ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জুলাই দাঙ্গার নায়করা নির্বাচনে, বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা মৃত্যুর প্রহর গুনছে
নিজের দেশে ভোট কাভার করতে পারে না, আর বাংলাদেশে এসে অবৈধ নির্বাচন বৈধ করার নাটক
যে দেশে সংখ্যালঘু মানেই দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক : রক্তের দাগ মোছে না, ইতিহাসও ভোলে না
আবদুল মান্নান খানের মৃত্যুতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের শোক
ঈদের মতো ভিড় টার্মিনালে, রিকুইজিশনে বাস সংকট
তপশিলের পর গুলির ঘটনা ৩৪টি, অস্ত্র উদ্ধার ১১৩৯
শেখ হাসিনার চিন্তা এত শক্তিশালী যে শত্রুরাও তা হুবহু নকল করে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ‘দায়মুক্তি’ অধ্যাদেশ বাতিলের দাবি ১০ মানবাধিকার সংস্থার
জুলাই গণঅভ্যুত্থান–সংক্রান্ত অপরাধের ‘দায়মুক্তি’ দিয়ে জারি করা অধ্যাদেশকে ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের জন্য ‘গুরুতর হুমকি’ উল্লেখ করে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছে ১০টি আন্তর্জাতিক, জাতীয় ও স্থানীয় মানবাধিকার সংস্থা।
গতকাল মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ফ্রান্সের প্যারিসভিত্তিক সংগঠন ‘জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ)’-এর নেতৃত্বে সংস্থাগুলো এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’-এর নামে সংঘটিত অপরাধের দায়মুক্তি প্রদান বাংলাদেশের সংবিধান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পরিপন্থী।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী ১০টি সংগঠনের মধ্যে ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, মিসর, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, কাজাখস্তান ও উগান্ডাসহ বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার সংস্থা রয়েছে।
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৫ জানুয়ারি আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও পার্লামেন্টারি অ্যাফেয়ার্স বিভাগ ‘জুলাই ম্যাস
আপরাইজিং (প্রোটেকশন অ্যান্ড ডিটারমিনেশন অব লাইয়াবিলিটি) অর্ডিন্যান্স–২০২৬’–এর গেজেট প্রকাশ করে। এর আগে ১৫ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এর খসড়া অনুমোদিত হয়। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে সংঘটিত কর্মকাণ্ডকে ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’ আখ্যা দিয়ে দায়মুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, দায়মুক্তি কখনো গণতন্ত্রকে রক্ষা করে না; বরং অপরাধকে উৎসাহিত করে। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে সরকার কার্যত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের ব্যক্তিগত ব্যাখ্যার ভিত্তিতে হত্যা, সহিংসতা ও গুরুতর অপরাধকে বৈধতা দেওয়ার বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’–এর সংজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন বিবৃতিতে বলা হয়, অধ্যাদেশে ব্যবহৃত ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’ শব্দটির কোনো সুনির্দিষ্ট বা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইনি সংজ্ঞা নেই। এই অস্পষ্টতা বিচারবহির্ভূত হত্যা,
সম্পদ ধ্বংস ও সহিংস অপরাধকে একই ছাতার নিচে আনার ঝুঁকি তৈরি করে। এর ফলে অপরাধ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সীমারেখা ইচ্ছামতো পুনঃসংজ্ঞায়িত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা আইনের শাসনের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃতি নির্ধারণের ক্ষমতা বিচারবহির্ভূত একটি সংস্থার হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে। অথচ এ মুহূর্তে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কার্যত অকার্যকর। এটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ক্ষমতার পৃথক্করণ নীতির সরাসরি লঙ্ঘন। ভুক্তভোগীদের অধিকার অস্বীকার যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, অধ্যাদেশটি পূর্বের সব ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যৎ মামলা দায়ের নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দেয়। ফলে স্বজনহারা পরিবারগুলোর বিচার পাওয়ার পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে। এটি কেবল আইনি প্রতিকার অস্বীকার নয়, বরং গুরুতর
মানবাধিকার লঙ্ঘন। নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তি (আইসিসিপিআর) অনুযায়ী, জীবনহানি সংক্রান্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কার্যকর তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতা রাষ্ট্রের রয়েছে। কিন্তু এই অধ্যাদেশ বিচারিক প্রক্রিয়া স্থগিত করে উল্টো পথে হাঁটছে। সংস্থাগুলোর ৫ দফা দাবি বিবৃতিতে মানবাধিকার সংস্থাগুলো পাঁচটি দাবি তুলে ধরেছে। সেগুলো হলো— ১. অবিলম্বে অধ্যাদেশটি বাতিল বা এর বাস্তবায়ন স্থগিত করা। ২. রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে সব ফৌজদারি অপরাধকে বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় আনা। ৩. ভুক্তভোগীদের জন্য স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত করা। ৪. জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে পূর্ণ স্বাধীনতা ও সক্ষমতাসহ পুনর্গঠন করা। ৫. দায়মুক্তির পরিবর্তে জবাবদিহি ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। জেএমবিএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহানুর ইসলামের পাঠানো ওই বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী অন্য সংগঠনগুলো
হলো—গ্লোবাল হিউম্যান রাইটস ডিফেন্স (নেদারল্যান্ডস), অ্যারাব সেন্টার ফর দ্য ইন্ডিপেনডেন্স অব দ্য জুডিশিয়ারি অ্যান্ড লিগ্যাল প্রফেশন (মিসর), পাবলিক অ্যাসোসিয়েশন ‘ডিগনিটি’ (কাজাখস্তান), নর্দার্ন উগান্ডা ট্রান্সপারেন্সি অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটি ফোরাম (উগান্ডা), তাল স্পারল্য (পাকিস্তান), কন্ট্রে লা টরচার আন তিউনিজি (তিউনিসিয়া), গ্লোবাল বাংলাদেশ ইউনিটি নেটওয়ার্ক (অস্ট্রেলিয়া), মুভমেন্ট ফর দ্য ডিফেন্স অব হিউম্যানিটি অ্যান্ড দ্য অ্যাবোলিশন অব টরচার (ক্যামেরুন) এবং অ্যাকশন্স দে প্রোটেকশন মেরে এ এনফঁ (কঙ্গো)।
আপরাইজিং (প্রোটেকশন অ্যান্ড ডিটারমিনেশন অব লাইয়াবিলিটি) অর্ডিন্যান্স–২০২৬’–এর গেজেট প্রকাশ করে। এর আগে ১৫ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এর খসড়া অনুমোদিত হয়। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে সংঘটিত কর্মকাণ্ডকে ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’ আখ্যা দিয়ে দায়মুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, দায়মুক্তি কখনো গণতন্ত্রকে রক্ষা করে না; বরং অপরাধকে উৎসাহিত করে। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে সরকার কার্যত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের ব্যক্তিগত ব্যাখ্যার ভিত্তিতে হত্যা, সহিংসতা ও গুরুতর অপরাধকে বৈধতা দেওয়ার বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’–এর সংজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন বিবৃতিতে বলা হয়, অধ্যাদেশে ব্যবহৃত ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’ শব্দটির কোনো সুনির্দিষ্ট বা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইনি সংজ্ঞা নেই। এই অস্পষ্টতা বিচারবহির্ভূত হত্যা,
সম্পদ ধ্বংস ও সহিংস অপরাধকে একই ছাতার নিচে আনার ঝুঁকি তৈরি করে। এর ফলে অপরাধ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সীমারেখা ইচ্ছামতো পুনঃসংজ্ঞায়িত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা আইনের শাসনের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃতি নির্ধারণের ক্ষমতা বিচারবহির্ভূত একটি সংস্থার হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে। অথচ এ মুহূর্তে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কার্যত অকার্যকর। এটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ক্ষমতার পৃথক্করণ নীতির সরাসরি লঙ্ঘন। ভুক্তভোগীদের অধিকার অস্বীকার যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, অধ্যাদেশটি পূর্বের সব ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যৎ মামলা দায়ের নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দেয়। ফলে স্বজনহারা পরিবারগুলোর বিচার পাওয়ার পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে। এটি কেবল আইনি প্রতিকার অস্বীকার নয়, বরং গুরুতর
মানবাধিকার লঙ্ঘন। নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তি (আইসিসিপিআর) অনুযায়ী, জীবনহানি সংক্রান্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কার্যকর তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতা রাষ্ট্রের রয়েছে। কিন্তু এই অধ্যাদেশ বিচারিক প্রক্রিয়া স্থগিত করে উল্টো পথে হাঁটছে। সংস্থাগুলোর ৫ দফা দাবি বিবৃতিতে মানবাধিকার সংস্থাগুলো পাঁচটি দাবি তুলে ধরেছে। সেগুলো হলো— ১. অবিলম্বে অধ্যাদেশটি বাতিল বা এর বাস্তবায়ন স্থগিত করা। ২. রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে সব ফৌজদারি অপরাধকে বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় আনা। ৩. ভুক্তভোগীদের জন্য স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত করা। ৪. জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে পূর্ণ স্বাধীনতা ও সক্ষমতাসহ পুনর্গঠন করা। ৫. দায়মুক্তির পরিবর্তে জবাবদিহি ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। জেএমবিএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহানুর ইসলামের পাঠানো ওই বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী অন্য সংগঠনগুলো
হলো—গ্লোবাল হিউম্যান রাইটস ডিফেন্স (নেদারল্যান্ডস), অ্যারাব সেন্টার ফর দ্য ইন্ডিপেনডেন্স অব দ্য জুডিশিয়ারি অ্যান্ড লিগ্যাল প্রফেশন (মিসর), পাবলিক অ্যাসোসিয়েশন ‘ডিগনিটি’ (কাজাখস্তান), নর্দার্ন উগান্ডা ট্রান্সপারেন্সি অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটি ফোরাম (উগান্ডা), তাল স্পারল্য (পাকিস্তান), কন্ট্রে লা টরচার আন তিউনিজি (তিউনিসিয়া), গ্লোবাল বাংলাদেশ ইউনিটি নেটওয়ার্ক (অস্ট্রেলিয়া), মুভমেন্ট ফর দ্য ডিফেন্স অব হিউম্যানিটি অ্যান্ড দ্য অ্যাবোলিশন অব টরচার (ক্যামেরুন) এবং অ্যাকশন্স দে প্রোটেকশন মেরে এ এনফঁ (কঙ্গো)।



