ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নিষিদ্ধ মারণাস্ত্রের ব্যবহার, নিমেষে নিশ্চিহ্ন হাজারো মানুষ
যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজকে ইরানের জলসীমা এড়িয়ে চলার নির্দেশ
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অ্যান্টোনিও সেগুরোর জয়
ইসলামপন্থি বা ইসরাইল কোনোটিই নয়, যুবরাজ সালমান হাঁটছেন ভিন্ন পথে
লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবে শিশুসহ ৫৩ প্রাণহানী
‘প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে আইনি কৌশলে মাঠের বাইরে রাখা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’: মাইকেল রুবিন
ইরানের কাছে পাঁচ অসম্ভব দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের যে প্রযুক্তির কাছে নাকানিচুবানি খাচ্ছে ইসরায়েল
বিশ্বের সব থেকে আধুনিক মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়েও ইরানের হামলা ঠেকাতে পারছে না ইসরায়েল। হাজার কিমি পথ পাড়ি দিয়ে ইরানের একের পর এক মিসাইল গিয়ে আঘাত করেছে ইসরায়েলের বিভিন্ন সুরক্ষিত স্থানে। ভেঙ্গে দিচ্ছে দেশটির সকল প্রতিরক্ষা বাধ। মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিচ্ছে সব অহংকার। তাহলে ইরানের কোন প্রযুক্তির কাছে নাকানিচুবানি খাচ্ছে ইসরায়েল?
মূলত তিন স্তরের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে ইসরায়েলের। স্বল্প মধ্যম ও দূরবর্তী যে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের মাটি স্পর্শ করার আগে আকাশেই ধ্বংস করে দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে দেশটির। এতদিন ধরে এমনই গৌরব নিয়ে চলেছে ইসরাইলী প্রতিরক্ষাবাহিনী। কিন্তু সেই অহংকার মুহূর্তেই মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে ইরানের হাইপারসনিক মিসাইল। শুরুতে সাধারণ মিসাইল দিয়ে
হামলা চালিয়ে তেমন সাফল্য না পেলেও সুপারসনিকের জাদুতে এবার তছনছ হতে শুরু করেছে ইসরায়েলের সাজানো বাগান। হাইপারসনিক মিসাইল হলো এমন এক ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র, যা শব্দের গতির চেয়ে কমপক্ষে পাঁচ গুণ দ্রুত ছুটতে পারে। এরা এতটাই দ্রুত যে প্রচলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো অনেক সময় একে শনাক্ত করে ধ্বংস করতে পারে না। প্রশ্ন হলো কত দ্রুতো ছুটতে পারে এই হাইপারসনিক? শব্দের গতি যেখানে ঘণ্টায় ১ হাজার ২৩৫ কিমি সেখানে হাইপারসনিক গতি ঘণ্টায় ৬ হাজার ১৭৪ কিমি বা তার চেয়েও বেশি। একটি হাইপারসনিক মিসাইল ১ হাজার কিমি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে মাত্র ৮-১০ মিনিটে পৌঁছে যেতে পারে। হাইপারসনিক মিসাইল কীভাবে কাজ করে লঞ্চ প্যাড থেকে উৎক্ষেপণ পর শুরুতেই মিসাইলটি
উচ্চগতিতে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে এর পর ধীরে ধীরে গতি বাড়তে থাকে এমনকি রাডার ফাঁকি দিয়ে হঠাৎ দিক পরিবর্তন করতে পারে হাইপারসনিক। সব শেষ টার্গেটের ওপর নিখুঁত আঘাত হানে এই মারণাস্ত্র। কেন এতটা বিপজ্জনক এই হাইপারসনিক মিসাইল হাইপারসনিকের উচ্চ গতির কারণে রাডারে এই মিসাইল শনাক্ত করা খুবই কঠিন। এছাড়া নির্ভুল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সক্ষমতা রয়েছে এই মিসাইলের। এমনকি পারমাণবিক বোমা বহনের ক্ষমতা রাখে এটি। বর্তমান মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যত অকার্যকর এর কাছে।
হামলা চালিয়ে তেমন সাফল্য না পেলেও সুপারসনিকের জাদুতে এবার তছনছ হতে শুরু করেছে ইসরায়েলের সাজানো বাগান। হাইপারসনিক মিসাইল হলো এমন এক ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র, যা শব্দের গতির চেয়ে কমপক্ষে পাঁচ গুণ দ্রুত ছুটতে পারে। এরা এতটাই দ্রুত যে প্রচলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো অনেক সময় একে শনাক্ত করে ধ্বংস করতে পারে না। প্রশ্ন হলো কত দ্রুতো ছুটতে পারে এই হাইপারসনিক? শব্দের গতি যেখানে ঘণ্টায় ১ হাজার ২৩৫ কিমি সেখানে হাইপারসনিক গতি ঘণ্টায় ৬ হাজার ১৭৪ কিমি বা তার চেয়েও বেশি। একটি হাইপারসনিক মিসাইল ১ হাজার কিমি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে মাত্র ৮-১০ মিনিটে পৌঁছে যেতে পারে। হাইপারসনিক মিসাইল কীভাবে কাজ করে লঞ্চ প্যাড থেকে উৎক্ষেপণ পর শুরুতেই মিসাইলটি
উচ্চগতিতে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে এর পর ধীরে ধীরে গতি বাড়তে থাকে এমনকি রাডার ফাঁকি দিয়ে হঠাৎ দিক পরিবর্তন করতে পারে হাইপারসনিক। সব শেষ টার্গেটের ওপর নিখুঁত আঘাত হানে এই মারণাস্ত্র। কেন এতটা বিপজ্জনক এই হাইপারসনিক মিসাইল হাইপারসনিকের উচ্চ গতির কারণে রাডারে এই মিসাইল শনাক্ত করা খুবই কঠিন। এছাড়া নির্ভুল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সক্ষমতা রয়েছে এই মিসাইলের। এমনকি পারমাণবিক বোমা বহনের ক্ষমতা রাখে এটি। বর্তমান মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যত অকার্যকর এর কাছে।



