাভ এবং মিনেসোটার

গভর্নর হিসাবে বামপন্থী নীতিগুলো পাশ করার মতো পদক্ষেপ বিশেষ গুরুত্ব রাখে। শিক্ষক, ফুটবল কোচ ও রাজনীতিবিদ টিম ওয়ালজের পরিবারের বাসস্থল নেব্রাস্কার গ্রামীণ অঞ্চলে। মাত্র ১৭ বছর বয়সে ন্যাশনাল গার্ডে (রাজ্যভিত্তিক আধা-সামরিক বাহিনী) যোগ দেন। তিনি ২৪ বছর এই স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীতে ছিলেন। তার বাবা, একজন পাবলিক স্কুল প্রশাসক ছিলেন। তিনিই টিম ওয়ালজকে সামরিক বাহিনীতে যোগ দেওয়ার জন্য উৎসাহ দিয়েছিলেন। ফুসফুসের ক্যান্সারে তার বাবার মৃত্যু হয়। সেই সময় ওয়ালজের বয়স ১৯ বছর। তার সাদামাটা জীবন যাপনের কথা জানিয়েছেন মিনেসোটার গভর্নর। তিনি বলেছেন কীভাবে সোশাল সিকিউরিটি (সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প) তার মাকে সাহায্য করেছে, ‘জিআই বিল’ তার কলেজ শিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদান করেছে। শিক্ষকতায় ডিগ্রীধারী টিম ওয়ালজ

এক বছরের জন্য চীনে শিক্ষকতার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। সেই সময়েই তিয়েনআনমেন স্কোয়্যারে গণহত্যা হয়েছিল। পরে তিনি স্ত্রী গোয়েন হুইপলকে নিয়ে সেখানে হানিমুন করতে গিয়েছিলেন। মার্কিন শিক্ষার্থীদের জন্য চীনে গ্রীষ্মকালীন শিক্ষামূলক ভ্রমণের আয়োজনও করেছিলেন। নেব্রাস্কায় ফিরে আসার পরে, ওয়ালজ শিক্ষক এবং আমেরিকান ফুটবল কোচ হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন। পরে তার স্ত্রী, যিনি ওই স্কুলেরই শিক্ষক ছিলেন, টিম ওয়ালজকে তার জন্মস্থান মিনেসোটায় ফিরিয়ে আনেন। মানকাতো ওয়েস্ট হাই স্কুলে যোগ দেন তিনি। ওই বিদ্যালয়ে আমেরিকান ফুটবল প্রোগ্রাম তৈরি করতে সহায়তা করেছিলেন ওয়ালজ যার হাত ধরে প্রথমবার স্টেট চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণ করে মানকাতো ওয়েস্ট হাই স্কুল। ওয়ালজ যখন শিকাগোতে ডেমোক্র্যাটিক ন্যাশনাল কনভেনশনে ভাষণ দিয়েছিলেন, তখন সেই টিমের প্রাক্তন সদস্যরাও মঞ্চে

উপস্থিত হয়েছিলেন। পার্টির বিশ্বস্তদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার সময় বারবার তার মুখে আমেরিকান ফুটবল সম্পর্কিত কথাবার্তাই শোনা যাচ্ছিল। শিক্ষকতা করাকালীন ‘গে-স্ট্রেট অ্যালায়েন্স’-এর অনুষদ উপদেষ্টা হতে রাজি হওয়ার জন্য প্রশংসাও কুড়িয়েছিলেন টিম ওয়ালজ। যে সময় তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, সেই সময় কিন্তু সমকামীদের বিষয়ে অনেকেই ভুরু কুঁচকাতেন। মার্কিন প্রতিনিধি সভার জন্য প্রার্থী হিসাবে মিনেসোটার প্রথম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে নির্বাচনে লড়েছিলেন তিনি। দক্ষিণ মিনেসোটা জুড়ে বিস্তৃত এই গ্রামীণ অঞ্চল মূলত কৃষি প্রধান এবং রিপাবলিকান প্রভাবিত। তবে ওয়ালজ একজন মধ্যপন্থী হিসাবে তার প্রচার চালিয়েছিলেন। তিনি মূলত জনসেবা এবং প্রবীণদের বিভিন্ন বিষয়ের উপর জোর দিয়েছিলেন। এইসব কারণে নির্বাচনের ফল তার পক্ষে যায়। দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিশ্বাস কংগ্রেসে টিম ওয়ালজের ১২ বছর

