ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাকিস্তানকে খুশি করতেই বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্মৃতির উপর আঘাত?
কয়লা শেষ, গ্যাস নেই, এবার বিদ্যুৎও যাবে
গঙ্গা জলচুক্তির মেয়াদ শেষ ২০২৬-এ: নবায়ন নিয়ে বিরোধিতার মধ্যেই ফারাক্কায় তথ্যানুসন্ধানে বাংলাদেশি প্রতিনিধি দল
‘রং হার মানাবে গিরগিটিকেও’: ইসরাত আমিনের রাজনৈতিক ভোল পাল্টানো ও সুবিধাবাদের চাঞ্চল্যকর নজির
মিয়ানমারের ড্রোন হামলার অভিযোগ: সীমান্তে যুদ্ধের শঙ্কা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তায় ‘লাল সংকেত’
ঋণে ডুবে থাকা রাষ্ট্র: অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থ অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ বন্ধকের রাজনীতি
নির্বাচনের নামে দখলদার ইউনুসের বানানো মেটিক্যুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে যা চলছে, তাকে এক কথায় বলা যায় সিট ভাগাভাগির নির্বাচন।
জুডিশিয়াল ইনকোয়ারি স্থগিত, বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন,জুলাই ২০২৪-এর সহিংসতা নিয়ে বিতর্ক চলছে
জুলাই ২০২৪ সালের ১৫–২১ তারিখের মধ্যে দেশের বিভিন্ন শহর ও জেলায় রাজনৈতিক সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন সূত্র এবং রাজনৈতিক পক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, এই সময়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হন।
এই ঘটনার তদন্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৮ জুলাই ২০২৪ সালে একটি জুডিশিয়াল ইনকোয়ারি কমিশন গঠন করা হয়। কমিশন প্রাথমিকভাবে সহিংসতা, হত্যাকাণ্ড ও অগ্নিসংযোগের তথ্য সংগ্রহ শুরু করলেও অভিযোগ রয়েছে যে পরবর্তীতে কমিশনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। এর ফলে বহু ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত অসম্পূর্ণ থেকে যায় এবং অনেক হতাহতকে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
মানবাধিকার সূত্র দাবি করে, ক্ষমতা পরিবর্তনের পর বর্তমান ইউনুস সরকার
কমিশনের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার দায় একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের ওপর অর্থাৎ আওয়ামী লীগের ওপরে চাপানোর উদ্দেশ্যে কিছু দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা একটি বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন তৈরি করেছে। সমালোচকরা বলছেন, ওই প্রতিবেদনে ঘটনাস্থল, নিহতদের পরিচয় এবং সহিংসতার প্রেক্ষাপট যাচাই না করেই তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কমিশনের কার্যক্রম বন্ধ এবং বিতর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশের ফলে ন্যায়বিচার, জবাবদিহি ও রাষ্ট্রীয় স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। তারা আরও উল্লেখ করছেন যে, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তদন্ত ছাড়া ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন সম্ভব নয়। মানবাধিকার ও সুশাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দেশে স্থিতিশীলতা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হলে সকল
অভিযোগের স্বচ্ছ, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত অপরিহার্য। অন্যথায় রাজনৈতিক বিভাজন ও আস্থার সংকট আরও গভীর হতে পারে। নিহত ও আহতদের নামের তালিকা (সূত্র অনুযায়ী) নিম্নলিখিত নামগুলো অভিযোগ অনুসারে প্রকাশ করা হয়েছে। এটি কোনো বিচার বা সরকারি সিদ্ধান্ত নয়: সবুজ আলী – ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ নাজমুল হোসেন – ৫১ নম্বর ওয়ার্ড, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নুর আলম – ১৮ নম্বর ওয়ার্ড, ঢাকা সোভিক – লীগ, গাজীপুর সুমন – ৬১ নাম্বার ওয়ার্ড, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ঢাকা দক্ষিণ হামিদুল ইসলাম জুয়েল – মোল্লা, গাজীপুর যুবলীগ মোঃ রহমান মোহাম্মদ রোমান – আওয়ামী লীগ, ঢাকা বাকের মিয়া – পিতা ইউনুস মোল্লা, ১৮ নাম্বার ওয়ার্ড, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ঢাকা সৈয়দ জহিরুল ইসলাম টিপু – শিবপুর, নরসিংদী মোঃ বাবুল – ৬ নম্বর ওয়ার্ড, যুবলীগ,
ঢাকা কবির – আওয়ামী লীগ, ঢাকা উত্তর তামিম – যুবলীগ, পল্লবী, ঢাকা উত্তর শফিকুল ইসলাম বাবুল – কলাপাড়া, পটুয়াখালী হুমায়ূন কবির – নারায়ণগঞ্জ জেলা আবুবকর ছিদ্দিক – নওগাঁ জেলা আবদুর রশিদ – নওগাঁ জেলা এই তালিকায় উল্লেখিত নামগুলো সূত্র অনুযায়ী অভিযোগের অংশ হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে। তদন্তে পর্যাপ্ত তথ্য না থাকার কারণে অনেক ঘটনার প্রকৃত বিবরণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত সংখ্যা নিশ্চিত করা যায়নি। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের স্থিতিশীলতা, নাগরিক নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তদন্ত অপরিহার্য। তাদের মতে, এই ধরনের তদন্ত না হলে রাজনৈতিক বিভাজন এবং সাধারণ জনগণের আস্থা আরও কমে যাবে। মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, কমিশনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার ফলে
হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার প্রকৃত দায়িত্ব নির্ধারণে বাধা সৃষ্টি হয়েছে। তারা আরও বলেছেন যে, স্বাধীন তদন্তের অভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে আস্থা হ্রাস পাচ্ছে। দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য সকল পক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে যাতে সংলাপ, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে নাগরিকদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায়।
কমিশনের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার দায় একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের ওপর অর্থাৎ আওয়ামী লীগের ওপরে চাপানোর উদ্দেশ্যে কিছু দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা একটি বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন তৈরি করেছে। সমালোচকরা বলছেন, ওই প্রতিবেদনে ঘটনাস্থল, নিহতদের পরিচয় এবং সহিংসতার প্রেক্ষাপট যাচাই না করেই তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কমিশনের কার্যক্রম বন্ধ এবং বিতর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশের ফলে ন্যায়বিচার, জবাবদিহি ও রাষ্ট্রীয় স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। তারা আরও উল্লেখ করছেন যে, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তদন্ত ছাড়া ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন সম্ভব নয়। মানবাধিকার ও সুশাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দেশে স্থিতিশীলতা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হলে সকল
অভিযোগের স্বচ্ছ, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত অপরিহার্য। অন্যথায় রাজনৈতিক বিভাজন ও আস্থার সংকট আরও গভীর হতে পারে। নিহত ও আহতদের নামের তালিকা (সূত্র অনুযায়ী) নিম্নলিখিত নামগুলো অভিযোগ অনুসারে প্রকাশ করা হয়েছে। এটি কোনো বিচার বা সরকারি সিদ্ধান্ত নয়: সবুজ আলী – ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ নাজমুল হোসেন – ৫১ নম্বর ওয়ার্ড, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নুর আলম – ১৮ নম্বর ওয়ার্ড, ঢাকা সোভিক – লীগ, গাজীপুর সুমন – ৬১ নাম্বার ওয়ার্ড, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ঢাকা দক্ষিণ হামিদুল ইসলাম জুয়েল – মোল্লা, গাজীপুর যুবলীগ মোঃ রহমান মোহাম্মদ রোমান – আওয়ামী লীগ, ঢাকা বাকের মিয়া – পিতা ইউনুস মোল্লা, ১৮ নাম্বার ওয়ার্ড, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ঢাকা সৈয়দ জহিরুল ইসলাম টিপু – শিবপুর, নরসিংদী মোঃ বাবুল – ৬ নম্বর ওয়ার্ড, যুবলীগ,
ঢাকা কবির – আওয়ামী লীগ, ঢাকা উত্তর তামিম – যুবলীগ, পল্লবী, ঢাকা উত্তর শফিকুল ইসলাম বাবুল – কলাপাড়া, পটুয়াখালী হুমায়ূন কবির – নারায়ণগঞ্জ জেলা আবুবকর ছিদ্দিক – নওগাঁ জেলা আবদুর রশিদ – নওগাঁ জেলা এই তালিকায় উল্লেখিত নামগুলো সূত্র অনুযায়ী অভিযোগের অংশ হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে। তদন্তে পর্যাপ্ত তথ্য না থাকার কারণে অনেক ঘটনার প্রকৃত বিবরণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত সংখ্যা নিশ্চিত করা যায়নি। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের স্থিতিশীলতা, নাগরিক নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তদন্ত অপরিহার্য। তাদের মতে, এই ধরনের তদন্ত না হলে রাজনৈতিক বিভাজন এবং সাধারণ জনগণের আস্থা আরও কমে যাবে। মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, কমিশনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার ফলে
হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার প্রকৃত দায়িত্ব নির্ধারণে বাধা সৃষ্টি হয়েছে। তারা আরও বলেছেন যে, স্বাধীন তদন্তের অভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে আস্থা হ্রাস পাচ্ছে। দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য সকল পক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে যাতে সংলাপ, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে নাগরিকদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায়।



