ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশে জ্বালানি সংকট তীব্রতর: শপিংমলে আলোকসজ্জা বন্ধের পরিকল্পনা
ইউনুসের করা বাণিজ্য চুক্তির ঘেরাটোপ থেকে মুক্তি মিলছে না সহজেইঃ বাণিজ্য মন্ত্রীর সাথে পল কাপুরের বৈঠক
ইউক্রেন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি আশঙ্কা: ইরান সংঘাতে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট অসহনীয় হয়ে উঠতে পারে
মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীদের করণীয় বিষয়ে বাংলাদেশ বিমানের জরুরি ঘোষণা
বিএনপির হস্তক্ষেপে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে ইউনূসপন্থীদের জোরপূর্বক পদত্যাগ: ক্ষেপছে মার্কিনপন্থী নাগরিক সমাজ
মধ্যপ্রাচ্যে বাতিল হওয়া ফ্লাইটে ফ্রি টিকেট দিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স
শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হবে: চিফ প্রসিকিউটর
গণভোট নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের দেয়া বিভিন্ন দেশের উদাহরণ কতোটা সত্য?
ম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের ‘CA Press Wing Facts’ পেজ থেকে একটি পোস্টের মাধ্যমে ডক্টর শাহদীন মালিকের বক্তব্যকে ভুল প্রমাণের চেষ্টা করা হয়েছে। ডক্টর মালিক বলেছিলেন, “একাধিক প্রশ্নের বিপরীতে মাত্র একটি ‘হ্যাঁ/না’ অপশন রাখা একটি ত্রুটিপূর্ণ প্রক্রিয়া।” এই সত্যকে আড়াল করতে প্রেস উইং আইসল্যান্ডের উদাহরণ টেনেছে, যা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর।
১. আইসল্যান্ডের গণভোট (২০১২):
প্রেস উইং দাবি করতে চেয়েছে যে সেখানেও একক উত্তর ছিল। কিন্তু প্রকৃত সত্য হলো— আইসল্যান্ডের সেই গণভোটে প্রশ্ন ছিল মোট ৬টি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রত্যেকটি প্রশ্নের বিপরীতে আলাদা আলাদাভাবে “হ্যাঁ” বা “না” বলার সুযোগ ছিল। অর্থাৎ, ভোটাররা বেছে নেওয়ার অধিকার পেয়েছিলেন যে তারা কোন ধারাটি চান আর কোনটি
চান না। উক্ত গণভোট সম্পর্কে স্পষ্টতই প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং সত্য লুকিয়েছে, যা জনগণের সাথে প্রতারণার শামিল। ২. চিলি ও ইতালির উদাহরণ: প্রেস উইং তাদের পোস্টে চিলি ও ইতালির গণভোটের উদাহরণ দিয়েছে। হ্যাঁ, সেখানে শত শত ধারার বিপরীতে একটি মাত্র “হ্যাঁ/না” অপশন ছিল। কিন্তু তারা যেটা বলতে ভুলে গেছে তা হলো— উভয় দেশেই সচেতন নাগরিকরা এই “প্যাকেজ ডিল” প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। দুই দেশেই “না” (No) জয়যুক্ত হয়েছিল কারণ মানুষ তাদের পছন্দের ওপর জবরদস্তি মেনে নেয়নি। উক্ত দুই উদাহরণ নিয়ে সচেতন যে কেউ যদি প্রকৃত তথ্য যাচাই করে তবে তা প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এর জন্য বুমেরাং যুক্তি হিসেবে হাজির হবে। ৩. আমাদের উদাসীনতা ও তথ্যের রাজনীতি দুর্ভাগ্যজনকভাবে,
আমাদের দেশে তথ্য যাচাই না করার প্রবণতাকে পুঁজি করে এই ধরণের বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়। যখন রাষ্ট্রীয় একটি প্ল্যাটফর্ম থেকে আংশিক সত্য বা সুক্ষ্ম মিথ্যা প্রচার করা হয়, তখন বুঝতে হবে এটি সাধারণ মানুষকে মানসিকভাবে প্রভাবিত করার একটি পুরনো কৌশল। পছন্দের মানুষের প্রতি অন্ধ আবেগ আমাদের সত্য দেখার চোখ বন্ধ করে দিচ্ছে। রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে যখন ফ্যাক্ট-চেকিংয়ের নামে তথ্য বিকৃতি করা হয়, তখন সেটি উদ্বেগের বিষয়। ডক্টর শাহদীন মালিকের পর্যবেক্ষণ সঠিক— বহুবিধ বিষয়ের ওপর একটি মাত্র উত্তর চাপিয়ে দেওয়া জনমতের প্রকৃত প্রতিফলন নয়। আমাদের উচিত ইগো দিয়ে নয়, বরং তথ্য ও যুক্তি দিয়ে সত্যকে যাচাই করা। পরিচিতি: ব্লগার এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ
চান না। উক্ত গণভোট সম্পর্কে স্পষ্টতই প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং সত্য লুকিয়েছে, যা জনগণের সাথে প্রতারণার শামিল। ২. চিলি ও ইতালির উদাহরণ: প্রেস উইং তাদের পোস্টে চিলি ও ইতালির গণভোটের উদাহরণ দিয়েছে। হ্যাঁ, সেখানে শত শত ধারার বিপরীতে একটি মাত্র “হ্যাঁ/না” অপশন ছিল। কিন্তু তারা যেটা বলতে ভুলে গেছে তা হলো— উভয় দেশেই সচেতন নাগরিকরা এই “প্যাকেজ ডিল” প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। দুই দেশেই “না” (No) জয়যুক্ত হয়েছিল কারণ মানুষ তাদের পছন্দের ওপর জবরদস্তি মেনে নেয়নি। উক্ত দুই উদাহরণ নিয়ে সচেতন যে কেউ যদি প্রকৃত তথ্য যাচাই করে তবে তা প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এর জন্য বুমেরাং যুক্তি হিসেবে হাজির হবে। ৩. আমাদের উদাসীনতা ও তথ্যের রাজনীতি দুর্ভাগ্যজনকভাবে,
আমাদের দেশে তথ্য যাচাই না করার প্রবণতাকে পুঁজি করে এই ধরণের বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়। যখন রাষ্ট্রীয় একটি প্ল্যাটফর্ম থেকে আংশিক সত্য বা সুক্ষ্ম মিথ্যা প্রচার করা হয়, তখন বুঝতে হবে এটি সাধারণ মানুষকে মানসিকভাবে প্রভাবিত করার একটি পুরনো কৌশল। পছন্দের মানুষের প্রতি অন্ধ আবেগ আমাদের সত্য দেখার চোখ বন্ধ করে দিচ্ছে। রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে যখন ফ্যাক্ট-চেকিংয়ের নামে তথ্য বিকৃতি করা হয়, তখন সেটি উদ্বেগের বিষয়। ডক্টর শাহদীন মালিকের পর্যবেক্ষণ সঠিক— বহুবিধ বিষয়ের ওপর একটি মাত্র উত্তর চাপিয়ে দেওয়া জনমতের প্রকৃত প্রতিফলন নয়। আমাদের উচিত ইগো দিয়ে নয়, বরং তথ্য ও যুক্তি দিয়ে সত্যকে যাচাই করা। পরিচিতি: ব্লগার এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ



