গাজায় সেনা পাঠানো নিয়ে নতুন সংকটে পাকিস্তান – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৪ নভেম্বর, ২০২৫
     ৬:৫৩ পূর্বাহ্ণ

গাজায় সেনা পাঠানো নিয়ে নতুন সংকটে পাকিস্তান

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৪ নভেম্বর, ২০২৫ | ৬:৫৩ 56 ভিউ
বৈশ্বিক ভূরাজিনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে পাকিস্তান। দেশটি যেমন মধ্যপ্রাচ্যে ভারসাম্য বজায় রাখছে, ঠিক তেমই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও মন রক্ষা করে চলছে। এ অবস্থায় গাজায় শান্তি ফেরাতে ট্রাম্পের আরোপিত ২০ দফা প্রস্তাব নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে পাকিস্তান। গত সোমবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে এই আপত্তির কথা জানায় ইসলামাবাদ। জাতিসংঘে নিযুক্ত পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমেদ যুক্তরাষ্ট্রকে প্রস্তাবটি উত্থাপনের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং এর পক্ষে ভোটও দেন। তবে তিনি জানান, এই প্রস্তাবে পাকিস্তান পুরোপুরি সন্তুষ্ট নয়। কারণ এই প্রস্তাবে পাকিস্তানের দেওয়া কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব যুক্ত করা হয়নি। গাজায় শান্তিচুক্তির লক্ষ্যে গত সেপ্টেম্বর ট্রাম্পের উত্থাপিত ২০ দফা প্রস্তাবে গাজায় একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসন এবং একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী আইএসএফ

গঠনের প্রস্তাব দেয়া হয়। তবে পাকিস্তান বলছে, এই প্রস্তাবে একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিশ্বস্ত রূপরেখা থাকলেও জাতিসংঘের ভূমিকা, গাজা প্রশাসন পর্যবক্ষেণের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস এবং আইএসএফ সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা নেই। বিশ্লেষকরা বলছেন, গাজা নিয়ে ট্রাম্পের আরোপিত প্রস্তাবে পাকিস্তানসহ আরব ও মুসলিম বিশ্ব সম্মতি জানালেও পাকিস্তান এখন অভ্যন্তরীণ চাপে রয়েছে। কারণ আরব ও মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে শক্তিশালী সেনাবাহিনী রয়েছে ইসলামাবাদের। সেই সঙ্গে দেশটি পারমাণবিক শক্তিধরও। এ অব্স্থায় পাকিস্তান অত্যন্ত সূক্ষ্ম কৌশলে সামনে এগোনোর চেষ্টা করছে। পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী সালমান বশীর বলেন, ‘মার্কিন কৌশল খুবই স্পষ্ট এবং এতে ইসরায়েলের প্রতি ঝোঁক রয়েছে। তারপরও আমাদের স্বীকার করতে হবে গাজায় শান্তি

প্রতিষ্ঠায় এটিই সবচেয়ে ভালো বিকল্প। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যসহ পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে পাকিস্তানের যেভাবে সখ্যতা বাড়ছে, সেই সুযোগটি কাজে লাগাতে চাইছে ইসলামাবাদ। দেশটির গাজায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের মাধ্যমে বিশ্বের কাছে নিজেদের সক্ষমতাকে আরও প্রসারিত করতে চাইছে। তবে এটি পাকিস্তানের জন্য মোটেও সহজ হবে না। কারণ গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী বা আইএসএফ মোতায়েনের ক্ষেত্রে স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা নেই। এজন্য আরব আমিরাত এবং জর্ডানও গাজায় সেনা পাঠানোর ক্ষেত্রে আগ্রত দেখাচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
পাতানো নির্বাচনে জামায়াতকে ক্ষমতায় বসানোর নীল নকশা কি চূড়ান্ত? ইসলামে নারীদের শীর্ষ পদে যাওয়ার সুযোগ নেইঃ জামায়াত এর নারী বিভাগের শীর্ষ নেত্রী শেখ হাসিনার সময় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছিলো, এখন নেপালও অবজ্ঞা করে: অধ্যাপক ইমতিয়াজ জামায়াতের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ভোটার স্থানান্তরের অভিযোগ: আসনভিত্তিক তথ্য চায় বিএনপি ছুটির দিনগুলোতে ভ্রমণকারীরা আশা করেননি যে সমুদ্র সৈকত এতটা সুন্দর হবে গণভোট—জনগণের কণ্ঠ, নাকি আগে থেকেই লেখা উত্তরের উপর সিলমোহর? যখন এক প্রশ্নে বহু সিদ্ধান্ত গুঁজে দেওয়া হয়, The Persecution Report accountability in Bangladesh under the interim administration led by Nobel laureate Muhammad Yunus. কর্মজীবী নারীকে ‘পতিতা’র সঙ্গে তুলনা: জামায়াত আমিরের নিঃশর্ত ক্ষমা দাবি প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের মুম্বাই হামলার কারিগররা এখন ঢাকায় ঢালাও ভিসা সুবিধায় পাকিস্তান থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ঢুকছে জঙ্গি, নীরব প্রশাসন! জামিন পাওয়ার পরও যদি জেলগেট থেকেই আবার ভুয়া মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয় ঘুষের বিনিময়ে দেশ বিক্রির রাজনীতির নামই ছিল বিএনপি–জামায়াত জুলাই–আগস্টে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের বিষয়ে সুশীল সমাজ চুপ কেন? Bail, Then Re-Arrested: Prison Gates Turned Into Tools of Political Vengeance গ্যাস সংকটে ক্ষুব্ধ জনতা, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ বাঙালি জাতির মুক্তির নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ডাকে জন্ম নিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান Biased Election, Broken Democracy এক সপ্তাহে ৮ বার অগ্নিসংযোগ: মিরসরাইয়ে ‘টার্গেট’ হিন্দু পরিবার, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে জাফরাবাদের রাজধানীতে ভুয়া ডিবি পরিচয়ে যুবলীগ নেতাকে তুলে নিয়ে রাতভর পৈশাচিক নির্যাতন: ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণের অভিযোগ