সময়কালে, তার মতাদর্শ ঠিক কোন দিকে তা নির্ধারণ করা কঠিন ছিল। তিনি ‘অ্যাফরডেবল কেয়ার অ্যাক্ট’ (রোগীর সুরক্ষা এবং সাশ্রয়ী মূল্য সম্পর্কিত আইন)-এর পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন, ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর বিলসহ লেবারপন্থী পদক্ষেপ যৌথভাবে স্পনসর করেছিলেন এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করার জন্য ‘ক্যাপ-এন্ড-ট্রেড’ প্রচেষ্টাকে সমর্থন করেছিলেন। যদিও সেই (ক্যাপ-এন্ড-ট্রেড) প্রচেষ্টা সফল হয়নি। কিছু ক্ষেত্রে রিপাবলিকানদের সঙ্গেও তার মতামত মিলে গিয়েছে। তিনি ইরাক ও আফগানিস্তানের যুদ্ধে অর্থায়ন অব্যাহত রাখার পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী শরণার্থীদের কঠোর যাচাই-বাছাই সমর্থন করেছিলেন এবং ২০০৮ সালের আর্থিক বিপর্যয়ের পরে ব্যাংক ও গাড়ি সংস্থাগুলির ওবামা-যুগের ‘বেলআউট’ (সরকারী তরফে ধুঁকতে থাকা সংস্থাকে আর্থিক সাহায্য) আটকানোর চেষ্টা করেছিলেন। ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন (এনআরএ) সমর্থিত প্রার্থী

টিম ওয়ালজ আক্রমণাত্মক অস্ত্রের উপর নিষেধাজ্ঞার পক্ষে কথা বলেছিলেন পার্কল্যান্ড স্কুলে শ্যুটিংয়ের ঘটনার পর। এনআরএ-র সমর্থন হারান তিনি। এনআরএ কিন্তু একসময় তার প্রচার তহবিলে অনুদানও দিয়েছিল। ২০১৮ সালে ওয়ালজ মিনেসোটা গভর্নরের জন্য নির্বাচনি দৌড়ে ১১ পয়েন্টেরও বেশি ব্যবধানে জিতেছিলেন। তবে তার প্রথম মেয়াদ কোভিড মহামারী এবং মিনিয়াপোলিসে এক পুলিশ অফিসার কর্তৃক জর্জ ফ্লয়েড নামে এক ব্যক্তির হত্যার ঘটনার কারণে আলোচনার উঠে এসেছিল। জর্জ ফ্লয়েডের হত্যার প্রতিবাদে কিছু বিক্ষোভ সহিংস হয়ে উঠলেও ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনে বিলম্ব করার পাশাপাশি কোভিডকালে মিনেসোটাতে ২৫ কোটি ডলারের জালিয়াতি স্কিমের ঘটনার তদন্ত করতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে টিম ওয়ালজের তীব্র সমালোচনা করে রিপাবলিকানরা। এরপর পুনর্নির্বাচনে সংকীর্ণ ব্যবধানে হলেও তিনি জিতেছিলেন। ডেমোক্র্যাটরা

একক আসন দিয়েই মিনেসোটা আইনসভা নিয়ন্ত্রণ করতে চাওয়ায় ওয়ালজের দ্বিতীয় দফার কার্যকাল ব্যস্ততার সঙ্গে কেটেছে। গর্ভপাতের অধিকার নিশ্চিত করে তোলা, বেতনভুক্ত পরিবার এবং অসুস্থতার ছুটি কার্যকর, বন্দুক আইন শক্তিশালী, সর্বজনীন বিনামূল্যে স্কুল খাবারের জন্য অর্থায়ন এবং সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসনে বিনিয়োগের মতো একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তার কার্যকালে। তার কার্যকলাপ সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। বাড়াক ওবামা লিখেছিলেন, যদি আপনাদের মনে করিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন হয় যে নির্বাচনের কোনও ফল রয়েছে, তবে মিনেসোটাতে কী ঘটছে তা দেখুন। সূত্র: বিবিসি বাংলা

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের