ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘আর কখনও বিচার চাইব না’ : যে দেশে বিচার চাওয়াই অপরাধ পুলিশ হত্যার বিচার চাই!
ড. ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ
ভোটার তালিকা সংশোধন বিল-২০২৬ পাস
অধ্যাদেশ নিয়ে যে ‘খেলা’ সেটা রাজনীতি ও আমলাতন্ত্রের: টিআইবি
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ করে সংসদে বিল পাশ
২ ডিআইজিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি
খালি তাক আর মন্ত্রণালয় ভরা অজুহাত : আন্তর্জাতিক বাজারের দোষ, দেশীয় ব্যর্থতার ঢাল
দেড় মাস ধরে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেল নেই। দোকানে গেলে বিক্রেতা বলেন, "মাল নাই।" সুপারশপে গেলে বলে, "একজনকে দুইটার বেশি দেওয়া যাবে না।" আর খোলা বাজারে তেলের কেজি এখন ২১০ টাকা ছুঁয়েছে। ঈদের আগেও এটা ২০০ টাকার উপরে উঠেছিল, ঈদের পরে আরো বেড়েছে। যে মানুষটার পকেটে ১০০ টাকা আছে, সে এখন আধা কেজি তেলও কিনতে পারছে না।
এই পরিস্থিতিতে সরকার কী করছে? বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি জমা পড়েছে। সেই চিঠি নাকি এখনো বিবেচনাধীন। বিবেচনা চলছে, আর মানুষ রান্নাঘরে হিসাব করছে এই মাসে তেলে কতটা কাটছাঁট করা যায়।
কোম্পানিগুলো বলছে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কথা বলছে। এই কথা সম্পূর্ণ মিথ্যা নয়, কিন্তু
এটাই পুরো সত্যি নয়। কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে সেটা মোকাবেলা করার জন্যই তো একটা সরকার থাকে। মজুদ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য, সরবরাহ চেইন ঠিক রাখার জন্য, সাধারণ মানুষ যাতে বাজারে গিয়ে খালি হাতে না ফেরে সেটা নিশ্চিত করার জন্য। সেই কাজটা হচ্ছে না। ডিলার পর্যায়ে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে কোম্পানিগুলো, অথচ বোতলের গায়ে দাম আগেরটাই লেখা আছে। এই ফাঁকে কেউ নির্ধারিত দামে বিক্রি করছে না, কেউ মাল সরিয়ে রাখছে। ভোক্তা মাঝখানে পিষ্ট হচ্ছে। টিসিবির তথ্যই বলছে, এক বছরে খোলা সয়াবিনের দাম ১৮ শতাংশ বেড়েছে। এটা কোনো ছোট সংখ্যা না, বিশেষত যে মানুষটার আয় এক বছরে ১৮ শতাংশ বাড়েনি তার জন্য। মুগদা, মানিকনগর, খিলগাঁও,
মতিঝিল, রাজধানীর যেকোনো বাজারে গেলেই এই ছবি দেখা যাচ্ছে। এটা কোনো এলাকার সমস্যা না, পুরো শহরের সমস্যা। সম্ভবত সারা দেশের সমস্যা। অথচ এই নিয়ে সরকারের তরফ থেকে কোনো জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে না। কোনো তদারকি নেই, কোনো বাজার অভিযান নেই, কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। নিম্ন আয়ের মানুষেরা এখন বাধ্য হয়ে খোলা তেল কিনছেন। সেই খোলা তেলের দামও বেড়ে গেছে। মানে পালানোর পথও বন্ধ। যে পরিবার আগে মাসে পাঁচ লিটার তেল কিনত, সে এখন হিসাব মিলাতে পারছে না। এই কষ্টটা পরিসংখ্যানে ধরা পড়ে না, কিন্তু প্রতিটা রান্নাঘরে টের পাওয়া যায়। সরকার যদি মনে করে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে পার পাওয়া যাবে,
সেটা ভুল ধারণা। মানুষ বোঝে কখন সরকার সত্যিই অসহায় আর কখন শুধু উদাসীন। এই মুহূর্তে যা দেখা যাচ্ছে সেটা অসহায়ত্ব না, এটা উদাসীনতা।
এটাই পুরো সত্যি নয়। কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে সেটা মোকাবেলা করার জন্যই তো একটা সরকার থাকে। মজুদ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য, সরবরাহ চেইন ঠিক রাখার জন্য, সাধারণ মানুষ যাতে বাজারে গিয়ে খালি হাতে না ফেরে সেটা নিশ্চিত করার জন্য। সেই কাজটা হচ্ছে না। ডিলার পর্যায়ে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে কোম্পানিগুলো, অথচ বোতলের গায়ে দাম আগেরটাই লেখা আছে। এই ফাঁকে কেউ নির্ধারিত দামে বিক্রি করছে না, কেউ মাল সরিয়ে রাখছে। ভোক্তা মাঝখানে পিষ্ট হচ্ছে। টিসিবির তথ্যই বলছে, এক বছরে খোলা সয়াবিনের দাম ১৮ শতাংশ বেড়েছে। এটা কোনো ছোট সংখ্যা না, বিশেষত যে মানুষটার আয় এক বছরে ১৮ শতাংশ বাড়েনি তার জন্য। মুগদা, মানিকনগর, খিলগাঁও,
মতিঝিল, রাজধানীর যেকোনো বাজারে গেলেই এই ছবি দেখা যাচ্ছে। এটা কোনো এলাকার সমস্যা না, পুরো শহরের সমস্যা। সম্ভবত সারা দেশের সমস্যা। অথচ এই নিয়ে সরকারের তরফ থেকে কোনো জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে না। কোনো তদারকি নেই, কোনো বাজার অভিযান নেই, কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। নিম্ন আয়ের মানুষেরা এখন বাধ্য হয়ে খোলা তেল কিনছেন। সেই খোলা তেলের দামও বেড়ে গেছে। মানে পালানোর পথও বন্ধ। যে পরিবার আগে মাসে পাঁচ লিটার তেল কিনত, সে এখন হিসাব মিলাতে পারছে না। এই কষ্টটা পরিসংখ্যানে ধরা পড়ে না, কিন্তু প্রতিটা রান্নাঘরে টের পাওয়া যায়। সরকার যদি মনে করে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে পার পাওয়া যাবে,
সেটা ভুল ধারণা। মানুষ বোঝে কখন সরকার সত্যিই অসহায় আর কখন শুধু উদাসীন। এই মুহূর্তে যা দেখা যাচ্ছে সেটা অসহায়ত্ব না, এটা উদাসীনতা।



