জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ‘দায়মুক্তি’ অধ্যাদেশ বাতিলের দাবি ১০ মানবাধিকার সংস্থার – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
     ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ

আরও খবর

শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশে জ্বালানি সংকট তীব্রতর: শপিংমলে আলোকসজ্জা বন্ধের পরিকল্পনা

ইউনুসের করা বাণিজ্য চুক্তির ঘেরাটোপ থেকে মুক্তি মিলছে না সহজেইঃ বাণিজ্য মন্ত্রীর সাথে পল কাপুরের বৈঠক

ইউক্রেন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি আশঙ্কা: ইরান সংঘাতে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট অসহনীয় হয়ে উঠতে পারে

মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীদের করণীয় বিষয়ে বাংলাদেশ বিমানের জরুরি ঘোষণা

বিএনপির হস্তক্ষেপে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে ইউনূসপন্থীদের জোরপূর্বক পদত্যাগ: ক্ষেপছে মার্কিনপন্থী নাগরিক সমাজ

মধ্যপ্রাচ্যে বাতিল হওয়া ফ্লাইটে ফ্রি টিকেট দিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স

শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হবে: চিফ প্রসিকিউটর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ‘দায়মুক্তি’ অধ্যাদেশ বাতিলের দাবি ১০ মানবাধিকার সংস্থার

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ১০:৩২ 39 ভিউ
জুলাই গণঅভ্যুত্থান–সংক্রান্ত অপরাধের ‘দায়মুক্তি’ দিয়ে জারি করা অধ্যাদেশকে ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের জন্য ‘গুরুতর হুমকি’ উল্লেখ করে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছে ১০টি আন্তর্জাতিক, জাতীয় ও স্থানীয় মানবাধিকার সংস্থা। গতকাল মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ফ্রান্সের প্যারিসভিত্তিক সংগঠন ‘জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ)’-এর নেতৃত্বে সংস্থাগুলো এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’-এর নামে সংঘটিত অপরাধের দায়মুক্তি প্রদান বাংলাদেশের সংবিধান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পরিপন্থী। বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী ১০টি সংগঠনের মধ্যে ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, মিসর, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, কাজাখস্তান ও উগান্ডাসহ বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার সংস্থা রয়েছে। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৫ জানুয়ারি আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও পার্লামেন্টারি অ্যাফেয়ার্স বিভাগ ‘জুলাই ম্যাস

আপরাইজিং (প্রোটেকশন অ্যান্ড ডিটারমিনেশন অব লাইয়াবিলিটি) অর্ডিন্যান্স–২০২৬’–এর গেজেট প্রকাশ করে। এর আগে ১৫ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এর খসড়া অনুমোদিত হয়। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে সংঘটিত কর্মকাণ্ডকে ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’ আখ্যা দিয়ে দায়মুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, দায়মুক্তি কখনো গণতন্ত্রকে রক্ষা করে না; বরং অপরাধকে উৎসাহিত করে। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে সরকার কার্যত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের ব্যক্তিগত ব্যাখ্যার ভিত্তিতে হত্যা, সহিংসতা ও গুরুতর অপরাধকে বৈধতা দেওয়ার বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’–এর সংজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন বিবৃতিতে বলা হয়, অধ্যাদেশে ব্যবহৃত ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’ শব্দটির কোনো সুনির্দিষ্ট বা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইনি সংজ্ঞা নেই। এই অস্পষ্টতা বিচারবহির্ভূত হত্যা,

সম্পদ ধ্বংস ও সহিংস অপরাধকে একই ছাতার নিচে আনার ঝুঁকি তৈরি করে। এর ফলে অপরাধ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সীমারেখা ইচ্ছামতো পুনঃসংজ্ঞায়িত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা আইনের শাসনের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃতি নির্ধারণের ক্ষমতা বিচারবহির্ভূত একটি সংস্থার হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে। অথচ এ মুহূর্তে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কার্যত অকার্যকর। এটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ক্ষমতার পৃথক্‌করণ নীতির সরাসরি লঙ্ঘন। ভুক্তভোগীদের অধিকার অস্বীকার যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, অধ্যাদেশটি পূর্বের সব ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যৎ মামলা দায়ের নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দেয়। ফলে স্বজনহারা পরিবারগুলোর বিচার পাওয়ার পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে। এটি কেবল আইনি প্রতিকার অস্বীকার নয়, বরং গুরুতর

মানবাধিকার লঙ্ঘন। নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তি (আইসিসিপিআর) অনুযায়ী, জীবনহানি সংক্রান্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কার্যকর তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতা রাষ্ট্রের রয়েছে। কিন্তু এই অধ্যাদেশ বিচারিক প্রক্রিয়া স্থগিত করে উল্টো পথে হাঁটছে। সংস্থাগুলোর ৫ দফা দাবি বিবৃতিতে মানবাধিকার সংস্থাগুলো পাঁচটি দাবি তুলে ধরেছে। সেগুলো হলো— ১. অবিলম্বে অধ্যাদেশটি বাতিল বা এর বাস্তবায়ন স্থগিত করা। ২. রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে সব ফৌজদারি অপরাধকে বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় আনা। ৩. ভুক্তভোগীদের জন্য স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত করা। ৪. জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে পূর্ণ স্বাধীনতা ও সক্ষমতাসহ পুনর্গঠন করা। ৫. দায়মুক্তির পরিবর্তে জবাবদিহি ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। জেএমবিএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহানুর ইসলামের পাঠানো ওই বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী অন্য সংগঠনগুলো

হলো—গ্লোবাল হিউম্যান রাইটস ডিফেন্স (নেদারল্যান্ডস), অ্যারাব সেন্টার ফর দ্য ইন্ডিপেনডেন্স অব দ্য জুডিশিয়ারি অ্যান্ড লিগ্যাল প্রফেশন (মিসর), পাবলিক অ্যাসোসিয়েশন ‘ডিগনিটি’ (কাজাখস্তান), নর্দার্ন উগান্ডা ট্রান্সপারেন্সি অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটি ফোরাম (উগান্ডা), তাল স্পারল্য (পাকিস্তান), কন্ট্রে লা টরচার আন তিউনিজি (তিউনিসিয়া), গ্লোবাল বাংলাদেশ ইউনিটি নেটওয়ার্ক (অস্ট্রেলিয়া), মুভমেন্ট ফর দ্য ডিফেন্স অব হিউম্যানিটি অ্যান্ড দ্য অ্যাবোলিশন অব টরচার (ক্যামেরুন) এবং অ্যাকশন্স দে প্রোটেকশন মেরে এ এনফঁ (কঙ্গো)।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি দূতাবাসে হামলার হুমকি ইরানের এ মুহূর্তে মার্কিন নাগরিকদের ইরাক ছাড়ার নির্দেশনা সস্তা ড্রোন বনাম ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্র: ক্ষয়যুদ্ধের মুখে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা: ছাত্রদল থেকে বহিষ্কার হামিম শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশে জ্বালানি সংকট তীব্রতর: শপিংমলে আলোকসজ্জা বন্ধের পরিকল্পনা তৈরি পোশাক খাতের অস্থিরতা চরমে: কমেছে রপ্তানি, ঈদে বেতন–বোনাস নিয়ে শঙ্কা ইউনুসের করা বাণিজ্য চুক্তির ঘেরাটোপ থেকে মুক্তি মিলছে না সহজেইঃ বাণিজ্য মন্ত্রীর সাথে পল কাপুরের বৈঠক আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলি হামলা বিচ্ছিন্ন রাষ্ট্রপতি, উদ্ধত শাসনব্যবস্থা এবং মব সন্ত্রাস ইউক্রেন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি আশঙ্কা: ইরান সংঘাতে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট অসহনীয় হয়ে উঠতে পারে মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীদের করণীয় বিষয়ে বাংলাদেশ বিমানের জরুরি ঘোষণা বিএনপির হস্তক্ষেপে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে ইউনূসপন্থীদের জোরপূর্বক পদত্যাগ: ক্ষেপছে মার্কিনপন্থী নাগরিক সমাজ মধ্যপ্রাচ্যে বাতিল হওয়া ফ্লাইটে ফ্রি টিকেট দিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স রিয়াদে বন্ধ হলো অ্যামেরিকান দূতাবাস নিউ ইয়র্কের ৪টি এলাকায় চালু হচ্ছে বিনামূল্যে ডে-কেয়ার সেবা পরাজয় অথবা আরও আক্রমণের দোটানায় পড়েছেন ট্রাম্প শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হবে: চিফ প্রসিকিউটর চারদিনে যুক্তরাষ্ট্রের কত ক্ষতি হলো, কাতারে কেন বেশি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষককে ছুরিকাঘাতে হত্যা তুরস্কমুখী ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র থামাল ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা