ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
উগ্র মতবাদ প্রচার: পাকিস্তানিদের জন্য অন অ্যরাইভাল ভিসা বাতিল করলো কাতার
এবার কবরস্থান থেকে উদ্ধার হলো ৪১৪ গ্যাস সিলিন্ডার
শুরু হচ্ছে কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ৭৯তম আসর
জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত
তীব্র সংকটে পাকিস্তানে এক রাতেই দ্বিগুণ বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
আমদানিকারকদের বড় সুখবর দিল কুয়েত সরকার
গত ২৪ ঘণ্টায় লেবাননের ৪০ যোদ্ধা নিহত
ইসরায়েলি সেনাদের মধ্যে আত্মহত্যা বেড়েছে
গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে আত্মহত্যার সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ২৮ জন সেনা আত্মহত্যা করেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই সংখ্যা আগের বছরের চেয়ে বেশি। ২০২৩ সালে মোট ১৭ জন সেনার আত্মহত্যা করেছিল বলে সন্দেহ করা হয় যার মধ্যে ৭ জন যুদ্ধ শুরুর পর আত্মহত্যা করেছিলেন।
গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটেছে। সামরিক বাহিনীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৮৯১ জন সেনা নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৫,৫৬৯ জন।
২০২৪ সালে নিহত সেনার সংখ্যা ছিল
৩৬৩ জন, যা ২০২৩ সালের তুলনায় কম। তবে ২০২৩ সালে নিহত সেনার সংখ্যা ছিল ৫৫৮ জন। এর আগে, ২০২২ সালে নিহত সেনার সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৪ জন। মানসিক চাপ ও যুদ্ধের প্রভাব যুদ্ধের প্রতিকূল পরিবেশ ও মানসিক চাপের কারণে সেনাবাহিনীতে আত্মহত্যার হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি শুধু শারীরিক ক্ষতি নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও বড় প্রভাব ফেলে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এখন এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে চিন্তা করছে। পরিস্থিতি সামলাতে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা বাড়ানো এবং সেনাদের মানসিক চাপ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গাজা যুদ্ধের প্রতিটি দিন ইসরায়েলি সেনাদের
জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক উভয় ক্ষেত্রেই গভীর প্রভাব ফেলছে।
৩৬৩ জন, যা ২০২৩ সালের তুলনায় কম। তবে ২০২৩ সালে নিহত সেনার সংখ্যা ছিল ৫৫৮ জন। এর আগে, ২০২২ সালে নিহত সেনার সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৪ জন। মানসিক চাপ ও যুদ্ধের প্রভাব যুদ্ধের প্রতিকূল পরিবেশ ও মানসিক চাপের কারণে সেনাবাহিনীতে আত্মহত্যার হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি শুধু শারীরিক ক্ষতি নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও বড় প্রভাব ফেলে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এখন এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে চিন্তা করছে। পরিস্থিতি সামলাতে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা বাড়ানো এবং সেনাদের মানসিক চাপ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গাজা যুদ্ধের প্রতিটি দিন ইসরায়েলি সেনাদের
জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক উভয় ক্ষেত্রেই গভীর প্রভাব ফেলছে।



